ভারতীয় ক্রিকেটের সাবেক অধিনায়ক ও বিসিসিআই সভাপতি সৌরভ গাঙ্গুলি স্পষ্ট জানিয়ে দিলেন—রাজনীতি তার গন্তব্য নয়। তবে জাতীয় দলের কোচ হওয়ার বিষয়ে দরজা পুরোপুরি বন্ধ করছেন না 'প্রিন্স অব কলকাতা'।
এক সাক্ষাৎকারে সৌরভ বলেন, ‘রাজনীতিতে যাওয়ার ইচ্ছা নেই। মুখ্যমন্ত্রী বানালেও না।’ ২০২৬ সালের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা নির্বাচন সামনে রেখে তাকে রাজনীতিতে টানার গুঞ্জন থাকলেও গাঙ্গুলি স্পষ্ট করেছেন, তিনি রাজনীতি করছেন না, করতেও চান না।
তবে ভারতের কোচ হওয়ার সম্ভাবনা প্রসঙ্গে অনেকটাই খোলা রেখেছেন গাঙ্গুলি। ‘আমি কখনো এ নিয়ে গভীরভাবে ভাবিনি। কারণ ক্রিকেট ছাড়ার পর নানা ভূমিকায় ছিলাম—প্রথমে ক্রিকেটার, পরে বোর্ড সভাপতি। নারী ক্রিকেটের উন্নয়নই ছিল বোর্ড সভাপতির দায়িত্বে আমার সবচেয়ে বড় অর্জন,’ বলেন তিনি।
তবে কোচ হওয়ার সম্ভাবনা উড়িয়ে দেননি একদম। ‘আমার বয়স তো মাত্র ৫৩, এখনই শেষ নয়। দেখা যাক ভবিষ্যতে কী হয়। আমি খোলা মনেই আছি,’ বলেন ২০১২ সালে সব ধরনের ক্রিকেটকে বিদায় জানানো সৌরভ।
গৌতম গম্ভীরকে নিয়ে সৌরভের বক্তব্য আরও ইতিবাচক। বর্তমানে ভারতের জাতীয় দলের কোচ গম্ভীরকে নিয়ে বলেন, ‘গম্ভীর শুরুটা একটু ধীরগতিতে করেছিল। অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড সিরিজে হারলেও চ্যাম্পিয়নস ট্রফির সাফল্যের পর থেকে সে গতি পেয়েছে। এখন সামনে ইংল্যান্ড সিরিজ, সেটিও বড় পরীক্ষা হবে।’
গম্ভীর কেমন কৌশলী কোচ, এই প্রশ্নে সৌরভ বলেন, ‘ওকে খুব কাছ থেকে দেখা হয়নি। তবে আমি জানি সে খুবই স্পষ্টবাদী, দলের ব্যাপারে, খেলোয়াড়দের ব্যাপারে। সে যা মনে করে, সেটাই বলে। বাইরে থেকে দেখলেও বোঝা যায়—গম্ভীর একজন সৎ ও স্বচ্ছ মানুষ।’
গম্ভীরের কোচিং ক্যারিয়ার এখনও নতুন—মাত্র এক বছরের। তাই সময় দেওয়া উচিত বলেও মত গাঙ্গুলির। ‘আমি ওকে শুভকামনা জানাই। ইংল্যান্ড সফর হবে তার জন্য বড় চ্যালেঞ্জ। তবে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে সে আরও শিখবে, ভালো করবে।’
২০১৮ থেকে ২০১৯ ও ২০২২ থেকে ২০২৪ পর্যন্ত দিল্লি ক্যাপিটালসের টিম ডিরেক্টরের দায়িত্ব পালন করেছেন সৌরভ গাঙ্গুলি। ক্রিকেট মাঠে যেমন ছিলেন নেতৃত্বে সাহসী, মাঠের বাইরেও ভারতের ক্রিকেটকে সামনে এগিয়ে নেওয়ার ক্ষেত্রে রেখেছেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা।
এবার হয়তো সেই দায়িত্বেই ফিরতে পারেন নতুন এক পরিচয়ে—ভারতীয় দলের কোচ হিসেবে।
ভাইয়ের পথেই জোব বেলিংহ্যাম, করলেন অভিষেকে গোল
নিজের নামে সিরিজ শুরুর পর প্রথমবার নেতৃত্বে অ্যান্ডারসন