দরজায় কড়া নাড়ছে ফিফা ক্লাব বিশ্বকাপ। নতুন আঙ্গিকে হতে যাওয়া ক্লাবভিত্তিক এ বৈশ্বিক আসরে নামজাদা তারকাদের ভিড়ে নজর কাড়তে পারেন তরুণ প্রতিভারাও। ইউরোপের জায়ান্ট ক্লাবগুলোর সঙ্গে পাল্লা দিতে আফ্রিকা, এশিয়া ও আমেরিকার দলগুলো মাঠে নামাবে একঝাঁক তরুণ প্রতিভা, যারা এই মঞ্চেই চোখে পড়তে পারেন ইউরোপিয়ান বড় ক্লাবগুলোর স্কাউটদের। তেমনই পাঁচ তরুণকে নিয়ে এ আয়োজন।
লুইঘি সান্তোস (পালমেইরাস)
ইউরোপমুখী হওয়ার পথেই আছেন ১৯ বছর বয়সী স্ট্রাইকার লুইঘি সান্তোস। আর্সেনালের সঙ্গে নাম জড়ালেও বরুশিয়া ডর্টমুন্ড এই মুহূর্তে তাকে দলে নিতে বেশি আগ্রহী। নতুন চুক্তি অনুযায়ী এখানেই ২০২৯ সাল পর্যন্ত
থাকার কথা লুইঘির। তবে ৭০ মিলিয়ন পাউন্ড রিলিজ ক্লজ তাকে ইউরোপে টেনে নিতে পারে যেকোনো সময়।
জোয়ান গাদোউ (আরবি সলজবুর্গ)
পিএসজি থেকে ৮.৫ মিলিয়ন পাউন্ডে অস্ট্রিয়ান ক্লাবে আসা ১৮ বছর বয়সী ফরাসি ডিফেন্ডার সলজবুর্গের একাদশে নিয়মিত। আক্রমণ শানাতে আসা আল হিলালের আলেকজান্ডার মিতরোভিচ বা রিয়াল মাদ্রিদের তারকাদের থামাতে পারলে, তিনি বড় ক্লাবগুলোর নজরে চলে আসবেন নিঃসন্দেহে।
রদ্রিগো মোরা (পোর্তো)
এই ১৮ বছর বয়সী অ্যাটাকিং মিডফিল্ডার সদ্যই জাতীয় দলে ডাক পেয়েছেন। মৌসুম শুরু করেছিলেন পোর্তোর ‘বি’ দলে, শেষ করেছেন ১০ গোল ও ‘মাসসেরা খেলোয়াড়’ হয়ে। এবার ক্লাব বিশ্বকাপে নিজের দক্ষতা প্রমাণের পালা মোরার। প্রতিভার কারণেই তার চুক্তিতে ৫৯ মিলিয়ন পাউন্ডের রিলিজ ক্লজও রাখা হয়েছে।
ইয়ান সুবিয়াব্রে (রিভার প্লেট)
জুলিয়ান আলভারেজকে আদর্শ মানা আর্জেন্টাইন এই ফরোয়ার্ড খেলতে পারেন মাঝখানে কিংবা উইংয়ে। ১৮ বছর বয়সী এই তরুণ এখনই স্কাউটদের নজরে। তার ক্লাব সতীর্থ ১৭ বছরের ফ্র্যাংকো মাস্তানতুয়ানো এরই মধ্যে রিয়াল মাদ্রিদে যাচ্ছেন ৩৩ মিলিয়ন পাউন্ডে। ক্লাব বিশ্বকাপে আলো ছড়ালে তিনিও উঠে আসতে পারেন ইউরোপের বড় মঞ্চে।
ওবেদ ভারগাস (সিয়াটল সাউন্ডার্স)
মাত্র ১৫ বছর বয়সে মেজর লিগ সকারে অভিষিক্ত ভারগাসের বয়স এখন ১৯। যুক্তরাষ্ট্র ছেড়ে গেছেন মেক্সিকো জাতীয় দলের হয়ে খেলতে। ইউরোপের ক্লাবগুলো ইতিমধ্যেই চোখ রাখছে তার ওপর। ক্লাবের জেনারেল ম্যানেজার ক্রেইগ ওয়াইবেলের মতে, ‘ইউরোপের পথে পা বাড়ানোর সংকেত ইতিমধ্যে জ্বালিয়ে দিয়েছেন ভারগাস।’
