দেশের সরকারি সাত হাজার চিকিৎসককে পদোন্নতি এবং অন্যান্য সরকারি চিকিৎসক ও সার্জনদের বেতন বৃদ্ধির প্রস্তাব করা হয়েছে এবং তা দ্রুতই কার্যকর হবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য উপদেষ্টা নূরজাহান বেগম।
গতকাল মঙ্গলবার বাংলাদেশ চীন মৈত্রী সম্মেলন কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত চক্ষু চিকিৎসক সমিতির বার্ষিক সভায় স্বাস্থ্য উপদেষ্টা এ কথা বলেন।
এ সময় স্বাস্থ্য উপদেষ্টা বলেন, গ্রামের দিকে ভালো ডাক্তার নেই। প্রয়োজনে সেখানে অভিজ্ঞদের যেতে হবে। সংস্কার নিজের ভেতরে আগে করতে হবে, তারপর স্বাস্থ্য খাত সংস্কারের উদ্যোগ নিতে হবে তা না হলে শুধু রাজা বদল হবে, অবস্থা বদলাবে না।
এ সময় উপদেষ্টা স্বাস্থ্য খাতে সংস্কারে চিকিৎসকদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান।
পদক ও আজীবন সম্মাননায় ভূষিত ১৭ চক্ষু বিশেষজ্ঞ : চোখের চিকিৎসায় অবদানের জন্য দুটি স্বর্ণপদকসহ বিভিন্ন পদক অর্জন করেছেন আট চিকিৎসক। আজীবন সম্মাননা পুরস্কার পেয়েছেন আরও ৯জন। সম্মেলনে স্বাস্থ্য উপদেষ্টা পদক ও পুরস্কার তুলে দেন।
স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত দুই চিকিৎসক হলেন অধ্যাপক ডা. এম এ হাদী ফকির এবং ডা. সৈয়দ মাহবুব উল কাদির। অন্য পদকপ্রাপ্তদের মধ্যে খান এ মঞ্জুর পদক পেয়েছেন ডা. যাকিয়া সুলতানা নীলা, মোবারক আলী স্মৃতিপদক ডা. শাহনাজ বেগম, ফজলুল হক স্মৃতিপদক ডা. মোহাম্মদ আমিনুর রহমান এবং অধ্যাপক রবিউল হোসেন কমিউনিটি অফথালমোলজি রিসার্চ অ্যাওয়ার্ডে ভূষিত হয়েছেন ডা. সোমা রানী রায়।
এ ছাড়া একিউএসএম হারুন স্মৃতি পদকে মেজর ডা. শাহ মো. রাজিবুল ইসলাম এবং ফিরোজা জলিল স্মৃতিপদকে ডা. লুতফুল্লাহিল খবির ভূষিত হয়েছেন।
আজীবন সম্মাননা পুরস্কারপ্রাপ্ত নয় চক্ষু চিকিৎসক হলেন অধ্যাপক ডা. মো. শাহাবুদ্দিন, অধ্যাপক শাহ মো. বুলবুল ইসলাম, অধ্যাপক শেখ এমএ মান্নাফ, অধ্যাপক সৈয়দ মারুফ আলী, অধ্যাপক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আনোয়ার হোসেন, ডা. মো. আব্দুল কুদ্দুস, অধ্যাপক ডা. মো. আব্দুর রশিদ, অধ্যাপক ডা. সাইফুদ্দিন মোহাম্মদ তারিক ও ডা. মো. খালেকুজ্জামান।
