জাপান আন্তর্জাতিক সহযোগিতা সংস্থা (জাইকা) বাংলাদেশে নিম্ন আয়ের মানুষের দারিদ্র্য হ্রাসকরণে পিকেএসএফের চলমান উন্নয়ন প্রকল্পে কারিগরি সহযোগিতা অব্যাহত রাখার প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করেছে। গতকাল মঙ্গলবার পিকেএসএফ ভবনে অনুষ্ঠিত চতুর্থ যৌথ সমন্বয় কমিটির সভায় ইনক্লুসিভ রিস্ক মিটিগেশন ফর সাসটেইনেবল প্রজেক্ট শীর্ষক প্রকল্পের অগ্রগতি নিয়ে আলোচনাকালে এ প্রতিশ্রুতি দেন জাইকার ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা।
পিকেএসএফের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফজলুল কাদের, তার উদ্বোধনী বক্তব্যে নিম্নœ আয়ের জনগণের জন্য বীমা সেবা নিশ্চিত করতে নতুন কৌশল উদ্ভাবনের ওপর গুরুত্ব দেন। তিনি বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য হলো নিম্ন আয়ের মানুষের ঝুঁকি লাঘবে আয় ক্ষয় রোধ করা। মানুষ যখন এ ঝুঁকি থেকে সুরক্ষিত থাকে, তখন তাদের আয় টেকসইভাবে বৃদ্ধি পায়।’ তিনি আরও বলেন, ঝুঁকি কমানোর জন্য বড় প্রতিবন্ধকতা হলো মানুষের আচরণগত পরিবর্তন, এ ক্ষেত্রে তিনি নাজ থিউরি ব্যবহার করার ওপর গুরুত্বারোপ করেন। তিনি নিম্ন আয়ের মানুষের ঝুঁকি নিরসন ও বীমা কার্যক্রমকে একটি টেকসই প্রাতিষ্ঠানিক রূপ দেওয়ার জন্য বিভিন্ন ক্ষেত্রে জাইকার সহায়তা কামনা করেন।
জাইকা ঢাকা অফিসের প্রধান প্রতিনিধির বিশেষ উপদেষ্টা কিয়োশি আমাদা পিকেএসএফের মাঠপর্যায়ে কাজের অভিজ্ঞতা এবং দক্ষতার প্রশংসা করেন। তিনি বলেন, ‘পিকেএসএফের মাঠপর্যায়ের অভিজ্ঞতা এবং জ্ঞান অত্যন্ত মূল্যবান। জাইকা পিকেএসএফের সঙ্গে একসঙ্গে কাজ করতে ইচ্ছুক।’ তিনি আরও উল্লেখ করেন, পিকেএসএফ-এর পরীক্ষামূলক ক্ষুদ্র বীমা মডেল অন্যদের জন্য অনুসরণযোগ্য হতে পারে।
সমাপনী বক্তব্যে মো. ফজলুল কাদের বলেন, পিকেএসএফ তার মূল স্রোতের কার্যক্রমগুলোকে শক্তিশালী করার জন্য প্রকল্প গ্রহণ করে থাকে। তিনি আরও বলেন, নিম্ন আয়ের মানুষের ঝুঁকি হ্রাসকরণে বীমা সেবার শিক্ষার আলোকে আগামীতে আমাদের উন্নয়নমূলক কার্যক্রম গ্রহণ করা হবে।
