চলতি আইপিএলে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের ব্যাটিং লাইন আপে আগ্রাসী ব্যাটারের অভাব নেই। অভিষেক শর্মা, ট্রেভিস হেড, ঈশান কিশান, নীতীশ কুমার রেড্ডি, হেনরিখ ক্লাসেন— একের পর এক নাম। তবু গতকাল রবিবার দিল্লি ক্যাপিটালসের বিপক্ষে নজর কাড়লেন অনিকেত ভার্মা।
মেগা নিলাম থেকে অনিকেতকে ৩০ লাখ টাকায় কিনেছিলেন হায়দরাবাদ কর্তৃপক্ষ। মিচেল স্টার্ক, মুকেশ কুমার, অক্ষর প্যাটেল, কুলদীপ যাদব, মোহিত শর্মার মতো বোলারদের বিপক্ষে মধ্যপ্রদেশের ২৩ বছরের এই ব্যাটার খেলেছেন ৪১ বলে ৭৪ রানের বিধ্বংসী ইনিংস। হাঁকিয়েছেন ৫টি চার এবং ৬টি ছক্কা। প্রতি বছরই আইপিএল নতুন নতুন তারকার জন্ম দেয়। এবার উপহার দিল অনিকেতকে।
মাত্র ৩ বছর বয়সে মাকে হারিয়েছিলেন অনিকেত। এরপর চাচা অমিত ভার্মার কাছেই তিনি মানুষ হয়েছে। ক্রিকেটপ্রেমী কাকার উৎসাহেই অনিকেতের ক্রিকেট শেখা শুরু। ১০ বছর বয়সে ভর্তি হন ভোপালের আঙ্কুর ক্রিকেট একাডেমিতে। প্রতি দিন ১৩ কিলোমিটার পথ পাড়ি দিয়ে তাকে একাডেমিতে নিয়ে যেতেন চাচা। যেদিন চাচাকে পেতেন না, অনিকেত নিজেই সাইকেল চালিয়ে একাডেমিতে যেতেন।
রেলওয়ের ইউথ ক্লাবে অনিকেতের ক্রিকেট ক্যারিয়ার শুরু। আইপিএলের গত নিলামের আগে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের ট্রায়ালে যোগ দিয়েছিলেন। সেখানে ৭২ রানের আগ্রাসী ইনিংস খেলে হায়দরাবাদ কর্তৃপক্ষের নজর কাড়েন। আর পিছু ফিরে তাকাতে হয়নি। নিলামে তাকে দলে নেয় হায়দরাবাদ। গতকাল রবিবার দিল্লির বিপক্ষে দলের সেই আস্থার মর্যাদা দিলেন অনিকেত।
এখনও অবশ্য প্রথম শ্রেণি বা লিস্ট-এ ক্রিকেটে অনিকেতের অভিষেক হয়নি। আইপিএলের আগে মধ্যপ্রদেশের হয়ে স্রেফ তিনটি টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলার অভিজ্ঞতা ছিল। মাতৃহারা অনিকেত ক্রিকেট দিয়েই সাজিয়ে তুলতে চান নিজের জীবন।
আইপিএলের ‘মন্থরতম বল’, স্পিডোমিটারেও ধরা পড়েনি!
সেমিফাইনালে ওঠার ম্যাচে ইনজুরিতে হালান্ড