ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থী শাহরিয়ার আলম সাম্য হত্যা মামলার অগ্রগতি, সোহরাওয়ার্দী উদ্যান ও ক্যাম্পাসের নিরাপত্তা নিশ্চিতের বিষয়ে নেওয়া দৃশ্যমান পদক্ষেপ নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খানের সঙ্গে জরুরি বৈঠক করেছেন ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার সাজ্জাত আলী। বৈঠকে ওই হত্যাকাণ্ডের দ্রুত বিচার ও পুলিশের নেওয়া পদক্ষেপের যাবতীয় হালনাগাদ তথ্য তুলে ধরা হয়। গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় উপাচার্য অফিসের কনফারেন্স লাউঞ্জে এ বিশেষ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
বৈঠকে পুলিশকে সব ধরনের সহযোগিতা করার আশ্বাস দেন ঢাবি উপাচার্য ড. নিয়াজ আহমদ খান। তিনি বলেন, ‘আগামীকাল (আজ) বেলা ৩টায় স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার সঙ্গে একটি বিশেষ আলোচনা সভার আয়োজন করেছি। সেখানে সাম্যর হত্যাকারীদের দ্রুত বিচারের ব্যাপারে আমরা আলোচনা করব। এরই মধ্যে আমরা কলা অনুষদের ডিন ড. সিদ্দিকুর রহমান খানকে সভাপতি করে সাত সদস্যবিশিষ্ট একটি তদন্ত কমিশন গঠন করেছি। কমিটি থানার সঙ্গে যোগাযোগ করে আগামী ১৯ মের মধ্যে তদন্ত রিপোর্ট পেশ করবে।’
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ (ডিএমপি) কমিশনার সাজ্জাত আলী বলেন, ‘আমরা ইতিমধ্যে আহত তিন আসামিকে হাসপাতাল থেকে আটক করেছি। আদালত তাদের ছয় দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছে। আমরা আশা করি, আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে পুরো ঘটনা উদঘাটিত হবে এবং বিশেষ ট্রাইব্যুনালে সর্বোচ্চ শাস্তির ব্যবস্থা আমরা করব।’
তদন্তকারী অফিসার ডিসি মাসুদ বলেন, ‘আগামীকাল (আজ) থেকে ছয় দিনের রিমান্ড শুরু হবে। সিসিটিভি ফুটেজ আমরা সংগ্রহ করা শুরু করেছি, আমরা শুধু তিনজন আসামি নিয়ে বসে নেই, সংশ্লিষ্ট প্রত্যেকটি অ্যাঙ্গেল থেকে আমরা তদন্ত করছি। যেমন উদ্যানে তখন কারা কারা ছিল, নবীন বরণ অনুষ্ঠান, প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র, মুহসিন হলের মাঠের একটা বিষয় এসব কিছু আমরা মিলিয়ে দেখব। এখানে অনেক রহস্যের সমাধান হবে।’
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ভিসি স্যার এবং আমাদের ডিআইজি স্যারের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে উদ্যানের সব অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে এবং প্রতিনিয়ত অভিযান চলবে। তাছাড়া এখন থেকে উদ্যানে আনসারের সঙ্গে পুলিশও থাকবে।
