ফুটবল-ক্রিকেটে গতকাল দিনটা আবাহনীর হতে পারত। ক্রিকেটে আবাহনী চ্যাম্পিয়ন হয়েছে প্রিমিয়ার সুপার লিগের অলিখিত ফাইনালে মোহামেডানকে হারিয়ে। কিন্তু ফুটবলে পারেনি আবাহনী। তাদের ফাইনালে টাইব্রেকারে হারিয়ে ফেডারেশন কাপ চ্যাম্পিয়ন হয়েছে বসুন্ধরা কিংস।
ফেডারেশন কাপের প্রথম কোয়ালিফায়ার্সে বসুন্ধরা টাইব্রেকারে হেরেছিল আবাহনীর কাছে। সেই হারের প্রতিশোধটা দলটি নিয়েছে টাইব্রেকার জিতে। ময়মনসিংহে গত মঙ্গলবার অমীমাংসিত থাকা ১-১ গোলের ফাইনাল ম্যাচটির শেষ ১৫ মিনিটে ১০ জনের বসুন্ধরার জাল খুঁজে নিতে ব্যর্থ হয় আবাহনী। টাইব্রেকার নামক ভাগ্য পরীক্ষায় ভেলকি দেখান বসুন্ধরার গোলকিপার মেহেদী হাসান শ্রাবণ। রুখে দেন আবাহনীর নাইজেরিয়ান ফরোয়ার্ড এমেকা ওগবাহর শট। শ্রাবণের মতো সে কাজটি করতে পারেননি আবাহনীর কিপার মিতুল মারমা। তাই বসুন্ধরা চতুর্থ ফেডারেশন কাপ জিতেছে টাইব্রেকারে ৫-৩ গোলে জিতে।
প্রিমিয়ার সুপার লিগের শেষ দিনে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী আবাহনী লিমিটেড তাদের ৬ উইকেটে হারিয়ে হেসেছে শিরোপার হাসি। ক্রিকেটে সুখের দিন হলেও ধানমণ্ডির ক্লাবটির ফুটবলে দিনটি বিষাদে ভরা। গত সপ্তাহে স্থগিত হয়ে যাওয়া ফেডারেশন কাপ ফাইনালের বাকি অংশের খেলায় ১০ জনের বসুন্ধরা কিংসের কাছে টাইব্রেকারে হেরে গেছেন মারুফুল হকের শিষ্যরা।
মিরপুরে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ম্যাচে আগে ব্যাট করে ২৪০ রানের সংগ্রহ গড়ে মোহামেডান। ওপেনিং জুটিতে ৫০ রান আসার পর মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরীর আঘাতে ছন্দপতন হয় মোহামেডানের। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে দলটি। ষষ্ঠ উইকেটে মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও আরিফুল ইসলাম ৯০ রানের জুটি গড়ে দলকে লড়াইয়ের পুঁজি এনে দেন। দুজনেই তুলে নেন ফিফটি। জবাবে ৭৭ রানে ৩ উইকেট হারালেও প্রথমে জিশান আলম ও পরে মোহাম্মদ মিঠুন ও অধিনায়ক মোসাদ্দেক সৈকত হাল ধরেন দলের। চতুর্থ উইকেটে ১২৫ রানের অবিচ্ছিন্ন জুটিতে আবাহনীকে শিরোপা জেতান শেষের দুজন। মিঠুন ৬৬* ও মোসাদ্দেক ৭৮* রানে অপরাজিত থাকেন। ডিপিএলের লিস্ট ‘এ’ মর্যাদা পাওয়ার পর এ নিয়ে ষষ্ঠবারের মতো শিরোপা ঘরে তুলল তারা। সব মিলিয়ে আবাহনীর এটি ২৪তম প্রিমিয়ার লিগ ট্রফি।
