বগুড়ার গাবতলী পৌর এলাকার সিফাত (১৩) নামে সপ্তম শ্রেণির শিক্ষার্থীকে গলাটিপে হত্যার ঘটনা ঘটেছে। শনিবার (৮ মার্চ) দিবাগত রাত ৯টা জেলার গাবতলী পৌর এলাকার উনচুরকি গ্রামের ঈদগাহ মাঠের পাশে পুকুর পাড় থেকে তার লাশ উদ্ধার করা হয়।
রবিবার (৯ মার্চ) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে গাবতলী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আশিক ইকবাল বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নিহত সিফাত উনচুরকি গ্রামের উত্তরপাড়ার হাফিজার রহমান মোল্লার ছেলে ও স্থানীয় এমআর মাল্টিমিডিয়া হাইস্কুলের ৭ম শ্রেণির ছাত্র। নিহতের মা রুলি বেগমের ধারণা স্থানীয় এক হিজরা তাকে হত্যা করেছে।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, শনিবার রাত ৯টার দিকে স্থানীয় লোকজন উনচুরকি গ্রামের ঈদগাহ মাঠ সংলগ্ন পুকুরপাড়ে সিফাতকে পড়ে থাকতে দেখে। এ সময় স্থানীয় ও পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে গাবতলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যায়। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক সিফাতকে মৃত ঘোষণা করেন। চিকিৎসক জানান, তাকে গলাটিপে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। তার গলায় হাতের আঙ্গুলের ছাপ রয়েছে।
নিহক সিফাতের মা বলেন, সিফাত পরিবারে ৩ ভাই-বোনের মধ্যে দ্বিতীয়। সে শনিবার মসজিদে ইফতার শেষে মাগরিবের নামাজ আদায় করে বাড়ি ফেরে। এর কিছুক্ষণ পর সে বাড়ি থেকে বেরিয়ে যায়। আমরা মনে করেছি সে তারাবির নামাজ আদায় করার জন্য বের হয়েছে। রাত ৯টার দিকে জানতে পারি সিফাত ঈদগাহ মাঠের পুকুর পাড়ে পড়ে আছে। তাকে হাসপাতালে নেওয়া হলে ডাক্তার জানিয়েছে তাকে গলাটিপে হত্যা করা হয়েছে।
নিহত সিফাতের মায়ের ধারণা স্থানীয় হিজরা ইমরান হোসেন হারু তাকে গলাটিপে হত্যা করেছে। কারণ ওই হিজরার বাড়ির পাশে সিফাতের লাশ পড়ে ছিল।
ওসি আশিক ইকবাল বলেন, পুলিশ সিফাতের মৃত্যুকে গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। সিফাতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য বগুড়া শহিদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। নিহতের পরিবারের পক্ষ হত্যা মামলা দায়ের বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন।
ধর্ষকদের ঘৃণা করুন ও সামাজিকভাবে বয়কট করুন: জামায়াতের আমির
বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ ও অশ্লীল ভিডিও ধারণ, কলেজছাত্র গ্রেপ্তার