রাজধানীর খিলগাঁও মেরাদিয়ায় সুমন গাজী (৪৫) নামে এক ব্যক্তিকে মাথায় ইট দিয়ে আঘাত করে হত্যার অভিযোগ করা হয়েছে তারই আপন মামার বিরুদ্ধে। আজ মঙ্গলবার (৮ এপ্রিল) সকাল ৬টার দিকে মেরাদিয়া মধ্যপাড়া মসজিদ গলিতে এই ঘটনা ঘটে।
মুমূর্ষু অবস্থায় সুমনকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসলে চিকিৎসক সকাল সাড়ে ৮টার দিকে তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের বড় ভাই মো. আলমগীর হোসেন জানান, তারা থাকেন মসজিদে গলির মুক্তারের বাড়িতে। একই গলিতে তার মামা মোস্তফা পরিবার নিয়ে থাকেন। আজ সকালে মামার বাড়ির সামনে সুমনের সাথে হাতাহাতি হয় মামার। একপর্যায়ে মামা মোস্তফা তার দুই ছেলে, মেয়ে এবং স্ত্রী মিলে সুমনকে ধরে ঘরের ভেতর নিয়ে সেখানে ইট দিয়ে মাথায় আঘাত করে। মেরে ফেলার পর তাকে গলির মসজিদের পাশে ফেলে রেখে যায়। পরে খবর পেয়ে রক্তাক্ত অবস্থায় সুমনকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল নিয়ে আসলে সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত বলে জানান।
তিনি জানান, এক ছেলে ও এক মেয়ের জনক সুমন। কারওয়ান বাজারে কাঁচামাল কুড়িয়ে সেগুলো বিক্রি করতেন তিনি। দুই বছর আগে তার স্ত্রী তাকে ছেড়ে চলে গেছেন। এরপর থেকেই মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েন তিনি। তার চলাফেরায় অস্বাভাবিকতা দেখা যায়। আজ সকালে সুমন তার আপন মামা মোস্তফার ঘরের জানলা ভেঙেছে এই অভিযোগ করে সুমনকে খুন করেছেন তিনি ও তার পরিবার। এর আগেও সুমনকে তিনি মারধর করেছিলেন।
চিকিৎসকে বরাত দিয়ে ঢামেক হাসপাতাল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ মো. ফারুক মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
তিনি জানান, মরদেহটি মর্গে রাখা হয়েছে। ঘটনাটি খিলগাঁও থানা পুলিশকে জানানো হয়েছে। তারা ঘটনা তদন্ত করছে।
‘তদন্তে অদৃশ্য শক্তির হস্তক্ষেপ’
নির্বাচনে পোস্টার বাদ, আচরণবিধিতে যেসব পরিবর্তন আসছে