কী টানটান উত্তেজনার একটি ম্যাচের সাক্ষী হলো মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়াম। বার বার বাজি ওলটপালটের পরে শেষ বলে ১ উইকেটে টেবিলের উপরের দিকের দল অগ্রণী ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাবকে হারিয়ে আসরে নিজেদের দ্বিতীয় জয় পেয়েছে পারটেক্স স্পোর্টিং ক্লাব।
শেষ ওভারে জয়ের ১ উইকেট হাতে থাকা পারটেক্সের জয়ের জন্য প্রয়োজন ছিল ১০ রান। স্ট্রাইকে মোহাম্মদ রাকিব। তাইবুর পারভেজ বোলিংয়ে এসে প্রথম বল ডট দিলেও দ্বিতীয় বলে দিলেন চার। তৃতীয় বলটায় উড়িয়ে মারতে গিয়ে ঠিকমতো ব্যাটে বলে হলো না। কিন্তু লং অন থেকে দৌড়ে এসে ক্যাচটি নিতে পারেননি নাইম হাসান। অথচ ৪৭তম ওভার করতে এসে ম্যাচটা অগ্রণীর দিকে নিয়ে এসেছিলেন তিনিই। জীবন পেয়ে পরের বলে চার মারলেন রাকিব। পরের দুই বলে দুই সিঙ্গেলে জয়ের খুশি নিয়ে মাঠ ছাড়তে সক্ষম হয় পারটেক্স।
৪৬ ওভার শেষে ৫ উইকেটে ২০৩ রান ছিল পারটেক্সের। ১৬ রান প্রয়োজন তখন জিততে। ৪২ রানে জুটি গড়ে তখন থিতু রাকিব ও জাওয়াদ রোয়েন। ওই সময় বোলিংয়ে আসেন নাইম হাসান। প্রথম বলেই ফেরান রোয়েনকে। দুই বল পরে ছক্কা মারতে গিয়ে সীমানায় ক্যাচ দেন অধিনায়ক আলাউদ্দীন বাবু। পরের দুই ওভারে আরও দুই রান আউটে ৯ উইকেট হারিয়ে বসে পারটেক্স। অন্য প্রান্তে এমন কান্ডের সাক্ষী রাকিব। পরে তার ব্যাটেই ম্যাচ জেতার আনন্দে ভেসেছে পারটেক্স। সমান পাঁচটি চার ও ছক্কায় ১০৩ বলে ৮০ রানে অপরাজিত থাকেন রাকিব। রোয়েনের ১৮ রানের ইনিংসটি দারুণ ভূমিকা রাখে এ জয়ে।
এর আগে মেঘলা আবহাওয়ায় আগে ব্যাটিংয়ে নেমে ২১৮ রান করে অগ্রণী ব্যাংক। দলের পক্ষে সর্বোচ্চ ৬৪ রান করেন মার্শাল আইয়ুব। এছাড়া সাদমান ইসলাম ৩১ ও শুভাগত হোম ২৭ রান করেন। পারটেক্সের নাইম ইসলাম জুনিয়র নেন ৩ উইকেট। দুটি করে উইকেট পান রোয়েন, বাবু ও মোহর শেখ। বৈরি আবহাওয়ায় বিকেএসপির দুটো ম্যাচই পণ্ড হয়েছে। এ হারে নেট রান রেটে পিছিয়ে পয়েন্ট টেবিলের চারে নেমে গেছে অগ্রণী ব্যাংক। ২৪ ও ২৫ মার্চ মাঠে গড়াবে অষ্টম রাউন্ডের ম্যাচ।
আর্জেন্টিনার বিপক্ষে ব্রাজিলের গোলপোস্ট সামলাবেন কে?