ডায়াবেটিসের জন্য মুড়ি না চিড়া

আপডেট : ২৬ জুন ২০২৫, ১২:৫৭ এএম

ডায়াবেটিক রোগীদের মিষ্টি খাওয়া নিষেধ থাকে। এর সঙ্গে যোগ হয় কার্বোহাইড্রেড জাতীয় খাবার। মাছ-মাংস খাওয়ার ব্যাপারেও হাজারটা নিষেধাজ্ঞা। প্রতিদিন ডিম খেতেও বিধিনিষেধ। অনেক ডায়াবেটিসের রোগী মুড়ি-শসা বা শুকনো চিড়া খেয়ে থাকেন। তবে চিড়ার গ্লাইসেমিক ইনডেক্স (জিআই) কম। জিআই ৩০ থেকে ৬০-এর মধ্যে। চিড়া খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা বাড়বে না। কিন্তু মুড়িতে গ্লাইসেমিক ইনডেক্স বেশি। অনেকেই জানেন না, মুড়িতে জিআইর মাত্রা প্রায় ৭০ থেকে ৮০। তাই মুড়ি বেশি খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা হঠাৎ করে বেড়ে যেতে পারে। সে দিক থেকে চিড়াই ভালো।

চিড়াতে ফাইবারের মাত্রা মুড়ির চেয়ে অনেক বেশি। তাই চিড়া খেলে যেমন পেট অনেকক্ষণ ভরা থাকে, তেমনি রক্তে শর্করাও বাড়তে পারবে না। তা ছাড়া চিড়ার ফাইবার সহজপাচ্য। ওট্স, কর্নফ্লেক্স, পাউরুটির মতো খাবার খেলে যাদের হজমে সমস্যা হয়, তারা অনায়াসেই চিড়া খেতে পারেন। মুড়ি প্রক্রিয়াজাত। কিন্তু চিড়া প্রক্রিয়াজাত নয়। তাই পুষ্টিগুণ অক্ষত থাকে। চিড়াতে প্রচুর পরিমাণে আয়রন ও ভিটামিন বি থাকে, যা শরীরের জন্য ভালো। পাশাপাশি রক্তে কোলেস্টেরলের মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতেও সাহায্য করে চিড়া। ডায়াবেটিসে ভাত বা রুটি মেপেই খেতে বলা হয়। তবে শরীরে শক্তির জোগান দিতে কার্বোহাইড্রেট প্রয়োজন। সে দিক থেকে চিড়া বেশি ভালো। তবে চিড়া খেলে তা নিয়ম মেনেই খেতে হবে। সবজি দিয়ে পোহা বানিয়ে খাওয়া ভালো। এতে সবজির ফাইবার ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্টও শরীরে প্রবেশ করবে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত