দুই শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে ঢাবি প্রশাসন

আপডেট : ২৭ এপ্রিল ২০২৫, ০৭:১৯ এএম

ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের সূচনা হয়েছিল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাস থেকেই। আর এতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখেছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থীরা। জুলাই আন্দোলনে তারা পালন করেন অগ্রণী ভূমিকা। আন্দোলন যখন তুঙ্গে, তখন ঢাবি শিক্ষার্থীদের বিপক্ষে অবস্থান নেন বেশ কিছু শিক্ষক।

জানা গেছে, তাদের মধ্যে দুজন শিক্ষকের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে যাচ্ছে প্রশাসন। শিক্ষার্থীদের অভিযোগের প্রেক্ষিতে গঠিত তথ্যানুসন্ধান কমিটির প্রতিবেদন অনুসারে এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হচ্ছে।

গত বৃহস্পতিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম সিন্ডিকেটে এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। গতকাল শনিবার বিষয়টি দেশ রূপান্তরকে নিশ্চিত করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপউপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. সায়মা হক বিদিশা।

অভিযোগ প্রমাণিত হওয়া শিক্ষকরা হলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. ওয়াহিদুজ্জামান চান এবং একই ইনস্টিটিউটের শিক্ষক ড. মুহাম্মদ মাহবুবুর রহমান (লিটু)।

অধ্যাপক ড. সায়মা হক বলেন, এ বিষয়ে গঠিত তথ্যানুসন্ধান কমিটি তাদের নিয়ে বিস্তারিত রিপোর্ট জমা দিয়েছে। এই নিয়ে সিন্ডিকেট নীতিগতভাবে একমত হয়েছেন যে, এ রিপোর্ট বিস্তারিত এবং সংশ্লিষ্টজনের সঙ্গে কথা বলে করা হয়েছে। এবং এখানে যে অভিযোগগুলো রয়েছে তার সত্যতা পাওয়া গেছে। তিনি বলেন, রিপোর্টের যে নির্যাস তারা এর সঙ্গে একমত। সেই বিষয়ে সিন্ডিকেট সিদ্ধান্ত নেয় যে, প্রাথমিকভাবে চার্জশিট গঠনসহ পরবর্তী অন্য ধাপগুলো সঠিক আইনি প্রক্রিয়া অনুসরণ করার সিদ্ধান্ত হয়। আমাদের আইনি প্রক্রিয়ায় যেন কোনো ভুল ত্রুটি না থাকে সে বিষয়ে আমরা অভিজ্ঞ আইনজীবীদের থেকে পরামর্শ নেব।

জুলাই অভ্যুত্থানে শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে অবস্থান নেওয়ায় ইতিমধ্যে বয়কটে পড়েছেন এই দুই শিক্ষক। এ ছাড়া দুর্নীতি এবং হিজাব ইস্যুসহ নানা ইস্যুতে সমালোচিত অধ্যাপক ড. ওয়াহিদুজ্জামান চাঁন। এর আগে তার বিরুদ্ধে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (নোবিপ্রবি) উপাচার্য থাকাকালীন অনিয়ম ও দুর্নীতির মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে ভিত্তিতে একবার তদন্তের নামে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত