সাধারণের মধ্যেই অসাধারণ ইফতার

সিগনেচার আইটেম : জিলাপি ফিরনি লাচ্ছা সেমাই

আপডেট : ১৬ মার্চ ২০২৫, ০৬:০০ এএম

এই নগরে যারা ভোজন রসিক, যারা খাবারের টেস্ট বোঝেন তাদের প্রথম পছন্দ রোদেলা বিকেল। ১২ বছরের জার্নিতে রোদেল বিকেল নিজেদের একটি নির্দিষ্ট গ্রাহক শ্রেণি তৈরি করেছে। নগরের রুচিশীল ভোজন রসিকদের পছন্দই হলো রোদেলা বিকেলের মজাদার সব আইটেম। বছর জুড়ে বাহারি খাবারের সঙ্গে রোজায় শুধু ইফতারকে কেন্দ্র করে প্রচলিত মেনুও তৈরি করছে এ প্রতিষ্ঠান। সব পরিচিত- সাধারণ মনে হলেও স্বাদ গুণ মানে ও উপকরণে অসাধারণ রোদেলা বিকেলের ইফতার।

৪০টি আইটেমের মধ্যে জাফরান জিলাপি, কিশমিশ ফিরনি ও প্লাটিনাম লাচ্ছা সেমাই সিগনেচার আইটেম হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। দেশ-বিদেশে এই তিনটি আইটেমের বেশ সুনাম রয়েছে।

কেজিপ্রতি ১ হাজার ১০০ থেকে ১ হাজার ২০০ টাকার জিলাপি তৈরিতে সানফ্লাওয়ার অয়েল, কাশ্মীরের জাফরান, নিউজিল্যান্ডের বাটার অয়েল, ফরিদপুরের ঘি উপকরণ হিসেবে ব্যবহার করা হয়। জিলাপির শিরা তৈরিতে ট্যাপের পানির (ওয়াসার সরবরাহকৃত কলের পানি) পরিবর্তে বিশুদ্ধ অ্যাকুয়া ফিনা ড্রিংকিং ওয়াটার। অস্ট্রেলিয়ার সুপার রিফাইনড চিনি (কম মিষ্টি) ব্যবহার করা হয়। একইভাবে রোদেলা বিকেলের প্লাটিনাম লাচ্ছা সেমাই শুধু রমজানেই পাওয়া যায়। সেমাই তৈরির প্রধান উপকরণ ময়দা ব্যবহার করা হয় দক্ষিণ কোরিয়ার। দেশের সাধারণ ডালডার পরিবর্তে এই সেমাইতে ব্যবহার হয় দামি আনসল্টেড বাটার (ননিবিহীন), ভাজা হয় সানফ্লাওয়ার ও এক্সটা ভার্জিন অলিভ অয়েল, ফরিদপুরের ঘি ও নিউজিল্যান্ডের বাটার অয়েলের সংমিশ্রণে। পরিচ্ছন্ন পরিবেশে তৈরি প্রতি কেজি প্লাটিনাম লাচ্ছা সেমাইয়ের দাম ২ হাজার ৫০০ টাকা। তবে বিক্রির সুবিধায় তিন চাকের একটি ফুড গ্রেড বক্সে প্যাকিং করা হয়। চাক ভাঙা হয় না বলে তিন চাকের বক্সে  ২৫০ থেকে ৩০০ গ্রাম সেমাই থাকে। ইফতারির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ আইটেম হলো ফিরনি। সেই ফিরনি তৈরিতে ব্যবহার হয় নিডো গুঁড়ো দুধ, অস্ট্রেলিয়ার সুপার রিফাইনড চিনি, মিল্কভিটার বাটার, ফরিদপুরের ঘি ও নিউজিল্যান্ডের বাটার অয়েল। মাটির প্রতি বাটি (একজনের খাবার উপযোগী) ফিরনি ৮০ টাকায় বিক্রি হয়।

ইফতারিতে প্রচলিত আইটেমের পাশাপাশি দেশি চিকেন ও মাটন হালিম, মেজবানের গরুর মাংস, গরুর নলা, খাসির পায়া, ফিস ফিঙ্গার, মাটন চুইঝাল, চিকেন তন্দুরি, বিফ বটি কাবাব, ওরশের বিরিয়ানি, দেশি মোরগ মোসাল্লামসহ নানাবিধ আইটেম তৈরি করে রোদেলা বিকেল। ১২ বছরের জার্নিতে নিজেদের জাত চিনিয়ে দেওয়া এবং খাবারের কোয়ালিটি নিশ্চিতের বিষয়ে জানতে চাইলে প্রতিষ্ঠানটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক রফিকুল বাহার দেশ রূপান্তরকে বলেন, খাবার তৈরির জন্য কোয়ালিটি নিশ্চিত করতে আমরা সবসময় সতর্ক ও আন্তরিক। আর তা করতে গিয়ে হয়তো অনেক ক্ষেত্রে মূল্য বেশি পড়ে যায়। যারা স্বাস্থ্যসম্মত সুস্বাদু ও টাটকা খাবার খেতে চান তাদের রোদেলা বিকেলে আসতে হয়। এই শহরের সব রুচিশীল ভোজন রসিকদের আস্থার জায়গা এখন রোদেলা বিকেল। কারণ আমরা বিশ্বাস করি ‘পিওর ফর শিওর’ এই থিওরিতে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত