বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেছেন, দেশের ইসলামি দলগুলোর মধ্যে এক ধরনের সমঝোতা হয়েছে। আগামী নির্বাচনে ইসলামি দলগুলোর একটি ভোটবাক্স থাকবে। গতকাল শুক্রবার দুপুরে খুলনা মহানগরী জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে খুলনার সোনাডাঙ্গার আল ফারুক মিলনায়তনে থানা মজলিসে শুরা-কর্মপরিষদ সদস্য ও টিম সদস্যদের নিয়ে শিক্ষাশিবিরে প্রধান অতিথির ভাষণে তিনি এসব কথা বলেন। জামায়াত সেক্রেটারি বলেন, স্বাধীনতা ও গণতন্ত্র রক্ষায় আগামী নির্বাচনে দেশপ্রেমিক শক্তিকে বিজয়ী করতে হবে। কোনো বিদেশি প্রভুর কথায় আর দেশ চলবে না। নিজেরাই নিজেদের শক্তি নিয়ে দেশকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাব, ইনশাআল্লাহ। কারণ ফ্যাসিস্ট আওয়ামী লীগ সরকার দিল্লির প্রেসক্রিপশনে বারবার ক্ষমতায় এসে দেশের আলেম-উলামাদের ওপর জেল-জুলুম, নির্যাতন করেছে।
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শুরা সদস্য ও খুলনা মহানগরী আমির অধ্যাপক মাহফুজুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলালের পরিচালনায় শিক্ষাশিবিরে বিশেষ অতিথি ছিলেন কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সেক্রেটারি ও খুলনা অঞ্চলের পরিচালক মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও খুলনা অঞ্চল সহকারী পরিচালক মাওলানা আবুল কালাম আজাদ, খুলনা অঞ্চল টিম সদস্য মাস্টার শফিকুল আলম ও মুহাদ্দিস রবিউল বাশার।
সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, আন্দোলনকে গতিশীল করতে শুধু গণসংযোগের মধ্যে থাকলে হবে না বা শুধু বই-পুস্তক পড়ে লিডারশিপ অর্জন করা সম্ভব নয়। লিডারশিপ অর্জন করতে হলে মাঠে-ময়দানে লড়াই করে সংগ্রাম করতে হবে।
অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, বাংলাদেশে আমরা আল্লাহতায়ালার দ্বীন কায়েমের স্বপ্ন দেখি। এখানকার মাঠ পরিচ্ছন্ন করেই ইসলামি আদর্শকে বিজয়ী করতে হবে। এখানে মুসলিম সমাজে শিরক, নাস্তিক্যবাদ ও মানবরচিত যত মতবাদ রয়েছে তার বিরুদ্ধে আমরা গুটিকয়েক মানুষ আল্লাহর গোলাম হিসেবে লড়াই-সংগ্রামে অবতীর্ণ হয়েছি। পুরো শেকড়সহ আমরা এই জাহেলিয়াতের মূলোৎপাটন করতে চাই। পরবর্তী সময়ে এই সমাজ পরিচালনায় কোরআন ও সুন্নাহকে সর্বত্র চালু রাখার ব্যবস্থা করতে চাই। মহান আল্লাহ তার কিতাব দিয়েই সমাজ ও রাষ্ট্র পরিচালনার নির্দেশ দিয়েছেন। মানুষের জীবনের প্রকৃত কল্যাণ ও সফলতার দিকনির্দেশনা এখানে রয়েছে।
