দুদক ডিজি বললেন

দুই উপদেষ্টার এপিএসের বিষয়ে আইনানুযায়ী ব্যবস্থা

আপডেট : ২৫ এপ্রিল ২০২৫, ০৬:৫৬ এএম

স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার সহকারী একান্ত সচিব (এপিএস) মোয়াজ্জেম হোসেন এবং স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূর জাহান বেগমের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা (ছাত্র প্রতিনিধি) তুহিন ফারাবীর বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ যথাযথ আইনি প্রক্রিয়ায় অনুসন্ধানের সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) মহাপরিচালক মো. আক্তার হোসেন। গতকাল বৃহস্পতিবার রাজধানীর সেগুনবাগিচায় দুদকের প্রধান কার্যালয়ের সামনে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব তথ্য জানান।

দুজন উপদেষ্টার এপিএসের বিরুদ্ধে তদবির-বাণিজ্য ও অনিয়ম-দুর্নীতির মাধ্যমে শত শত কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ গণমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে। এ বিষয়ে দুদক কী ব্যবস্থা নিয়েছে সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে দুদক মহাপরিচালক আক্তার হোসেন বলেন, ‘দুর্নীতির যেকোনো বিষয় গণমাধ্যমে প্রকাশিত হলে আমরা অত্যন্ত গুরুত্ব সহকারে বিবেচনা করে থাকি। যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ তা যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সব বিষয় বিবেচনা করা হবে। কোনো অবস্থাতেই অভিযোগ প্রমাণিত হলে ছাড় পাওয়ার সুযোগ নেই তাদের। আইনানুগ প্রক্রিয়া অনুসরণ করতে একটু সময় লাগে এবং সব প্রক্রিয়া অনুসরণ করে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হবে।’

তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আমলে নিয়েছেন কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে দুদক মহাপরিচালক বলেন, ‘দুর্নীতির কোনো সংবাদ গণমাধ্যমে এলেই যাচাই-বাছাই কমিটির সুপারিশক্রমে কমিশনের সিদ্ধান্তের জন্য উপস্থাপন করা হয়ে থাকে। কমিটির কাছ থেকে অভিযোগ কমিশনে উপস্থাপনের পর আপনাদের জানানো হবে।’

দুর্নীতির অভিযোগে গত সোমবার আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়ার সহকারী এপিএস মোয়াজ্জেম হোসেনকে তার দায়িত্ব থেকে এবং স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূর জাহান বেগমের ব্যক্তিগত কর্মকর্তা মুহাম্মদ তুহিন ফারাবীকে তার দায়িত্ব থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়েছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত