দেশের বর্তমান অর্থনৈতিক অবস্থা এবং আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) সঙ্গে ৪৭০ কোটি ডলারের ঋণচুক্তির অগ্রগতি পর্যালোচনায় ঢাকায় এসেছে সংস্থাটির একটি প্রতিনিধি দল। গতকাল শনিবার দলটি ঢাকায় পৌঁছায়।
আইএমএফের গবেষণা শাখার উন্নয়ন সামষ্টিক অর্থনীতি বিভাগের প্রধান ক্রিস পাপাজর্জিওর নেতৃত্বে প্রতিনিধি দলটি বাংলাদেশ ব্যাংকসহ সরকারের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অর্থনৈতিক বিভাগের সঙ্গে ধারাবাহিক বৈঠক করবে। আজ রবিবার সকালেই বাংলাদেশ ব্যাংকের সঙ্গে প্রথম আনুষ্ঠানিক বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।
প্রতিনিধি দলটি একই দিন সাবেক গভর্নর ও অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহ উদ্দিন আহমেদের সঙ্গেও বৈঠকে বসবে। সফরের সমাপ্তি হিসেবে আগামী ১৭ এপ্রিল একটি সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হবে বলে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা।
সূত্র জানায়, আইএমএফ কর্মকর্তারা অর্থ বিভাগ, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর), বিদ্যুৎ বিভাগ, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড, বাংলাদেশ জ্বালানি নিয়ন্ত্রণ কমিশন এবং জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগের প্রতিনিধিদের সঙ্গে আলোচনা করবেন।
বৈঠকগুলোতে বাংলাদেশের সামষ্টিক অর্থনৈতিক ব্যবস্থার স্থিতিশীলতা, রাজস্ব আদায়, জ্বালানি খাতের সংস্কার, ব্যয়ের স্বচ্ছতা ও ঋণের শর্ত বাস্তবায়ন নিয়ে গভীর মূল্যায়ন করা হবে। আইএমএফ দেখতে চায়—সরকার গৃহীত পদক্ষেপগুলো তাদের নীতিমালার সঙ্গে কতটা সামঞ্জস্যপূর্ণ।
২০২৩ সালের ৩০ জানুয়ারি আইএমএফের সঙ্গে চুক্তি অনুযায়ী, বাংলাদেশ মোট ৪৭০ কোটি ডলার ঋণ পাবে। এর মধ্যে তিন কিস্তিতে ইতোমধ্যে ২৩১ কোটি ডলার পেয়েছে বাংলাদেশ। বাকি রয়েছে ২৩৯ কোটি ডলার। তবে চতুর্থ ও পঞ্চম কিস্তির অর্থ ছাড় নিয়ে কিছু জটিলতা তৈরি হয়েছে।
সরকার আশাবাদী, আগামী জুনের মধ্যেই এ দুটি কিস্তির অর্থ ছাড় পাবে। তবে এর জন্য শর্ত পূরণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, যা বর্তমান অর্থনৈতিক বাস্তবতায় বড় চ্যালেঞ্জ হিসেবেই দেখা হচ্ছে।
রাশিয়া ও ক্রোয়েশিয়া গেলেন সেনাপ্রধান
হাজারীবাগে রিকশার গ্যারেজে বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে একজনের মৃত্যু