লবণাক্ততা থেকে বাঁচতে ৩০ কিলোমিটার দূরে গিয়েও রক্ষা হচ্ছে না

আপডেট : ২২ মার্চ ২০২৫, ০৭:৪৭ এএম

মুহাম্মদ আনোয়ার পাশা

ব্যবস্থাপনা পরিচালক চট্টগ্রাম ওয়াসা

লবণাক্ততার হাত থেকে রক্ষা পেতে ১৯৮৭ সালেই হালদা পাড়ে গড়ে তোলা হয়েছিল মোহরা পানি শোধনাগার প্রকল্প। দিনে ৯ কোটি লিটার উৎপাদন ক্ষমতার এই প্ল্যান্টে কিন্তু লবণ পানি আসত না। পরে পর্যায়ক্রমে হালদাপাড়ে মদুনাঘাটে দিনে ৮ কোটি লিটার পানি উৎপাদন ক্ষমতার আরেকটি প্ল্যান্ট চালু করা হয়। ২০০৭ সালের পর থেকে শুষ্ক মৌসুমে হালদায় লবণ পানির মাত্রা বেড়ে যাচ্ছিল বলে আমরা আরও উজানে রাঙ্গুনিয়ার পোমরায় গোডাউন ব্রিজ এলাকায় কর্ণফুলীতে ইনটেক (পানি সংগ্রহ কেন্দ্র) স্থাপন করে ২৮ কোটি লিটার উৎপাদন শুরু করি। সর্বশেষ বোয়ালখালীর ভান্ডালজুড়িতে ৬ কোটি লিটার উৎপাদন ক্ষমতার প্ল্যান্ট চালু করা হয়। লবণাক্ততার ভয়ে আমরা অনেক উজানে গিয়েও স্বস্তি পাচ্ছি না। সেখানে চলে গেছে জোয়ারের লবণাক্ত পানি। কাপ্তাই জলবিদ্যুৎ কেন্দ্র থেকে পানি না ছাড়ার কারণে সাগরের জোয়ারের পানি ৩০ কিলোমিটার দূরে কর্ণফুলীর পোমরায় চলে গেছে। হালদার পাশাপাশি এখন কর্ণফুলীতে গড়ে তোলা পানি শোধনাগারগুলো থেকে প্রত্যাশা অনুযায়ী পানি পাওয়া যাচ্ছে না। পরিবেশ পরিস্থিতির কথা বিবেচনা করে ব্যাপকহারে ভূ-গর্ভস্থ পানিও উত্তোলন করা সমীচিন নয়। এতে নগরীতে বাড়ছে পানি সংকট। আমরা কোথায় যাব? কোথা থেকে পানি আনব?

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত