এনসিপি নেতাদেরকে সাদরে গ্রহণ, অন্যদিকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের ওপর লাঠিচার্জ ও টিয়ারশেল- এই দ্বিচারিতার ব্যাখ্যা চেয়েছেন বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব অ্যাডভোকেট রুহুল কবির রিজভী।
আজ বৃহস্পতিবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী শাহরিয়ার আলম সাম্য হত্যার প্রতিবাদে আয়োজিত মানববন্ধনে এ কথা বলেন তিনি।
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে উদ্দেশ্য করে রুহুল কবির রিজভী বলেন, আপনারা কাদের প্রতিনিধিত্ব করছেন সেটা আমরা জানি না। আপনাদের আমরা সমর্থন করেছি, এখনও করে যাচ্ছি। কিন্তু এনসিপি যখন যমুনার দিকে যায়, তখন তাদের সাদরে বরণ করেন। তিন-চারদিন আগে দেখলাম আওয়ামী লীগকে নিষিদ্ধের দাবিতে তারা গেলেন, তাদের সাদরে বরণ করলেন। আর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছেলেরা তাদের আবাসনের জন্য গেল, তখন আপনারা তাদের উপহার দিলেন লাঠিচার্জ, টিয়ারগ্যাস ও সাউন্ডগ্রেনেড।
অন্তবর্তীকালীন সরকারের দায়িত্বে আপনারা রয়েছেন। আপনারা তো সুশীল সমাজের লোক। কিন্তু আপনাদের আচরণের মধ্যে এই দ্বিচারিতা কেন? আপনাদের আচরণের মধ্যে এই বিভাজন কেন?, প্রশ্ন রাখেন তিনি।
রিজভী বলেন, কালকে ভাইস চ্যান্সেলরের কাছে গিয়েছে ছাত্র দলের নেতারা। কারণ বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র মারা গেছে। আপনি বিরক্ত হয়েছেন, ক্ষুব্ধ হয়েছেন, আপনি তুইতোকারি করেছেন ছাত্র নেতাদের। আপনি শুনতে চান না। কারণ, সাম্য ছাত্রদল করে। আপনার রাজনৈতিক চিন্তা দর্শন কি সেটা আমরা ইতিমধ্যে জেনে ফেলেছি। যারা জাতীয়তাবাদের পক্ষে ওখানে (ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়) রাজনৈতিক দর্শন নিয়ে ছাত্র সংগঠন করে সেটা আপনি পছন্দ করেন না। আপনার উচিত ছিল প্রথমে সেই লাশ দেখা এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া। ভাইস চ্যান্সেলররা যদি বিশ্ববিদ্যালয়ে নিজ বিশেষ দর্শনকে প্রতিষ্ঠিত করার কাজে নেমে যান, তাহলে বিশ্ববিদ্যালয়ে কখনোই শান্তি বয়ে আনবে না।
মানববন্ধনে আরও উপস্থিত ছিলেন আমরা বিএনপি পরিবারের আহ্বায়ক সাংবাদিক আতিকুর রহমান রুমন,সদস্য সচিব মোকছেদুল মোমিন মিমুন,সাবেক ছাত্রনেতা মেহবুব মাসুম শান্ত,ওমর ফারুক কাওসার,ছাত্রদল নেতা ডা:তৌহিদ আওয়াল সহ উত্তরবঙ্গ ছাত্র ফোরামের বিভিন্ন পর্যায়ে নেতৃবৃন্দ।
ঢাবির একাডেমিক ও প্রশাসনিক ভবনে তালা
বোতল কাণ্ড নিয়ে মুখ খুললেন সেই হুসাইন