২০২৪ আইসিসি টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ আয়োজন করে রেকর্ড আয়ের মাধ্যমে ক্রিকেট ওয়েস্ট ইন্ডিজ সব ঋণ পরিশোধ করেছে। সংস্থাটির বার্ষিক প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, বিশ্বকাপের আয় ছিল ৮৮ মিলিয়ন মার্কিন ডলার, যা আগের বছরের তুলনায় এক-তৃতীয়াংশ বেশি। এর অর্ধেকই এসেছে বিশ্বকাপের স্বত্ব ও আয়োজক সুবিধা থেকে, ২০% টিকিট বিক্রি, ১৫% মিডিয়া স্বত্ব এবং বাকি অংশ স্পনসরশিপ, লাইসেন্স ও মার্চেন্ডাইজ বিক্রি থেকে।
এই আর্থিক সাফল্যে ২৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলারের নিট মুনাফা হয়, যা ২০২৩ সালের তুলনায় ৬০% বেশি। বিশ্বকাপ আয়োজনে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সহ-আয়োজক হওয়ায় নতুন দর্শকদের কাছে ক্যারিবিয়ান ক্রিকেটের আতিথেয়তা ও সংস্কৃতি তুলে ধরতে সক্ষম হয় সংস্থাটি।
ক্রিকেট উইন্ডিজ প্রেসিডেন্ট ড. কিশোর শ্যালো বলেন, "আমরা সব প্রাতিষ্ঠানিক ঋণ পরিশোধ করেছি, যা আমাদের আর্থিক ভিতকে মজবুত করেছে।" ২০২২ সালে যেখানে ক্রিকেট উইন্ডিজের ঘাটতি ছিল ২.৫ মিলিয়ন ডলার, সেখানে ২০২৪ সালে তা ঘুরে দাঁড়িয়ে সংরক্ষিত আয়ে ৩৪.৬ মিলিয়ন ডলারের উদ্বৃত্ত গড়ে।
সিইও ক্রিস্টোফার ডেহরিং বলেছেন, "শুধু আর্থিকভাবে নয়, আমাদের লক্ষ্য হলো টেকসই ও প্রাণবন্ত ক্রিকেট কাঠামো গড়ে তোলা, যা ঘরোয়া পর্যায় থেকে শুরু করে আন্তর্জাতিক স্তর পর্যন্ত শক্তিশালী দল গঠনে সহায়ক হবে।"
বিশ্বকাপ আয়োজন ক্যারিবিয়ান অঞ্চলের জন্য অর্থনৈতিক দিক থেকেও আশীর্বাদস্বরূপ ছিল। আয়োজক দেশগুলোর অর্থনীতিতে ১ বিলিয়নেরও বেশি ডলারের প্রভাব ফেলেছে এই টুর্নামেন্ট। পাশাপাশি, টুর্নামেন্টের ডিজিটাল ভিডিও ভিউ ১.৩ বিলিয়ন ছাড়িয়েছে, যা আগের আসরের তুলনায় ১৫০% বেশি।
ক্রিকেট পারফরম্যান্সেও ভালো করেছে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। পুরুষ দল টি-টোয়েন্টি র্যাঙ্কিংয়ে উঠে এসেছে চতুর্থ স্থানে এবং বিশ্বকাপের সুপার এইটে জায়গা করে নেয়। নারীরা খেলেছে আইসিসি মহিলা টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের সেমিফাইনালে।
টেস্ট ক্রিকেটে এখনো অনেক কাজ বাকি থাকলেও ২০২৪ সালে পাকিস্তানে ৩৪ বছর পর প্রথমবারের মতো জয় এবং জানুয়ারিতে অস্ট্রেলিয়ায় জয় ঐতিহাসিক সাফল্য হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
সময় মতো ইতালির পাসপোর্ট না পাওয়ায় ব্রাজিলে খেলছেন রাফিনহা!