সর্বাত্মক যুদ্ধের দিকে ইরান-ইসরায়েল

আপডেট : ১৪ জুন ২০২৫, ০১:৫৯ এএম

মধ্যপ্রাচ্যের দেশ ইরানের রাজধানী তেহরানে পারমাণবিক ও সামরিক স্থাপনাকে লক্ষ্যবস্তু করে একাধিক হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। ইরানের স্থানীয় সময় ভোর ৪টার দিকে তেহরানে একাধিক বিস্ফোরণের শব্দ শোনা যায়। ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনী বলছে, তারা পাঁচটি ধাপে ইরানের ৮ শহরে কয়েকশ বিমান হামলা চালিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে তেহরান থেকে প্রায় ২২৫ কিলোমিটার দক্ষিণের নাতাঞ্জ শহরে অবস্থিত দেশটির প্রধান পারমাণবিক সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্র। এসব হামলায় ইরানের চার শীর্ষ সামরিক কর্মকর্তা এবং ছয়জন শীর্ষ পরমাণু বিজ্ঞানী নিহত হয়েছেন। পাল্টা জবাবে তেল আবিব লক্ষ্য করে শতাধিক ড্রোন হামলা চালিয়েছে ইরান। ফলে উদ্ভ‚ত পরিস্থিতিতে দুই দেশের সর্বাত্মক যুদ্ধে জড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা ক্রমেই বাড়ছে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, রাজধানী তেহরান ও এর আশপাশের সামরিক স্থাপনা লক্ষ্য করে এ হামলা চালানো হয়। বাদ যায়নি আবাসিক অঞ্চলও। হামলা হয়েছে তেহরানের দক্ষিণে নাতাঞ্জ শহর, যেখানে ইরানের প্রধান ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণ কেন্দ্র অবস্থিত। 

তেহরানের উত্তর-পশ্চিমে তাবরিজ শহর, যেখানে একটি পারমাণবিক গবেষণা কেন্দ্র ও দুটি সামরিক ঘাঁটির কাছে বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। তেহরানের দক্ষিণে ইস্পাহান শহর; তেহরানের দক্ষিণ-পশ্চিমে আরাক শহর ও পশ্চিমে কেরমানশাহ শহর। ইরানের সংবাদমাধ্যমগুলো বলছে, তেহরান জুড়ে ৬ থেকে ৯টি বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে।

ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম নুর নিউজ বলছে, ইসরায়েলি হামলায় দেশটিতে ৭৮ জন নিহত হয়েছে। এ ছাড়া হামলার ঘটনায় আরও ৩২৯ জন আহত হওয়ার তথ্য জানানো হয়েছে।
এ হামলায় দেশটির সশস্ত্র বাহিনীর প্রধান মোহাম্মদ বাঘেরি ও রেভল্যুশনারি গার্ডের প্রধান জেনারেল হোসেইন সালামি, বিমানবাহিনীর প্রধান ব্রিগেডিয়ার জেনারেল আমির আলী হাজিজাদেহসহ অন্তত ২০ জ্যেষ্ঠ কমান্ডার নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে আছেন খাতাম আল-আনবিয়া সেন্ট্রাল হেডকোয়ার্টারের কমান্ডার গোলাম আলী রশিদও। ইসরায়েলি বিমান হামলায় এখন পর্যন্ত অন্তত ছয়জন পরমাণু বিজ্ঞানীর মৃত্যুর খবর নিশ্চিত করেছে ইরান। তাদের মধ্যে সবচেয়ে পরিচিত নাম ফেরেয়দুন আব্বাসি, যিনি ইরানের পারমাণবিক শক্তি সংস্থা এইওআইয়ের সাবেক প্রধান ছিলেন। এ ছাড়া নিহত হয়েছেন মোহাম্মদ মাহদি তেহরানচি; তিনি ইরানের পারমাণবিক অস্ত্র কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন এবং তেহরানের ইসলামিক আজাদ ইউনিভার্সিটির প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এ তালিকায় আরও আছেন আব্দোলহামিদ মিনৌচেহর, আহমাদ রেজা জোলফাঘারি ও আমিরহোসেইন ফেকহি। এদের প্রত্যেকেই তেহরানের শহীদ বেহেশতি ইউনিভার্সিটির শিক্ষক ছিলেন। ষষ্ঠ জনের পুরো নাম এখনো প্রকাশ করা হয়নি। শুধু তার পদবি ‘মোতাল্লেবিজাদেহ’ উল্লেখ করা হয়েছে। ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির শীর্ষ উপদেষ্টা আলী শামখানিও গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন বলে জানাচ্ছে দেশটির গণমাধ্যম।

এদিকে যতদিন প্রয়োজন হবে, ততদিন ইসরায়েল আক্রমণ অব্যাহত রাখবে বলে জানিয়েছেন ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। তিনি বলেছেন, এ হামলা ইরানের পরমাণু সমৃদ্ধকরণ কর্মসূচির কেন্দ্রে আঘাত হেনেছে। এটিকে ইরানের ইউরেনিয়াম সমৃদ্ধকরণের মূল এলাকা হিসেবেও উল্লেখ করেন তিনি। তিনি আরও বলেন, ইরানি বোমা বানানোর সঙ্গে জড়িত বিজ্ঞানীরা তাদের নিশানায় রয়েছেন। নেতানিয়াহুর ভাষায়, যতদিন প্রয়োজন, ততদিন এ আক্রমণ অব্যাহত থাকবে। ইরানের পাল্টা হামলার আশঙ্কায় দেশ জুড়ে জরুরি অবস্থা ঘোষণা করেছে ইসরায়েল। প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কাৎজ বলেন, খুব শিগগিরই ইসরায়েলের ওপর পাল্টা হামলা চালাতে পারে, তাই আমাদের প্রস্তুত থাকতে হবে। সর্বাত্মক যুদ্ধের শঙ্কায় দেশের চতুর্দিকে সেনা মোতায়েন করছে ইসরায়েল। দেশটির সেনাপ্রধান আইয়াল জামির টেলিভিশনে দেওয়া এক ভাষণে বলেছেন, তার সেনাবাহিনী ১০ হাজারের বেশি সৈন্য মোতায়েন করছে এবং সব সীমান্ত জুড়ে প্রস্তুতি নিচ্ছে। তিনি সতর্ক করে বলেন, যারা আমাদের চ্যালেঞ্জ করতে চাইবে, তাকে বড় মূল্য দিতে হবে।

তেহরানে হামলার জবাবে ইরানও ইসরায়েলে পাল্টা হামলা চালাতে পারে এমন আশঙ্কা থেকে জেরুজালেমের সুপারশপগুলোয় দ্রুত ফুরিয়ে যাচ্ছে খাদ্য ও পানি। মজুদ করার জন্য মানুষ দোকানগুলোয় হুমড়ি খেয়ে পড়ছে। দেশটির সরকারের তরফ থেকে মানুষকে জানানো হয়, তাদের সামনে এশটি ‘গুরুতর হুমকি’ রয়েছে। তাই সবাই যেন আশ্রয়কেন্দ্রের কাছাকাছি স্থানে অবস্থান করে।

ইসরায়েলের জরুরি সেবা বিভাগ জানিয়েছে, সারা দেশে রক্ত সংগ্রহের কার্যক্রম জোরদার করা হচ্ছে এবং যেসব রোগী বাড়ি ফিরে যাওয়ার মতো কিছুটা সুস্থ, তাদের ছেড়ে দিচ্ছে ইসরায়েলের হাসপাতালগুলো। পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত পশ্চিম তীরে সব ফিলিস্তিনি শহরে লকডাউন ঘোষণা করা হয়েছে।

ইসরায়েলের প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল এফি ডিফ্রিন জানিয়েছেন, ইসরায়েলি ভ‚খণ্ডের দিকে ১০০টি ড্রোন নিক্ষেপ করেছে ইরান। তবে সেগুলো প্রতিহত করতে কাজ করছেন বলে জানিয়েছেন ডিফ্রিন। হামলার পরপরই ইসরায়েল, ইরান, জর্ডান ও ইরাক চার দেশই তাদের আকাশসীমা বন্ধ ঘোষণা করেছে এবং সব ফ্লাইট চলাচল স্থগিত করা হয়েছে। ফ্লাইট ট্র্যাকিং সাইট ফ্লাইটরেডার২৪-এর ওয়েবসাইট থেকে দেখা যাচ্ছে যে এই দেশগুলোর আকাশ এখন পুরোপুরি ফাঁকা, একটি ফ্লাইটও চলাচল করছে না।
এদিকে ইরানের একাধিক সামরিক ও পারমাণবিক স্থাপনা এবং সামরিক কমান্ডারদের ওপর হামলার প্রতিক্রিয়ায় দেশটির সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি ইসরায়েলকে তিক্ত ও বেদনাদায়ক পরিণতির জন্য প্রস্তুতি নিতে বলেছেন। ইরানের পারমাণবিক ও সামরিক স্থাপনায় হামলার ‘কঠোর জবাব’ দেওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে বলে তেহরানের একটি নিরাপত্তা সূত্র বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে জানিয়েছে। ওই কর্মকর্তা বলেন, ইসরায়েলি হামলার প্রতিশোধ হবে কঠোর ও মারাত্মক। পাল্টা হামলা আসন্ন কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, কখন ও কীভাবে হামলা হবে তা নিয়ে সর্বোচ্চ পর্যায়ে আলোচনা চলছে। হামলার পাল্টায় ইরানের দৃষ্টিভঙ্গি কেমন হবে তা বোঝা যাচ্ছে খামেনির তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায়।

অভিযানে কোনো সম্পৃক্ততা নেই : যুক্তরাষ্ট্র
ইসরায়েলের হামলায় যুক্তরাষ্ট্র কোনোভাবেই জড়িত নয় বলে জানিয়েছে হোয়াইট হাউজ। এ বিষয়ে পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও একটি বিবৃতি দিয়েছেন। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন যে, এ অভিযানে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো সম্পৃক্ততা নেই। তিনি বলেন, ইসরায়েল ইরানের বিরুদ্ধে একতরফাভাবে সামরিক পদক্ষেপ নিয়েছে। মধ্যপ্রাচ্যে অবস্থানরত মার্কিন সেনাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা এখন আমাদের শীর্ষ অগ্রাধিকার। তিনি আরও বলেন, ইসরায়েল আমাদের জানিয়েছে যে তারা আত্মরক্ষার্থে এ পদক্ষেপ নিতে বাধ্য হয়েছে। রুবিও আরও বলেন, আমি স্পষ্ট করে বলতে চাই ইরান যেন যুক্তরাষ্ট্রের স্বার্থ বা কোনো মার্কিন নাগরিককে লক্ষ্য না করে।

বিশ্বনেতাদের উদ্বেগ : ইরানের দিক থেকে পাল্টা ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলার আশঙ্কায় দেশব্যাপী জরুরি অবস্থা জারি করে রেখেছে ইসরায়েল। পরবর্তী নির্দেশনা দেওয়ার আগ পর্যন্ত দেশটির বেন গুরিয়ন বিমানবন্দরের কার্যক্রম স্থগিত রাখা হয়েছে। ইরান-ইসরায়েলের মধ্যে আকস্মিকভাবে সৃষ্ট উত্তেজনা নিয়ে নিন্দা ও উদ্বেগ জানিয়েছেন বিশ্ব নেতারা।

বাংলাদেশের প্রতিক্রিয়া : ইরানে ইসরায়েলের সামরিক হামলার ঘটনায় দ্ব্যর্থহীনভাবে তীব্র নিন্দা ও গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ। শুক্রবার পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, বাংলাদেশ জাতিসংঘ ও আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে একটি স্থিতিশীল মধ্যপ্রাচ্যের সমর্থনে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছে। বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ক‚টনীতি ও পারস্পরিক শ্রদ্ধাই স্থায়ী শান্তির একমাত্র কার্যকর পথ। বাংলাদেশ সব পক্ষকে সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শন এবং অস্থিতিশীল এ অঞ্চলে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে, এমন পদক্ষেপ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানিয়েছে। বিবৃতিতে আরও বলা হয়েছে, এ হামলা জাতিসংঘ সনদ, আন্তর্জাতিক আইনের মৌলিক নীতি ও ইরানের সার্বভৌমত্বেও প্রতি স্পষ্ট লঙ্ঘন। এ ধরনের হামলা আঞ্চলিক ও বৈশ্বিক শান্তিও নিরাপত্তায় একটি গুরুতর হুমকি এবং এটি সুদূরপ্রসারী পরিণতি ডেকে আনবে।

ইরান : হামলার তীব্র নিন্দা জানিয়ে দেশটির সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি বলেছেন, জায়োনিস্ট শাসকগোষ্ঠী (ইসরায়েল) তাদের পাপপূর্ণ, রক্তাক্ত হাত দিয়ে মারাত্মক এক অপরাধ ঘটিয়েছে। এই হামলার মাধ্যমে ইসরায়েল নিজেরাই নিজেদের জন্য যন্ত্রণাদায়ক এক ভাগ্য তৈরি করল বলে সতর্ক করেছেন তিনি। ইসলামিক রিপাবলিকান আর্মড ফোর্সেসের শক্তিশালী হাত থেকে তাদের নিস্তার নেই।

যুক্তরাষ্ট্র : ইরানকে পারমাণবিক কর্মসূচি নিয়ে চুক্তিতে আসার তাগিদ দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। নিজের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে তিনি লেখেন, আমি তাদের শক্ত ভাষায় বলেছি যে এটি কর, কিন্তু তারা করেনি। ইতিমধ্যে অনেক প্রাণহানি ও ধ্বংস সাধিত হয়েছে। কিন্তু এই রক্ত পাত বন্ধ করার এখনো সময় আছে। তিনি আরও বলেন, এখনই সময় নইলে এর পরের হামলাগুলো আরও ভয়াবহ হতে যাচ্ছে।

জাতিসংঘ মহাসচিবের মুখপাত্র : জাতিসংঘ মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেসের মুখপাত্র এক বিবৃতিতে বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যে যেকোনো সামরিক উত্তেজনার নিন্দা জানাচ্ছেন গুতেরেস। তিনি বিশেষভাবে উদ্বিগ্ন যে, ইরানে পারমাণবিক স্থাপনার ওপর হামলা এমন সময় চালানো হলো, যখন দেশটির পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনা চলছে। তিনি উভয়পক্ষকে সর্বোচ্চ সংযম প্রদর্শনের আহ্বান জানিয়েছেন।

ওমান : ইরানের সঙ্গে ট্রাম্প প্রশাসনের পারমাণবিক ইস্যুতে আলোচনার মধ্যস্থতা করছিল ওমান। হামলার পর তাদের পক্ষ থেকে জানানো হয়, একটি বিপজ্জনক ও বেপরোয়া পদক্ষেপের মাধ্যমে উত্তেজনা বৃদ্ধি করেছে ইসরায়েল। তাদের কর্মকাণ্ড জাতিসংঘ সনদ ও আন্তর্জাতিক আইনের স্পষ্ট লঙ্ঘন। এই ধরনের আগ্রাসী আচরণ গ্রহণযোগ্য নয় এবং এটি আঞ্চলিক শান্তি-নিরাপত্তাকে আরও হুমকির মুখে ফেলে।

অস্থিরতা বৃদ্ধির জন্য ইসরায়েলকে দায়ী করেছে ওমান। আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের কাছে এই হামলা বিরুদ্ধে কঠোর ও স্পষ্ট অবস্থান নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে দেশটি।

অস্ট্রেলিয়া : দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওয়াং বলেছেন, ইসরায়েল ও ইরানের মধ্যে সংঘাত বেড়ে যাওয়ায় অস্ট্রেলিয়া গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। এই উত্তেজনা মধ্যপ্রাচ্যের অস্থির পরিস্থিতিকে আরও খারাপ করে তুলতে পারে। ইরানের পারমাণবিক ও ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি আন্তর্জাতিক নিরাপত্তার জন্য হুমকি এটা আমরা বুঝি। কিন্তু সব পক্ষের উচিত সংলাপ ও ক‚টনীতির পথে অগ্রসর হওয়া।

নিউজিল্যান্ড প্রধানমন্ত্রী ক্রিস্টোফার লুক্সন বলেছেন, মধ্যপ্রাচ্যে এটি একটি অত্যন্ত অপ্রত্যাশিত ও অস্বস্তিকর ঘটনা। ভুল হিসাব-নিকাশের ঝুঁকি এখন অনেক বেশি। এই অঞ্চল আরও সামরিক সংঘাত সহ্য করতে পারবে না।

জাপান : প্রধান ক্যাবিনেট সেক্রেটারি ইয়োশিমাসা হায়াশি বলেছেন, পরিস্থিতি যেন আরও খারাপ না হয়, তা নিশ্চিত করতে জাপান ক‚টনৈতিকভাবে সর্বোচ্চ প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে।

 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত