হবিগঞ্জের বাহুবল উপজেলার ছোট্ট ইউনিয়ন স্নানঘাটে আজ যেন ঈদের আনন্দ। সেখানেই পৈতৃক বাড়িতে স্ত্রী-সন্তানদের সঙ্গে করে প্রথমবারের মতো এসেছেন বাংলার ফুটবলের সবচেয়ে বড় তারকা হামজা চৌধুরী। বিকেলেই বাড়ির পাশের মাদ্রাসা মাঠে তাকে গনসংবর্ধনা দেয় এলাকাবাসী। ইফতারের পর নিজের বাড়ির উঠানে যেন হয়ে গেল ছোট্ট এক টুকরো সংবাদ সম্মেলন।
এখানেই সাংবাদিকদের একঝাঁক প্রশ্নের উত্তর বাংলা-ইংরেজি-সিলেটি ভাষায় মিলিয়ে দিয়েছেন হামজা চৌধুরী। তার ডান পাশে পুরোটা সময়ই বসে ছিলেন বাবা দেওয়ান চৌধুরী মোরশেদ। প্রশ্নগুলো বুঝিয়ে দিতে সাহায্য করেছেন সন্তানকে। আর শেষে গিয়ে স্বপ্ন পূরণের খুশি ভাগ করে নিয়েছেন উপস্থিত সবার সঙ্গে।
২০১৪ সালে সবশেষ বাংলাদেশের এসেছিলেন। ১১ বছর পর তার বাংলাদেশে আসাকে কেন্দ্র করে সিলেট ও স্নানঘাটের মানুষজনের এমন বাধভাঙা উৎসাহ উপভোগ করেছেন হামজা। বলেছেন, দেশের মানুষের এমন ভালোবাসা ‘বহুত বালো লাগছে’ তার কাছে। অন্য এক প্রশ্নের জবাবে হামজা বলেন, ‘লাভ ইউ সো মাচ। সবারি বালোবাসি। আমার আর আমার ফ্যামিলিরে এত রিসপেক্ট শো করছো, ইনশাল্লাহ আমি রিপে করতে ফারবো।’
দেশের হয়ে ৮ নম্বর জার্সি পরে মাঠে নামতে চান এ তারকা। আর তারকা প্রসঙ্গে সাকিবের সঙ্গে তার চলমান তুলনা নিয়েও উত্তর দিয়েছেন। বলেছেন ‘সাকিব মেগাস্টার এতো বছর ধরে, আমি কমপেয়ার করতে চাইনা।’ নিজের প্রচেষ্টা আর দলের সবাইকে নিয়ে ফুটবলের উন্নতি করতে চান। বিশ্বকাপে চোখ কি না জানতে চাইলে হামজা বলেন, ‘আস্তে আস্তে করে ইনশাল্লাহ।’
সন্তান দেশের জার্সিতে খেলতে চলেছেন। শেষ পর্যায়ে হামজার বাবা দেওয়ান চৌধুরী মোরশেদ এ প্রসঙ্গে বলেন, ‘অবশ্যই স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। আমি চাইতাম বাংলাদেশের হয়ে খেলবে। আমি তাকে দেখিয়েছি বাংলার মানুষ তাকে কতটা ভালোবাসে। একটা সময় ও চেয়েছে খেলতে। তাই এখন বলতেই পারি স্বপ্ন পূরণ হয়েছে।’
বাড়ি পৌঁছালেন হামজা, লোকে লোকারণ্য স্নানঘাট
হামজা বললেন, ইনশাআল্লাহ আমরা উইন খরমু