ঢাকার বায়ুদূষণ রোধে কেন যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে না— তা জানতে চেয়ে রুল দিয়েছেন উচ্চ আদালত। এ সংক্রান্ত রিট আবেদনের ওপর শুনানি নিয়ে আজ রবিবার বিচারপতি কাজী জিনাত হক ও বিচারপতি আইনুন নাহার সিদ্দিকার সমন্বয়ে গঠিত একটি হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চ এ রুল দেয়। চার সপ্তাহের মধ্যে পরিবেশ সচিব, পরিবেশ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক, ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তাসহ সংশ্লিষ্টদের রুলের জবাব দিতে বলেছে আদালত। রিট আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মো. মনির উদ্দিন।
এ আইনজীবী দেশ রূপান্তরকে বলেন, ঢাকায় অব্যাহত বায়ু দূষণ রোধে গদ ২৭ ফেব্রুয়ারি পরিবেশ অধিদপ্তরের উদ্দেশ্যে একটি চিঠি দেন তিনি।
এতে বলা হয়, গত নয় বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ বাতাসের মান গত বছরের ১৪ ডিসেম্বর খারাপ ছিল। ওই সময়ে বায়ুর গড় মান ছিল ২৮৮। অর্থাৎ বায়ুমান সূচক ০-৫০ থাকলে বিশুদ্ধ বাতাস ধরা হয়, ৫১-১০০ হলে তা সহনীয় বা গ্রহণযোগ্য ও ১০১-১৫০ এর মধ্যে হলে সতর্কমূলক বা সংবেদনশীল মানুষের (শিশু ও বয়স্ক ব্যক্তি) জন্য অস্বাস্থ্যকর। ১৫১-২০০ হলে সবার জন্য অস্বাস্থ্যকর ও বায়ুমান সূচক ২০১-৩০০ হলে বাতাসকে খুব অস্বাস্থ্যকর বলা হয়। ৩০১ বা তার বেশি এ কিউ আই স্কোরকে দুর্যোগপূর্ণ বা ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে বিবেচনা করা হয়, যা মানুষের জন্য গুরুতর স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি করে।
তিনি বলেন, কিছুদিন আগে সারা বিশ্বের ১২৪টি দূষিত নগরীর মধ্যে ঢাকা ছিল দূষণের দিক থেকে একেবারে শীর্ষে। অব্যাহত বায়ুদূষণ মারাত্মক পর্যায়ে গেলেও কর্তৃপক্ষগুলো কোনো কার্যকর পদক্ষেপ নিচ্ছে না। যেজন্য প্রথমে চিঠি ও পরে রিট আবেদন করা হয়।
