নিখোঁজের আট দিন পর রাজধানীর সবুজবাগ বাইগদিয়া এলাকা থেকে জাকির হোসেন (৫৫) নামের এক ব্যক্তির খন্ডিত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। গতকাল বৃহস্পতিবার সকালে সবুজবাগ বাইকদিয়া ঈদগাঁ রোডে একটি ঝোপঝাড় থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। পরে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ মর্গে পাঠানো হয়।
নিহত জাকির হোসেনের ছোট ভাই মো. সুমন মিয়া জানান, উত্তর মানিকদিয়া বাইকদি এলাকায় তাদের নিজেদের বাড়ি। স্ত্রী রেখা আক্তার ও দুই মেয়ে, এক ছেলেকে নিয়ে ওই বাড়িতেই থাকতেন জাকির। এলাকায় পুরনো বোতলের ব্যবসা করতেন তিনি। গত ৪ জুন রাত ১১টার পর থেকে তার ভাই জাকিরকে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছিল না। পরদিন জাকিরের স্ত্রী থানায় অভিযোগ করেন। এরপরও পরিবার বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করতে থাকে। কোথাও না পেয়ে স্ত্রী বাদী হয়ে সবুজবাগ থানায় একটি অপহরণ মামলা করেন।
তিনি আরও জানান, গত ৪ জুন জাকির ত্রিমোহনীর একটি ব্যাংক থেকে ৩ লাখ টাকা তুলেছিলেন এবং টাকাগুলো নিজের কাছেই রেখেছিলেন। আর ওই রাত থেকেই তিনি নিখোঁজ হন। গতকাল সকালে সবুজবাগ থানা-পুলিশের মাধ্যমে তার মরদেহ পাওয়ার সংবাদ পায় পরিবার।
সুমন অভিযোগ করে বলেন, ‘কয়েক বিঘা সম্পত্তি নিয়ে তার চাচাদের সঙ্গে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল তাদের। এই বিরোধের জের ধরে লোক ভাড়া করে তার ভাইকে হত্যা করা হয়ে থাকতে পারে। খুন করার পর লাশ কয়েক টুকরা করে পুঁতে রাখেন।’
এ বিষয়ে সবুজবাগ থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. শামসুল আমিন জানান, গত ৪ জুন বাড়ির পাশ থেকে নিখোঁজ হন জাকির হোসেন। এ বিষয়ে তার স্ত্রী থানায় অপহরণ মামলা করেন। সেই মামলার তদন্তে গিয়ে জাকির হোসেনের প্রতিবেশী আজাহার (৩০) নামের একজনকে গত বুধবার রাতে গ্রেপ্তার করা হয়। তার স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে মানিকদিয়া চেয়ারম্যানবাড়ি ঈদগাহ রোডের ঝোপঝাড় থেকে মাটি খুঁড়ে মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
