রাজধানীর নিউ ইস্কাটনে একটি ভবনে এসি বিস্ফোরণের ঘটনায় চিকিৎসাধীন দগ্ধ ফারুক মীর (৪০) মারা গেছেন। বুধবার (৫ মার্চ) বিকেল ৪টার দিকে জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি। ফারুকের শরীরের ৪৭ শতাংশ দগ্ধ হয়েছিল। তার মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বার্ন ইনস্টিটিউটের আবাসিক সার্জন ডা. শাওন বিন রহমান।
এর আগে ২৭ ফেব্রুয়ারি রাত ৩টার দিকে বিয়াম ফাউন্ডেশন কার্যালয়ের ৫ম তলায় এ ঘটনা ঘটে। ওইদিনই মারা যান অফিস সহকারী আব্দুল মালেক খান (৪০)।
মৃত ফারুক মীরের ছোট ভাই মো. তোফায়েল মীর জানান, তাদের বাড়ি ভোলার দক্ষিণ আইচা থানার নজরুল নগর গ্রামে। বাবার নাম মফিজ মীর। গাড়ি চালক ফারুক মীর বিয়াম ফাউন্ডেশনের কার্যালয়ে থাকতেন। এর আগে ১৫ বছর ঢাকা জেলা প্রশাসন কার্যালয়ের গাড়ি চালাতেন। তার দুই সন্তান ও স্ত্রী ফারজানা আক্তার ফাহিমা গ্রামের বাড়িতে থাকেন।
মো. তোফায়েল মীর অভিযোগ করে বলেন, এতদিন ডিসি অফিসের গাড়ি চালাতেন ফারুক মীর। তবে এসি বিস্ফোরণের পর থেকে অফিসের কেউ ফারুককে একবারও হাসপাতালে দেখতে আসেননি।
ঘটনার সময় হাতিরঝিল থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মো. মনিরুজ্জামান জানান, নিউ ইস্কাটনের ওই ভবনে ৫ম তলায় থাকতেন ওই দুজন। ২৭ ফেব্রুয়ারি রাত ৩টার দিকে এসি বিস্ফোরণে তারা দুজন দগ্ধ হন। আহত অবস্থায় দুজনকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেলে নিয়ে গেলে আব্দুল মালেক খানকে শুক্রবার সকাল পৌনে ৭টার দিকে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন। আর দগ্ধ ফারুককে জাতীয় বার্ন ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।
রিভার্স সুইং ফেরাতে বলে থুতু ব্যবহারের অনুমতি চান শামি