বারবার সুযোগ পেয়েও গোল করতে না পারার আফসোস নিয়ে বিরতিতে গেছে বাংলাদেশ। মঙ্গলবার স্বাগতিক ভারতের বিপক্ষে শিলংয়ের জওহর লাল নেহেরু স্টেডিয়ামে নিদেনপক্ষে তিনটি গোল পেতে পারতো বদলে যাওয়া বাংলাদেশ। তবে ফিনিশিং দুর্বলতায় গোল পায়নি সফরকারীরা।
ম্যাচের বাঁশি বাজার ১৫ সেকেন্ডেই গোল পেতে পারতো বাংলাদেশ। কিক-অফের পরেই বল পেয়েছিলেন হামজা। তা লম্ব করে বাড়িয়ে চেয়েছিলেন আক্রমণে ওঠা জনি ও রাকিবকে দিতে। তবে ভারতের এক খেলোয়াড়ের পায়ে লেগে বল গোললাইন অতিক্রম করতে নিয়েছিল। ভারত কিপার বিরাট কেইথ কর্নার বাঁচাতে গিয়ে জনির পায়ে বল তুলে দেন। জনি ফাঁকা পোস্ট পেয়েও কোনাকুনি সাইড নেট কাঁপান। অথচ বল নিয়ে আরও ভেতরে ঢুকতে পারতেন তিনি অনায়াসেই। পাশে থাকা রাকিবকেও দিতে পারতেন। সে সময় ভারতের ডিফেন্ডাররাও ছিলেন বেশ দূরে।
নবম মিনিটে হামজার কাছ থেকে বল পেয়ে ডান দিক থেকে শাকিল তপুর ক্রসে শাহরিয়ার ইমনের হেড বাইরে দিয়ে যায়। আরেকটি সেরা সুযোগ নষ্ট হয় দশম মিনিটে। এ সময় প্রথম কর্নার আদায় করে নিয়েছিল বাংলাদেশ। হামজার কর্নার কিপার আয়ত্বে নেন। তবে শট নিতে গিয়ে বক্সে থাকা শাকিল তপুর শরীরে লেগে বল পান হৃদয়। তবে ফাঁকা পোস্টে বল রাখতে পারেননি তিনি। তার শট গোললাইন থেকে সেভ করেন শুভাশিষ বোস। নিজে শট না করে বল রাকিবকে দিলেও গোল হয়।
১৭ মিনিটে মোরসালিনের থ্রু পাস ধরে বক্সে কাটব্যাক করেছিলেন রাকিব। তবে শাহরিয়ার ইমন ঠিকঠাক হেড করতে পারেননি। কর্নারের বিনিময়ের ক্লিয়ার করেন এক ডিফেন্ডার। এরপর পরপরই মোরসালিনের ক্রসে ইমন আবারও ব্যর্থ হন মাথা ছোঁয়াতে।
ম্যাচের ২২ মিনিটে চোট পাওয়া তপুর জায়গায় মাঠে যান রহমত মিয়া।লিস্টন কোলাসোর ফ্রি-কিক হেডে ক্লিয়ার করতে গিয়ে নিজেদের পোস্টেই ঢুকিয়ে দিচ্ছিলেন হৃদয়। সেটা যায় পোস্ট ঘেসে বাইরে। ম্যাচের ২৮ মিনিটে প্রথম লক্ষ্যে বল রাখে ভারত। লিস্টনের নির্বিষ শট সহজেই আয়ত্বে নেন মিতুল মারমা। দুই মিনিট পর প্রথম গোলের সুযোগ হাতছাড়া হয় অগোছালো ভারতের। বাঁ দিক দিয়ে আক্রমণে ওঠা লিস্টন কোলাসোর ক্রসে উদান্তা সিংয়ের হেড গোললাইন থেকে ক্লিয়ার করেন আহাদ তপু। ফিরতি বলে ফারুক চৌধুরীর দুর্বল শট আয়ত্বে নেন মিতুল। ম্যাচের ৪১ মিনিটে কিপারকে একা পেয়েও গোল করতে পারেননি জনি। এবার তিনি শট নেওয়ার আগেই বিশাল শুয়ে পড়ে বল রুখে দেন।
ভারতের বিপক্ষে বাংলাদেশ একাদশে জামাল নেই, খেলবেন জনি, মোরসালিন