১৯৬ রানের লড়াকু সংগ্রহ গড়া সত্ত্বেও শেষরক্ষা হলো না। ১৬ বল হাতে রেখেই পাকিস্তানের কাছে ৭ উইকেটে হেরে গেল বাংলাদেশ। এর মধ্য দিয়ে তিন ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজে হোয়াইটওয়াশ হলো লিটন দাসের দল।
টসে হেরে ব্যাটিংয়ে নেমে বাংলাদেশের শুরুটা ছিল দুর্দান্ত। তানজিদ হাসান তামিম ও পারভেজ হোসেন ইমনের উদ্বোধনী জুটিতে আসে ১০.৪ ওভারে ১১০ রান। তানজিদ ৩২ বলে ৪২ করে ফিরলেও, আগ্রাসী ব্যাটিংয়ে ইনিংস গড়েন পারভেজ। ৩৪ বলে ৭টি চার ও ৪টি ছক্কায় করেন ৬৬ রান। এরপর লিটন দাস ২২, তাওহিদ হৃদয় ২৫ ও জাকের আলী অপরাজিত ১৫ রান যোগ করলে ২০ ওভারে ৬ উইকেটে স্কোরবোর্ডে ওঠে ১৯৬।
তবে লক্ষ্যটা যত বড়ই হোক, পাকিস্তানের ব্যাটিং আগ্রাসনের কাছে তা টেকেনি। শুরুতেই মেহেদী হাসান মিরাজ ফিরিয়ে দেন সাহিবজাদা ফারহানকে। কিন্তু এরপরই ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেন মোহাম্মদ হারিস ও সাইম আইয়ুব।
দুইজনের ৫৩ বলে ৯২ রানের জুটি গড়ে দলের ভিত গড়ে দেন। সাইম ২৯ বলে ৪টি চার ও ৩টি ছক্কায় করেন ৪৫ রান। অন্যদিকে, একপাশে অবিচল ছিলেন হারিস। ক্যারিয়ারের প্রথম আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি সেঞ্চুরি তুলে নেন এই ডানহাতি ব্যাটার। ৮টি চার ও ৭টি ছক্কায় ৪৬ বলে করেন অপরাজিত ১০৭ রান।
মাঝখানে ১৩ বলে ২৬ রান করে ভয় ধরিয়ে দিয়ে ফেরেন হাসান নেওয়াজ। তাঁকেও ফেরান মিরাজ। তবে পাকিস্তানের জয়ের পথে সেই উইকেট বড় কোনো বাধা হয়ে দাঁড়ায়নি। ইনিংসের ১৭.২ ওভারে ৩ উইকেটে ১৯৭ রান তুলে ম্যাচ জিতে নেয় তারা।
বাংলাদেশের হয়ে দুটি উইকেট নিয়েছেন মেহেদী হাসান মিরাজ, একটি পেয়েছেন তানজিম হাসান সাকিব।
প্রথম ম্যাচে দুই ম্যাচে হারের পর আজকের ৭ উইকেটের হার—এর মধ্য দিয়ে সিরিজে হোয়াইটওয়াশের তেতো স্বাদ নিয়েই মাঠ ছাড়তে হলো বাংলাদেশকে।
ফল:
বাংলাদেশ: ২০ ওভারে ৬ উইকেটে ১৯৬
পাকিস্তান: ১৭.২ ওভারে ৩ উইকেটে ১৯৭
পাকিস্তান জয়ী ৭ উইকেটে (১৬ বল হাতে রেখে)
সিরিজ ফল: পাকিস্তান জিতেছে ৩–০ ব্যবধানে
বিসিবি থেকে অপসারণের বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট ফারুকের
পাসপোর্ট পেয়ে গেলেন কিউবা মিচেল, বাংলাদেশের হয়ে খেলার অপেক্ষা