রাজনৈতিক স্থিতিশীলতায় বিনিয়োগ বাড়বে

আপডেট : ১৬ জুন ২০২৫, ০৩:১২ এএম

একটি দেশের অর্থনীতি কতটুকু অগ্রসর হলো, তার নির্দেশক হচ্ছে সেই দেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) প্রবৃদ্ধি। আর জিডিপি প্রবৃদ্ধি বাড়ানোর সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ হচ্ছে, বিনিয়োগ। সেই বিনিয়োগ বাড়ানোর জন্য নিরন্তর চেষ্টা চলছে। কিন্তু সেই চেষ্টা কতটুকু ফলপ্রসূ হচ্ছে, তা পরিমাপ করতে হলে দেশের সার্বিক বিনিয়োগ পরিস্থিতির দিকে দৃষ্টিপাত করতে হবে। এখন পর্যন্ত যেসব তথ্য-উপাত্ত প্রকাশিত হয়েছে, তা থেকে  জানা যাচ্ছে- দেশের বিনিয়োগ পরিস্থিতি আশানুরূপ নয়। বাংলাদেশ বিশে^র সবচেয়ে জনবহুল দেশগুলোর একটি। এখানে অর্থনীতির অন্যতম বড় শক্তি হচ্ছে, অভ্যন্তরীণ ভোগ। আর ভোগ বাড়াতে হলে, জনশক্তির কর্মসংস্থান নিশ্চিত করতে হবে। সেই কর্মসংস্থানের জন্য প্রয়োজন বিনিয়োগ। কিন্তু গত কয়েক বছর ধরেই দেশে বিনিয়োগ স্থবির। হোক সেটা দেশি অথবা বিদেশি। সেই বিনিয়োগ আকর্ষণের জন্য গত ৭ থেকে ১০ এপ্রিল রাজধানীর একটি পাঁচ তারকা হোটেলে বিনিয়োগ সম্মেলন আয়োজন করে বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (বিডা)। সম্মেলনে দেশীয় বিনিয়োগকারীর তুলনায় বিদেশিদের প্রাধান্য দেওয়া হয়েছে। আয়োজকদের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছিল যে, মোট ৫০টি দেশের উদ্যোক্তারা এবারের বিনিয়োগ সম্মেলনে যোগ দিয়েছেন। এসব দেশ থেকে মোট ৪১৫জন সম্মেলনে অংশ নেন। চারদিনের সম্মেলন শেষে জানানো হয়েছিল, এবারের সম্মেলনে যে বিনিয়োগ প্রতিশ্রুতি এসেছিল, তার পরিমাণ প্রায় ৩০০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বা ৩০ কোটি ডলারের সমান। বাংলাদেশ বর্তমানে প্রায় ৫০০ বিলিয়ন ডলারের একটি অর্থনীতি। সেখানে মাত্র ৩০ কোটি ডলারের বিনিয়োগ প্রতিশ্রুতি মোটেই বড় কিছু নয়। তা সত্ত্বেও এ আয়োজনকে সফল বলছেন আয়োজকরা। এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্টদের আত্মতুষ্টি থাকতেই পারে। কিন্তু বাস্তবতা অনুধাবন করতে হবে।

বর্তমানে বাংলাদেশে সরাসরি বিদেশি বিনিয়োগ (এফডিআই) স্টক মাত্র ২২ বিলিয়ন ডলারের মতো। অথচ বাংলাদেশ যেসব দেশের সঙ্গে আন্তর্জাতিক অঙ্গনে প্রতিযোগিতা করে, তারা এসব ক্ষেত্রে অনেক এগিয়ে। এক্ষেত্রে যে দেশটির সঙ্গে বাংলাদেশকে সবচেয়ে বেশি তুলনা করা হয়, সেটি হচ্ছে ভিয়েতনাম। দেশটির বর্তমান এফডিআই স্টকের পরিমাণ ৩০০ বিলিয়ন ডলারের কাছাকাছি। প্রতিবছর দেশটিতে নিবন্ধিত এফডিআইয়ের পরিমাণ ২০ বিলিয়ন ডলারের ওপরে। সেখানে বাংলাদেশ গড়ে ২ বিলিয়ন ডলারের মতো এফডিআই পেয়ে থাকে। এ পরিস্থিতির উন্নতি সাধনে প্রথমবারের মতো বেসরকারি খাতের একজন চৌকহ ব্যক্তিকে ডিবার নির্বাহী চেয়ারম্যান হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। এমনকি প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ের আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন বিশেষজ্ঞ নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। যারা বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণের বিষয়ে নানা কাজ করে চলেছেন। কিন্তু বিনিয়োগ চিত্রে এখনো আশানুরূপ কোনো ফল পরিলক্ষিত হচ্ছে না। এ কথা সত্য যে, বিগত সরকার দেশের অর্থনীতিকে ধ্বংসস্তূপের কিনারে রেখে গিয়েছিল। বিশেষ করে বিনিয়োগের প্রধান মাধ্যম ব্যাংক খাতকে ইচ্ছাকৃতভাবে দুর্বল করে ফেলা হয়েছিল। অন্তর্বর্তী সরকার সেই পরিস্থিতির উন্নতি সাধনে কাজ করছে। তা সত্ত্বেও বিনিয়োগ কেন বাড়ছে না, তা খতিয়ে দেখা জরুরি।

আমাদের মনে রাখতে হবে যে, বিদেশিরা কোনো একক ব্যক্তির ভাবমূর্তি বা কারোর একক দক্ষতার ওপর ভর করে কোনো দেশে বিনিয়োগ করতে আসেন না। বিদেশিরা কোনো দেশে বিনিয়োগ করতে যাওয়ার আগে সেখানকার বিনিয়োগ পরিবেশ ভালোভাবে অবলোকন করে , তারপরই কেবল সেখানে বিনিয়োগ করতে যান। একটি দেশে বিনিয়োগ পরিবেশ কেমন তা নির্ণয় করা হয় সহজে ব্যবসা করার সুযোগ (ইজ অব ডুয়িং বিজনেস) শীর্ষক সূচকের মাধ্যমে। কয়েক বছর আগে প্রকাশিত বিশ্বব্যাংকের ইজ অব ডুয়িং বিজনেস সূচকে ১৯০টি দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান ছিল ১৬৮তম। অর্থাৎ বাংলাদেশ এক্ষেত্রে পেছনের সারিতে অবস্থান করছে। এছাড়া গত বছরের অক্টোবরে ‘বিজনেস রেডি’ শীর্ষক প্রতিবেদন প্রকাশ করে বিশ্বব্যাংক। ওই প্রতিবেদন অনুসারে আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বাংলাদেশের অবস্থান চতুর্থ সারিতে। এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশের স্কোর ১০০-এর মধ্যে ৫৩ দশমিক ৮৬ পয়েন্ট। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যে বাংলাদেশ ১০০-এর মধ্যে আইনি কাঠামোতে ৫১ দশমিক ৫৬, সরকারি সেবায় ২৯ দশমিক ৫২ ও পরিচালনাগত দক্ষতায় ৮০ দশমিক ৫০ পয়েন্ট পেয়েছে। গড় পয়েন্ট ৫৩ দশমিক ৮৬। এর অর্থ হলো আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের জন্য প্রয়োজনীয় আইন, সরকারি সেবা ও পরিচালনাগত সমস্যা আছে। এসব সমস্যা যদি বিদ্যমান থাকে, তাহলে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা আকৃষ্ট হওয়ার কোনো সুযোগ থাকে না। যেসব কারণে বিশ্বব্যাংকের এসব সূচকে বাংলাদেশ পিছিয়ে রয়েছে, তার মূলে রয়েছে নানা অনৈতিক চর্চা। এই অনৈতিক চর্চার কারণে অনেক বহুজাতিক কোম্পানি বাংলাদেশে তাদের ব্যবসা স্থানীয় কোনো প্রতিষ্ঠানের কাছে হস্তান্তর করে এখান থেকে ব্যবসা গুটিয়ে নিয়েছে। বিশেষ করে ওষুধ শিল্পে দেশে যতগুলো বহুজাতিক কোম্পানি ছিল, তার প্রায় সবগুলোই তাদের ব্যবসা গুটিয়ে নিয়েছে। এর পেছনে অন্যতম কারণ হচ্ছে অনৈতিক চর্চা। এই অনৈতিক চর্চার মধ্যে রয়েছে চিকিৎসকদের নানা ধরনের উপঢৌকন প্রদান। চিকিৎসকরা যাতে নির্দিষ্ট কোম্পানির ওষুধ ব্যবস্থাপত্রে লিখেন, সে জন্য তাদের এমন উপহার দেওয়া হয়ে থাকে। বহুজাতিক কোম্পানির মানদ-ের সঙ্গে এ বিষয়টি সংগতিপূর্ণ নয়।

বিদেশি কোম্পানিগুলোকে বিনিয়োগে আকৃষ্ট করতে হলে, তাদের জন্য অনুকূল পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। সেই পরিবেশ নিশ্চিত করার জন্য যেসব উদ্যোগ নেওয়া প্রয়োজন তার মধ্যে রয়েছে ব্যবসার জন্য বিভিন্ন ধরনের অনুমোদন প্রক্রিয়া সহজীকরণ। বিশেষ করে, ভূমির প্রাপ্যতা নিশ্চিত করা। জমির মালিকানা সংক্রান্ত জটিলতার কারণে বহুজাতিক প্রতিষ্ঠান স্যামসাং বাংলাদেশ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছিল। বাংলাদেশে তারা যে কারখানাটি স্থাপন করতে চেয়েছিল, সেটি শেষ পর্যন্ত তারা ভিয়েতনামে স্থাপন করেছিল। সেই একটি কারখানা থেকে বর্তমানে যে পরিমাণ মূল্যের পণ্য রপ্তানি হয়, তা বাংলাদেশের এক বছরের পুরো রপ্তানির চেয়েও বেশি। এছাড়া বিদেশিরা নানা ধরনের অনুমোদনের জন্য বিভিন্ন দপ্তরে দৌড়ঝাঁপ করতে অভ্যস্ত নন। তারা এক ছাদের নিচে সব ধরনের সেবা পেতে চান। সে জন্য ওয়ান স্টপ সার্ভিস সবচেয়ে কার্যকর ব্যবস্থা। বিডা সেই ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠার উদ্যোগ নিয়েছে কয়েক বছর আগেই। কিন্তু সেটি এখনো কার্যকর হয়নি।

বাংলাদেশ মূলত একটি আমদানিনির্ভর অর্থনীতির দেশ। এ দেশের প্রধান ম্যানুফ্যাকচারিং খাত তৈরি পোশাক শিল্পও আমাদের ওপর নির্ভরশীল। এছাড়া অন্যান্য যেসব খাত রয়েছে সেগুলোর মূলধনী যন্ত্রপাতি ও কাঁচামাল বিদেশ থেকে আমদানি করে আনতে হয়। কিন্তু ভারত ও ভিয়েতনামের তুলনায় বাংলাদেশ থেকে পণ্য আমদানিতে বেশি অর্থ ব্যয় করতে হয়। কারণ বাংলাদেশের এলসি কনফারমেশন রেট বাংলাদেশের প্রতিদ্বন্দ্বী দেশগুলোর তুলনায় অনেক বেশি। মূলত বৈদেশিক মুদ্রার অস্থিতিশীলতার কারণে এমনটি হয়ে থাকে। কাজেই বৈদেশিক মুদ্রায় স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় কাজ করা জরুরি। এ সবের বাইরে আমদানি-রপ্তানির জন্য যেসব অবকাঠামো দরকার, সেগুলোর দক্ষতা বৈদেশিক বিনিয়োগের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে বন্দরের দক্ষতা একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। এক্ষেত্রে বাংলাদেশের প্রধান সমস্যা হচ্ছে, এখানে কোনো গভীর সমুদ্রবন্দর নেই। বড় আকৃতির মাদার ভেসেল এখানে আসতে পারে না। ফলে পণ্য পরিবহন খরচ বেড়ে যায়। দেশের প্রধান সমুদ্রবন্দর হিসেবে যেটিকে গণ্য করা হয়, সেই চট্টগ্রাম সমুদ্রবন্দর আন্তর্জাতিক মানদন্ডে অনেক পিছিয়ে। বাংলাদেশি উদ্যোক্তারাই তাদের উৎপাদিত পণ্য সময় মতো জাহাজীকরণ নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে থাকেন। বিশেষ করে, এখানকার বন্দরের লিড টাইম বাংলাদেশের জন্য তুলনীয় দেশগুলোর তুলনায় অনেক বেশি। একটি দেশে বিদেশি বিনিয়োগ আসার ক্ষেত্রে সেখানকার লজিস্টিকস সেবা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। লজিস্টিক খাতে ভারতের তুলনায় বাংলাদেশে খরচ পড়ে তিনগুণেরও বেশি। এই লজিস্টিক সেবার উন্নয়নেও বিদেশি বিনিয়োগ আসার সুযোগ রয়েছে। কিন্তু সে ক্ষেত্রে শতভাগ মালিকানা নিয়ে কোনো বিদেশি প্রতিষ্ঠান বিনিয়োগ করার সুযোগ পায় না। এসব কারণে লজিস্টিক খাতে বিদেশি বিনিয়োগকারীরা আগ্রহ দেখান না।

বাংলাদেশের অর্থনীতিকে যেসব বিদেশি সংস্থা সবচেয়ে কাছ থেকে অবলোকন করে তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে বিশ্বব্যাংক। সংস্থাটি সম্প্রতি বাংলাদেশের অর্থনীতির ওপর যে হালনাগাদ প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে, তাতে দেখা যাচ্ছে চলতি ২০২৪-২৫ অর্থবছরে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি হবে মাত্র ৩.৩ শতাংশ। অথচ গত দশকে বাংলাদেশের গড় প্রবৃদ্ধি ছিল ৬ শতাংশের ওপরে। এবার প্রবৃদ্ধি এত কমে যাওয়ার পেছনে প্রধান কারণ হিসেবে বিশ্বব্যাংক চিহ্নিত করেছে বিনিয়োগ কমে যাওয়ার বিষয়টিকে। বর্তমানে বেসরকারি বিনিয়োগ কমে যাওয়ার প্রধানতম কারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে রাজনৈতিক অস্থিরতাকে। এর বাইরে উচ্চমূল্যস্ফীতিও বিনিয়োগ হ্রাস পাওয়ার অন্যতম কারণ। কাজেই বিনিয়োগের জন্য একটি স্থিতিশীল রাজনৈতিক পরিবেশ খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

অতীত অভিজ্ঞতা থেকে দেখা যায়, গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকারের সময় ব্যবসায়ীরা অপেক্ষাকৃত বেশি বিনিয়োগ করেন। যদিও দলীয় সরকারের সময়ে তাদের বিভিন্ন অঙ্গ সংগঠনের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজিসহ নানা অনিয়মের অভিযোগ পাওয়া যায়, তা সত্ত্বেও একটি নির্বাচিত সরকারের সময়েই বিনিয়োগকারীরা বেশি আস্থা পেয়ে থাকেন। কাজেই অন্তর্বর্তী সরকার নির্বাচনের যে সময়সীমা ঘোষণা করেছে, সেই অনুযায়ী নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে নির্বাচন সম্পন্ন করার দিকে অগ্রসর হওয়া উচিত। এ কথা সত্য যে, গণতন্ত্রের নানা ত্রুটি-বিচ্যুতি রয়েছে। তা সত্ত্বেও এখন পর্যন্ত বিশ্বে যত ধরনের শাসনব্যবস্থা এসেছে, তার মধ্যে গণতন্ত্রই সর্বোত্তম ব্যবস্থা হিসেবে সর্বমহলে স্বীকৃতি পেয়েছে। কাজেই গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত সরকার যাতে রাষ্ট্রের জন্য প্রয়োজনীয় সংস্কারগুলো সম্পন্ন করে সে জন্য তাদের নির্বাচনী ইশতেহারে এসব বিষয় অন্তর্ভুক্ত করার তাগিদ দিতে হবে। পাশাপাশি নির্বাচিত হওয়ার পর যাতে সরকার তাদের ইশতেহারের প্রতি দায়বদ্ধ থাকে, সে বিষয়টি নিশ্চিত করার উদ্যোগ নিতে হবে। প্রয়োজনে এক্ষেত্রে আইনি কাঠামো তৈরি করতে হবে। সর্বোপরি একটি বিনিয়োগবান্ধব সরকার যাতে দেশ পরিচালনা করে, সে বিষয়টি নিশ্চিত করার জন্য রাজনৈতিক দলগুলোকে অঙ্গীকারাবদ্ধ হতে হবে। আগামী বছর বাংলাদেশ স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে উন্নয়নশীল দেশের তালিকায় উন্নীত হবে। তখন বাংলাদেশের সামনে নানা চ্যালেঞ্জ উপস্থিত হবে। সেই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় শক্তিশালী বিনিয়োগ অপরিহার্য। কাজেই এসব বিষয় বিবেচনায় রেখেই অন্তর্বর্তী সরকারকে পরবর্তী সরকারের করণীয় বিষয়ে পথনির্দেশ রেখে যেতে হবে।

লেখক: গণমাধ্যম কর্মী

[email protected]

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত