বাংলাদেশের ভেতরে অনুপ্রবেশ করে সশস্ত্র আরাকান আর্মির জলকেলি উৎসব আয়োজন এবং তা সামাজিক মাধ্যমে প্রচারের ঘটনায় গভীর উদ্বেগ ও তীব্র নিন্দা জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামি। দলটির সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক সংসদ সদস্য অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার গতকাল শনিবার এক বিবৃতিতে এ ঘটনার তীব্র প্রতিবাদ জানান।
তিনি বলেন, ‘গত ১৬ ও ১৭ এপ্রিল বান্দরবানের থানচি উপজেলার তিন্দু ইউনিয়নের রেমাক্রি মুখ এলাকায় বাংলাদেশের ভেতরে প্রায় ১০ কিলোমিটার প্রবেশ করে ইউনিফর্ম ও অস্ত্রধারী আরাকান আর্মির সদস্যরা স্থানীয় জনগণ নিয়ে জলকেলি উৎসব পালন করেছে। এ ঘটনা বাংলাদেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্বের প্রতি সরাসরি চ্যালেঞ্জ।’
বিবৃতিতে তিনি প্রশ্ন তোলেন, ‘বাংলাদেশে অনুপ্রবেশ করে প্রকাশ্যে এ ধরনের উৎসব আয়োজন করার দুঃসাহস তারা পেল কোথা থেকে? সে সময় আমাদের সীমান্তরক্ষী বাহিনী, সেনাবাহিনী বা প্রশাসন কী করছিল?’
তিনি এটিকে সরকারের নিরাপত্তা ব্যবস্থার চরম ব্যর্থতা হিসেবে উল্লেখ করে বলেন, ‘এ ধরনের উদাসীনতা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য মারাত্মক হুমকি। দেশের জনগণ এ ঘটনায় সরকারের সুস্পষ্ট ও কার্যকর প্রতিক্রিয়া প্রত্যাশা করে।’
ঘটনার পর আরাকান আর্মি ও তাদের রাজনৈতিক শাখা ইউএলএ উৎসবের ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দেয়। এতে দেখা যায়, বাংলাদেশ ভূখণ্ডে উৎসবে অংশ নিচ্ছে স্থানীয় জনগণ ও সশস্ত্র সদস্যরা। বিষয়টিকে আন্তর্জাতিক আইন লঙ্ঘন এবং বাংলাদেশের প্রতি ‘বৃদ্ধাঙ্গুলি প্রদর্শন’ বলেও অভিহিত করেন জামায়াত নেতা।
বিবৃতির শেষাংশে তিনি বলেন, ‘বান্দরবানসহ পার্বত্য চট্টগ্রামে আরাকান আর্মির এই ধৃষ্টতাপূর্ণ এবং আন্তর্জাতিক আইনবিরোধী তৎপরতার বিরুদ্ধে সরকারকে অবিলম্বে কার্যকর ও কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে।’
২০ দিনে ৫০ কোটি ৮২ লাখ টাকার টিকিট বিক্রি করেছে ‘বরবাদ’
৩ মে হেফাজতে ইসলামের মহাসমাবেশের ডাক