বাধ্য হয়ে রাহীর পেছনে রাবি ছাত্রদল

  • নতুন কমিটিতে পদ পেতে বাধ্য হয়ে আহ্বায়কের পেছনে- নেতাকর্মীরা
  • ২৩ বছরে পুর্নাঙ্গ কমিটি ২টি, আহ্বায়ক ৩টি
  • দল ক্ষমতায় থাকলেও রাবিতে অবস্থান ছিল বিরোধী দল হিসেবে
  • প্রায় কমিটিই অছাত্রদের দিয়ে
  • নিজ ভূমিতে পরবাসী ছাত্রদল-রাবি অধ্যাপক ও সাবেক ছাত্রদল নেতা
আপডেট : ০৩ মে ২০২৫, ০৯:৩২ পিএম

দল ক্ষমতায় আসে কিন্তু তাদের ছাত্র সংগঠন কার্যক্রম পরিচালিত করতে পারে না। তারা যেন সব সময়ই বিরোধী দল। আবার নিয়মিত হয় না কমিটি। দলীয় অন্তঃকোন্দল, বিভাজন, কাঁদাছোড়াছুড়ি তো আছেই।

বলছিলাম রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের কথা। গত ২৩ বছরে এই শাখা কমিটি পেয়েছে মাত্র ৫টি। যার মধ্যে ৩টিই আহ্বায়ক কমিটি। বর্তমানে ৪ বছর ধরে চলা আহ্বায়ক কমিটির কাজেও নেই কোনো গতি। যদিও গঠনতন্ত্র অনুযায়ী মেয়াদ ছিল তিন মাস। সেই সঙ্গে দলের সদস্য সচিবসহ অনেক জ্যেষ্ঠ নেতাকর্মী নিষ্ক্রিয় হয়েছেন। সাংগঠনিক কার্যক্রমে স্থবিরতা, হল কমিটি না থাকা ও বহিরাগত এনে মিছিল-সমাবেশ করাসহ নানা কর্মকাণ্ডে ‘ইমেজ সংকট’দেখা দিয়েছে দলটিতে।

ছাত্রদলের সাবেক ও বর্তমান নেতারা বলছেন, রাজশাহী অঞ্চলটি বিএনপি অধ্যুষিত। কিন্তু রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ভিন্ন। কোনো সময়ই ছাত্রদল বিশ্ববিদ্যালয়টিতে নিজেদের অবস্থান দৃঢ় করতে পারেনি। কেন্দ্রও গুরুত্ব দিয়ে দেখে না এই শাখাটিকে। বর্তমানে নেতাকর্মীরা কাঙ্খিত পদ পেতে বাধ্য হয়ে থাকছেন আহ্বায়ক সুলতান আহমেদ রাহীর পেছনে।  

ছাত্রদল সূত্রে জানা যায়, সাংগঠনিক গতিশীলতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে ২০২১ সালের ১৬ জুলাই ৩১ সদস্য বিশিষ্ট আহ্বায়ক কমিটি ঘোষণা করে কেন্দ্রীয় ছাত্রদল। কমিটি ঘোষণা করার অনেক আগেই আহ্বায়কের ছাত্রত্ব শেষ হয়েছে। বছর দুই আগে দলের সদস্য সচিব শামসুদ্দিন চৌধুরি সানিন রাজনীতি ছেড়েছেন। ১৫ জন যুগ্ম আহ্বায়কের একজনেরও নেই নিয়মিত ছাত্রত্ব। নতুন কমিটিতে পদ পেতে তাদের বেশিরভাগই বিভিন্ন ভাষা শিক্ষার ‘শর্ট কোর্সে’ ভর্তি হয়েছেন। তাছাড়া ১৪ জন আহ্বায়ক সদস্যের অনেকেরই পড়াশোনা শেষ হয়েছে। ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর চাঁদা আদায়ের অভিযোগে দলের তিনজন নেতা-কর্মী বহিষ্কারও হয়েছেন। বিষয়টি নিয়ে নতুন করে আলোচনায় আসে সংগঠনটি। বহিষ্কার হওয়ার পরও তাঁরা সাংগঠনিক কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন বলে অভিযোগ রয়েছে। শিগগিরই তাদের বহিষ্কারাদেশ তুলে নেওয়া হতে পারে বলে সংগঠনটির দায়িত্বশীল সূত্রে জানা গেছে।

এদিকে দীর্ঘদিন ধরে কমিটি না হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের সাংগঠনিক কার্যক্রম নিষ্ক্রিয় হয়ে পড়েছে। জাতীয় দিবস, কেন্দ্রীয় কর্মসূচি ও প্রেস রিলিজ দেওয়া ছাড়া এর বাইরে তেমন কোনো কর্মসূচি পালন করতে পারেনি বর্তমান আহ্বায়ক কমিটি। দিবসকেন্দ্রিক কর্মসূচিগুলোতেও নেতা-কর্মীদের উপস্থিতি দেখা যায় খুবই নগণ্য। কর্মসূচি ঘিরে নেতা-কর্মীদের মধ্যে অন্তর্কোন্দল দেখা যায়। এ ছাড়া কমিটির যুগ্ম আহ্বায়কের প্রায় প্রত্যেকেই ‘ব্যক্তিকেন্দ্রিক’ রাজনীতি করছেন।  

২৩ বছরে পূর্ণাঙ্গ কমিটি মাত্র ২টি, আহ্বায়ক কমিটি ৩টি

২০০২ সালে মতিউর রহমানকে সভাপতি ও আসলামুদ্দৌলাকে সাধারণ সম্পাদক করে রাবিতে ছাত্রদলের একটি পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়। যার মেয়াদ শেষ হয় ২০০৪ সালে। ২০০৫ সালে নূরুজ্জামান সরকার লিখনকে আহ্বায়ক করে নতুন আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয় এবং ৬ মাসে পূর্ণাঙ্গ কমিটি দিতে বলা হয়। এই কমিটি ৫ বছর পার করে কিন্তু পূর্ণাঙ্গ কমিটি দিতে পারেনি। ফের আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয় ২০১০ সালে। আরাফাত রেজা আশিককে আহ্বায়ক করে তাদের বলা হয় পূর্ণাঙ্গ কমিটি দিতে। এই কমিটিও নেন চার বছর সময়। সর্বশেষ ২০১৪ সালের ২৪ জুলাই ইমতিয়াজ আহমেদকে সভাপতি ও কামরুল হাসানকে সাধারণ সম্পাদক করে দুই বছরের জন্য রাবি শাখা নতুন কমিটি ঘোষণা করা হয়। যেটা ছিল রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সর্বশেষ পূর্ণাঙ্গ কমিটি। কিন্তু আবারও একই গঠন। মেয়াদ শেষ হওয়ার ৬ বছর পর অর্থাৎ ২০২০ এর ৬ মার্চ বিলুপ্ত করা হয় এই কমিটি। পরের বছর ফের গঠন করা হয় আহ্বায়ক কমিটি। আহ্বায়ক হন বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী সুলতান আহমেদ রাহী এবং  সদস্য সচিব ফিন্যান্সের শিক্ষার্থী শামসুদ্দিন চৌধুরী সানিন। এবারও পার হয়ে যাচ্ছে ৪ বছর কিন্তু নতুন কমিটির কোনো দিশা নেই। অর্থাৎ গত ১০ বছর ধরে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের পূর্ণাঙ্গ কোনো কমিটি নাই। 

ব্যক্তিকেন্দ্রিক রাজনীতিতে চলছে ছাত্রদল

বর্তমানে যুগ্ম আহ্বায়কের প্রত্যেকেই আলাদা আলাদা রাজনীতি করছেন। জাতীয় দিবস ও কেন্দ্রীয় কর্মসূচির বাইরে তেমন কোনো কর্মসূচি পালন করতে পারছে না সংগঠনটি। দিবসকেন্দ্রিক কর্মসূচিগুলোতেও নেতা-কর্মীদের উপস্থিতি সন্তোষজনক নয়। বহিরাগতদের নিয়ে এসে মিছিল করায় ক্যাম্পাসে সমালোচনাও হয়েছে। স¤প্রতি কয়েকজন ছাত্রদল নেতার ‘ব্যক্তি উদ্যোগে’ ইফতার বিতরণ, সড়কের গতিরোধক চিহ্নিতকরণ, ইফতার সহায়তা ডেস্ক প্রভৃতি কার্যক্রম পরিচালনা করতে দেখা গেছে। রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার সময়ও যুগ্ম আহ্বায়ক ও সদস্যরা আলাদা আলাদা বুথ দিয়ে বিভিন্ন কার্যক্রম পরিচালনা করেছেন। 

নেতা-কর্মীদের ক্ষোভ

দীর্ঘদিন ধরে কমিটি না হওয়ায় দলের সাংগঠনিক কার্যক্রমে স্থবিরতার ফলে নেতা-কর্মীদের মধ্যে ক্ষোভ লক্ষ্য করা গেছে। ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর নেতা-কর্মীরা ক্যাম্পাসে সক্রিয় হয়েছেন। দলের সিনিয়র নেতারা ‘ব্যক্তিকেন্দ্রিক’ রাজনীতি করছেন। ছাত্রদলের এমন কার্যকলাপের পেছনে আহ্বায়কের স্বেচ্ছাচারিতা ও সাংগঠনিক স্থবিরতাকে দায়ী করছেন আহ্বায়ক কমিটির সদস্যরা। তাঁরা বলছেন, দলীয় ব্যানারে ভালো কোনো প্রোগ্রামের আয়োজন হয় না। ভালো শিক্ষার্থীবান্ধব পরামর্শ দিলেও সেটি গৃহীত হয় না। অবিলম্বে যেন নতুন কমিটি দিয়ে সাংগঠনিক গতিশীলতা ও শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা হয়। 

শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম-আহ্বায়ক এম এ তাহের দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের রাজনীতি বরাবরই চ্যালেঞ্জিং। ২০২৪ সালের ১০ মে সম্মেলনের পর জুন-আগস্টের আন্দোলনের প্রেক্ষাপটে কমিটি গঠন সম্ভব হয়নি, তবে ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে এটি আরও জরুরি হয়ে দাঁড়িয়েছে। কমিটি না থাকার ফলে রাবি ছাত্রদল সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনা ও ঐক্যবদ্ধ কার্যক্রম থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। হল, বিভাগ ও অনুষদ পর্যায়ে সংগঠনের অবস্থান দুর্বল হয়ে পড়েছে। রাবির প্রেক্ষাপট বরাবরই ভিন্ন। এখানে ছাত্রদলের সামনে চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা দুটোই বিশাল। নিয়মিত কমিটি গঠন, সময়োপযোগী নেতৃত্ব নির্বাচন এবং দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা গ্রহণের মাধ্যমে রাবি ছাত্রদলকে শক্তিশালী করা সম্ভব।

যুগ্ম-আহ্বায়ক মাহমুদুল হাসান মিঠু দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘আমরা দলীয় হাইকমান্ডের সঙ্গে মিটিং করেছি। গত বছরের মে মাসে কর্মীসভা হয়েছিল, তবে জুলাইয়ের বিপ্লব শুরু হওয়ার পর থেকে কমিটি হয়নি। আমাদের সঙ্গে যেসব ইউনিটের কমিটি হয়েছিল, তারা একাধিকবার কমিটি পেয়েছে, কিন্তু আমরা এখনো বঞ্চিত। কোনো এক অজানা কারণে কমিটি হচ্ছে না। অনেক কর্মী কমিটি না পেয়ে হতাশ হয়ে ক্যাম্পাস ছেড়ে চলে গেছেন। বিপ্লব পরবর্তী সময়ে আমরা রাবি ছাত্রদলকে মডেল ইউনিটে পরিণত করার লক্ষ্যে কাজ করছি। গত ১৫ বছর ধরে আমরা বিভিন্নভাবে রাজনৈতিক চর্চার সুযোগ পায়নি, আমাদের একটু রাজনৈতিক ঘাটতি রয়েছে। আমরা একটু পিছিয়ে আছি। এই ঘাটতি কাটিয়ে শিক্ষার্থীদের চাহিদা বুঝে কৌশলগতভাবে রাজনীতি করছি এবং পিছিয়ে থাকা অবস্থান পুনরুদ্ধারের জন্য আমরা দৃঢ়প্রতিজ্ঞ।’

নাম প্রকাশ না করা শর্তে কয়েকজন ছাত্রদল নেতা দেশ রূপান্তরকে বলেন, ‘রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র রাজনীতিতে স্থানীয় নেতাদের একটা বিশেষ প্রভাব আছে। স্থানীয় নেতারা নিজেদের লোকজনকে পদে বসানোর দ্বন্দ্বে থাকায় কমিটি পেতে দেরি হচ্ছে।’

এদিকে ছাত্রদল নেতাকর্মীদের সঙ্গে প্রতিনিধি কথা বললে অনেক অভিযোগ দিয়েছেন তারা। তবে, শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক রাহীর নামে রেকর্ড রেখে কথা বলতে নারাজ তারা। কারণ পদের ভয়। কিন্তু অধিকাংশের ভাষ্য, তারা কিছুটা বাধ্য হয়েই রাহীর পেছনে রাজনীতি করছেন। তা-না হলে সামনের কমিটিতে তাদেরকে বঞ্চিত করা হতে পারে। সেই ভয় থেকেই আলাদা আলাদা কর্মসূচি করছেন তারা কিন্তু পূর্ণরূপে করতে পারছেন না। 

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাবেক নেতা ও ফোকলোর বিভাগের অধ্যাপক জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘ছাত্রদল রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে সবসময় বিরোধী দল। নিজের দল ক্ষমতায় থাকলেও তারা বিপদের মুখে থাকে। বিরোধী দলে থাকলেও তারা বিপদের মধ্যে থাকে। বলা যেতে পারে নিজ ভ‚মিতে পরবাসী। ১৯৯১ এবং ২০০১ এ যখন দেশে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় ছিল তখন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের বিরোধী ছাত্রসংগঠনের কারণে সেভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারেনি। যোগ্যতা থাকার কারণেও সবসময় চাপের মূখে থেকেছে তারা। সারা বাংলাদেশে বিএনপি ক্ষমতায়। এখানে দেখা যায় ছাত্রদল বিরোধী দলের ভ‚মিকা পালন করে। এখানের অন্য ছাত্রসংগঠন ছাত্রদল সংগঠনকে তাদের সাংগঠনিক কার্যক্রম পরিচালনা করতে দেয়নি। এর পেছনে কারণ হলো রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে যে শিক্ষক রাজনীতি সেটা অনেকটাই দায়ী।’ 

তিনি আরও বলেন, ‘তাদেরকে যদি সুন্দর পরিবেশে রাজনীতির জন্য উন্মুক্ত করতে চাই তাহলে সহাবস্থান নিশ্চিত করতে হবে। সেটা করতে হবে প্রশাসনের পক্ষ থেকে। যে আমি একটা সংগঠনকে ঢুকতে দিব আর আরেকটা সংগঠনকে ক্যাম্পাসে রাজনীতি করতে দেব না, এটা হলে তো বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্ররাজনীতি বিকশিত হবে না।’ 

এসব ব্যাপারে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের আহ্বায়ক সুলতান আহমেদ রাহী দেশ রূপান্তরকে বলেন, ফ্যাসিট হাসিনা সরকারের পতন ও আন্দোলনের বিবেচনায় বর্তমান আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়েছিল। বিগত সময়ে বিভিন্ন মামলা ও গণঅভ্যুত্থানের পর সাংগঠনিক বিভিন্ন কর্মসূচির জন্য পূর্ণাঙ্গ কমিটি করা সম্ভব হয়নি। তবে শিগরিরই কেন্দ্রীয় ছাত্রদল নতুন কমিটির সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত জানাবে।

স্বেচ্ছাচারিতা, দলের ‘চেইন অব কমান্ড’ হারানো ও অন্তর্কোন্দলের বিষয়গুলো অস্বীকার করে তিনি বলেন, ‘দলে অন্তর্কোন্দল নেই, তাঁরা একটি বৃহৎ পরিবার। তবে প্রতিযোগিতা থাকা গনতান্ত্রিক রাজনৈতিক সংগঠনের সৌন্দর্য। আহ্বায়ক কমিটির সকল সদস্যদের মতামতের ভিত্তিতেই সাংগঠনিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। 

এছাড়াও নতুন কমিটি আসলে দলীয় কার্যক্রম আরও বৃদ্ধি পাবে বলে জানিয়েছেন তিনি। 

সার্বিক বিষয়ে জানতে কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক নাসির উদ্দিনকে ফোনে পাওয়া যায়নি। পরে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা ও কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক আমানউল্লাহ আমানের মুঠোফোনে কল করা হলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত