৮০ ঘণ্টা পর অনশন ভাঙলেন তিন ছাত্রনেতা

সাম্য হত্যার বিচার দাবি

আপডেট : ২৫ মে ২০২৫, ০৭:২৮ এএম

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা, সাম্য হত্যার বিচার ও নিরাপদ ক্যাম্পাসের দাবিতে প্রায় ৮০ ঘণ্টা ধরে অনশনরত তিন ছাত্রনেতা অনশন ভেঙেছেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমদ খানের আশ্বাসের পর তারা অনশন ভাঙেন। গতকাল শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় ঢাবির ডা. মোহাম্মদ মর্তুজা মেডিকেল সেন্টারে পানি পান করিয়ে তাদের অনশন ভাঙান উপাচার্য। এদিকে আগামী সোমবারের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়  কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের কমিশন গঠন করে বুধবারের মধ্যে তফসিল ঘোষণার দাবিতে বিক্ষোভ করেছে বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ (বাগছাস)।

গত বৃহস্পতিবার বিকেলে অনশনরতদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাদের দাবি পূরণের আশ্বাস দেন ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ। এছাড়াও আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহার আগেই ডাকসু নির্বাচনের জন্য সম্ভাব্য সব পদক্ষেপ গ্রহণ করে নির্বাচন কমিশন গঠন করা হবে বলে জানান তিনি। তার এই আশ্বাসের ফলে অনশনরত তিন ছাত্র অনশন ভাঙতে রাজি হন। এ সময় উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. মামুন আহমেদ ও প্রক্টর সহযোগী অধ্যাপক সাইফুদ্দিন আহমদ উপস্থিত ছিলেন। এর আগে তারা অসুস্থ হলে ভিসির বাসভবনের সামনে থেকে ঢাবির শহীদ মুর্তজা মেডিকেল  সেন্টারে নিয়ে যাওয়া হয়।

এর আগে তিন দফা দাবিতে গত বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টায় ঢাবির ভিসির বাসভবনের সামনে আমরণ অনশনে বসেন বাংলাদেশ ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি বিন ইয়ামিন মোল্লা। একই দিন সন্ধ্যায় ছাত্র অধিকার পরিষদের ঢাবি শাখার যুগ্ম আহ্বায়ক  মোহাম্মদ মাহতাব ইসলাম অনশনে বসেন। পরে ২২ মে সন্ধ্যায় তাদের সঙ্গে অনশনে বসেন স্বাধীন বাংলাদেশ ছাত্র সংসদের আহ্বায়ক জামালুদ্দিন মোহাম্মদ খালিদ।

এদিকে আগামী সোমবারের মধ্যে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) নির্বাচনের কমিশন গঠন করে বুধবারের মধ্যে তফসিল ঘোষণার দাবিতে বিক্ষোভ করেছে বাংলাদেশ গণতান্ত্রিক ছাত্র সংসদ (বাগছাস)। গতকাল শনিবার দুপুরে তারা মধুর ক্যান্টিনের সামনে জড়ো হন এবং সেখান থেকে একটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে কলাভবন, হলপাড়া প্রদক্ষিণ করে সিনেট ভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে বিক্ষোভ করেন।

অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা তিন দফা দাবি উত্থাপন করেন। তাদের দাবিগুলো হলো সাম্য হত্যাকা-ের বিচার নিশ্চিত করা, বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নিরাপত্তা জোরদার করা ও দ্রুততম সময়ের মধ্যে ডাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠিত করা।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত