মাদক পাচারের অভিযোগ থেকে ম্যাকগিলের মুক্তি; তবু পেতে হবে সাজা

আপডেট : ১৩ মার্চ ২০২৫, ০৫:১৫ পিএম

অস্ট্রেলিয়ার সাবেক লেগ স্পিনার স্টুয়ার্ট ম্যাকগিলকে ‘দুর্ভাগা ক্রিকেটার’ বলা হয়। জাদুকরী গুগলি, বিশাল টার্ন করানোর ক্ষমতা থাকলেও তার ক্যারিয়ার সেভাবে এগোয়নি। কারণ, তার জন্ম কিংবদন্তি শেন ওয়ার্নের সময়ে। ক্যারিয়ারের পুরোটা সময় ওয়ার্নের ছায়ায় ঢাকা পড়া ম্যাকগিল এবার মাদক পাচারের গুরুতর অভিযোগ থেকে মুক্তি পেলেন। তবে তাকে ছোটখাট সাজা পেতে হবে।

২০২১ সালে ম্যাকগিলের বিরুদ্ধে নিষিদ্ধ মাদক কোকেন সরবরাহের অভিযোগ আনা হয়। জানা যায়, তিনি ৩ লাখ ৩০ হাজার ডলারের কোকেন চোরাচালানের সঙ্গে সম্পৃক্ত ছিলেন। এ কারণে তাকে ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে গ্রেপ্তার করা হয়। ম্যাকগিলের শ্যালক ও ম্যাকগিলের ব্যক্তিগত ওষুধ সরবরাহকারীর মধ্যে ৩ লাখ ৩০ হাজার অস্ট্রেলিয়ান ডলার মূল্যের এক কেজি কোকেন সরবরাহের সেই চুক্তি হয়েছিল।

নিজের রেস্টুরেন্টে সেই বৈঠকের ব্যবস্থা করে দিয়েছিলেন ম্যাকগিল। তবে এরকম কোনো চুক্তি হবে, তিনি জানতেন না বলেই আদালতকে জানান। প্রসিকিউটররা নিশ্চিত হয়েছেন, ম্যাকগিলের সম্পৃক্ততা ছাড়া এরকম চুক্তি হওয়া সম্ভব নয়। তবে তার সরাসরি জড়িত থাকার ব্যাপারটি প্রমাণ করা যায়নি। তাই আজ সিডনির একটি আদালত তাকে বৃহৎ পরিসরে মাদক পাচারের দায় থেকে অব্যাহতি দেয়।

বিচারক রায় ঘোষণার সময় আদালতে ৫৪ বছর বয়সী ম্যাকগিলকে নির্লিপ্ত দেখা গেছে। তার বিরুদ্ধে আনা অর্থ লেনদেনের অভিযোগ আদালতও প্রমাণ করতে পারেনি। তবে এত সহজে ম্যাকগিল রেহাই পাচ্ছেন না। মাদক পাচার না করলেও এর সরবরাহে ভূমিকা রাখার জন্য ছোট কোনো শাস্তি তাকে পেতে হবে। তার সেই শাস্তির রায় আপাতত আট সপ্তাহের জন্য মুলতবি রাখা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ওয়ার্নের ছায়ায় ঢাকা পড়েও কখনো তার অনুপস্থিতিতে আবার কখনো তার সঙ্গী হয়ে ১৯৯৮ থেকে ২০০৮ সাল পর্যন্ত ৪৪টি টেস্ট খেলেছিলেন ম্যাকগিল। শিকার করেছেন ২০৮টি উইকেট। ইনিংসে ৫ উইকেট নিয়েছেন ১২ বার, ম্যাচে ১০ উইকেট দুইবার। ২০০৬ সালে ফতুল্লা টেস্টে ১০৮ রানে ৮ উইকেট তার ক্যারিয়ারসেরা বোলিং।

 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত