এমসি কলেজ ছাত্রাবাসে ধর্ষণ

দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালেই মামলার বিচার

আপডেট : ১৭ মার্চ ২০২৫, ০৪:৩১ পিএম

সিলেটের এমসি (মুরারিচাঁদ) কলেজের ছাত্রাবাসে এক তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের মামলার বিচারকাজ দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালেই হবে। এ বিষয়ে দুই বছরের বেশি সময় আগে হাইকোর্ট যে রায় দিয়েছিল তার বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে রাষ্ট্রপক্ষের করা আবেদন প্রত্যাহার করে নেওয়া হয়েছে।

বিচারপতি মো. আশফাকুল ইসলামের নেতৃত্বে গঠিত আপিল বেঞ্চ আজ সোমবার আবেদনটি খারিজের আদেশ দেয়। আদালতে রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন অতিরিক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আরশাদুর রউফ। মামলাটি দ্রুত বিচারে নিতে করা রিট আবেদনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী ওমর ফারুক ও এম আব্দুল কাইয়ুম।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আরশাদুর রউফ দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘শুনানিতে আমরা বলেছি, এ মামলা দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে নিতে আমাদের কোনো আপত্তি নেই। আদালত আবেদনটি খারিজ করেছেন। মামলাটির বিচার এখন দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে হবে।’

২০২০ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর সিলেটের দক্ষিণ সুরমার এক নবদম্পতি এমসি কলেজে বেড়াতে গেলে কলেজের ছাত্রাবাসে ছাত্রলীগ নামধারী কয়েকজন নেতাকর্মীর দ্বারা সংঘবদ্ধ ধর্ষণের শিকার হন তরুণী। পরদিন ৬ জনকে আসামি করে নগরের শাহপরান থানায় মামলা করেন ভুক্তভোগীর স্বামী। এছাড়া আসামিদের বিরুদ্ধে ছিনতাই ও চাঁদাবাজির অভিযোগে আরেকটি মামলা হয়। ধর্ষণের ঘটনায় ৮ জনকে অভিযুক্ত করে ওই বছরের ৩ ডিসেম্বর সংশ্লিষ্ট আদালতে অভিযোগপত্র দেয় পুলিশ। সিলেটের নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল ২০২১ সালের ১৭ জানুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন। মামলাটি বতর্মানে সাক্ষ্যগ্রহণ পর্যায়ে রয়েছে।

মামলাটি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে নিতে ভুক্তভোগীর স্বামী হাইকোর্টে রিট আবেদন করলে ২০২২ সালের ১৬ আগস্ট হাইকোর্ট রুল দেয়। রুলের ওপর চূড়ান্ত শুনানি নিয়ে ২০২২ সালের ১৫ ডিসেম্বর হাইকোর্ট রুল যথাযথ ঘোষণা করে মামলাটি দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনালে বদলির নির্দেশ দেয়। একই সঙ্গে এ বিষয়ে ৩০ দিনের মধ্যে সরকারি গেজেট জারির নির্দেশনা আসে হাইকোর্ট থেকে। পরে হাইকোর্টের এ রায়ের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগে আবেদন করে রাষ্ট্রপক্ষ। 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত