হেডিংলেতে ইংল্যান্ডের কাছে ৫ উইকেটে হারের পর স্পষ্টভাবে দুইটি কারণ চিহ্নিত করেছেন ভারতের অধিনায়ক শুবমান গিল। একটা ফিল্ডিংয়ে, আরেকটা ব্যাটিংয়ে। ম্যাচ শেষে সাংবাদিকদের সামনে এসে একদিকে যেমন আক্ষেপ ছিল, অন্যদিকে ছিল ভবিষ্যতের জন্য শেখার বার্তাও।
'সুযোগ বার বার আসে না। আর যখন আসে, সেটা নিতে হয়'—এই কথায় যেন গোটা ম্যাচের সারাংশ টেনে আনলেন ভারতের তরুণ অধিনায়ক।
ম্যাচজুড়ে ভারতের ফিল্ডাররা ফেলেছেন ৭টি ক্যাচ। এর মধ্যে যশস্বী জয়সওয়াল একাই ফসকেছেন চারটি, রিশাভ পান্ত দুটো এবং রবীন্দ্র জাদেজা একটি। সবচেয়ে বড় যে ভুল, তা ছিল বেন ডাকেটকে দুবার জীবন দেওয়া। ফলাফল—১৭০ বলে ১৪৯ রানের বিধ্বংসী ইনিংস খেলে দলকে জিতিয়ে মাঠ ছাড়েন ইংল্যান্ডের বাঁহাতি ওপেনার।
শুবমান বলেন, 'এমন উইকেটে সুযোগ বারবার আসে না। আমাদের সেটা কাজে লাগাতে হতো। আমরা ঠিক জায়গায় বল করেছি, কিন্তু ক্যাচ ফেললে প্রতিপক্ষ তো সেটার ফায়দা নেবেই। ডাকেট সেটা করেছে।'
প্রথম ইনিংসে ভারতের শেষ সাত উইকেট পড়ে মাত্র ৪১ রানে। দ্বিতীয় ইনিংসে শেষ ছয়টি যায় ৩১ রানে। অথচ পরিকল্পনা ছিল ৪৩০–৪৩৫ রানের লক্ষ্য দেওয়ার।
'আমরা ভেবেছিলাম ৪৩০ রানে ডিক্লেয়ার করব। কিন্তু শেষ দিকে কেউ দাঁড়াতে পারেনি। এটা হতাশাজনক,' বলেন গিল।
শেষ দিনে পিচের রাফ থেকে কার্যকারিতা আদায়ের চেষ্টা করেছিলেন জাদেজা। ২৪ ওভারে ১০৪ রান দিয়ে মাত্র একটি উইকেট পেয়েছেন। তবুও জাদেজার পারফরম্যান্সে সন্তুষ্ট গিল, 'সে ভালো বল করেছে। কিছু সুযোগও তৈরি করেছে। কয়েকটা পপ-আপ ছিল, যেগুলো পন্থ দেখেনি—এমনটা তো ক্রিকেটে হয়েই থাকে।'
এই দলটিতে অনেক তরুণ ক্রিকেটার, যারা এখনও শেখার পথে। তাই তাদের প্রতি আস্থা রাখতে চান অধিনায়ক।
'এটা নতুন দল। অনেক কিছু শেখার আছে। আমরা ভুলগুলো শুধরে সামনে এগোতে চাই,' বলেন গিল।
জানা গিয়েছিল, জসপ্রিত বুমরাহ পাঁচটি টেস্ট খেলবেন না। তবে তিনটি খেলবেন—ঠিক কোন তিনটি, তা এখনও নির্ধারিত হয়নি। ফলে বোলিং বিভাগেও থাকতে পারে ঘূর্ণায়মান পরিকল্পনা।
বিজয় জয়ী হবেন কবে!
সান্তোসে আরও ৬ মাস থাকছেন নেইমার