জামায়াত নেতা এ টি এম আজহারুল ইসলাম বলেছেন, আবু সাঈদের রক্তের বিনিময়ে আজকের এই বাংলাদেশ। তাই আবু সাঈদের রক্তের সঙ্গে কেউ বেইমানি করবেন না। আবু সাঈদ যে উদ্দেশ্যে জীবন দিয়েছে তার বিরুদ্ধে আমরা কেউ না যাই।
আজ শুক্রবার সকাল ১১টায় রংপুরের পীরগঞ্জের মদনখালী ইউনিয়নের বাবনপুর গ্রামে শহীদ আবু সাঈদের কবর জিয়ারত ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে সাক্ষাৎকালে তিনি একথা বলেন।
সাংবাদিকদের তিনি জানান, স্বৈরাচারের বিরুদ্ধে যখন কেউ জীবন দেওয়ার জন্য দাঁড়ায় তখন কোনও স্বৈরাচার টিকে থাকতে পারে না। সামনে যদি কোনও স্বৈরাচার প্রতিষ্ঠা লাভ করে বা কার্যকলাপ কেউ শুরু করে তাহলে আবু সাঈদের রক্তের ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশের জনগণ আবারও ফুঁসে উঠবে।
জেল থেকে মুক্তি পাওয়া প্রসঙ্গে তিনি বলেন, আমি সদ্য জেল থেকে মুক্তি পেয়েছি। আমি আসামি থেকে মুক্তি পেতাম না। আমি চিরকৃতজ্ঞ তার কাছে। আমি শুধু না হাজার হাজার রাজবন্দি বিনা কারণে যারা বন্দি অবস্থায় ছিলেন তারাও মুক্তি পেয়েছেন এবং সর্বপরি বাংলাদেশ মুক্তি পেয়েছে।
তিনি বলেন, আমরা আবু সাঈদকে একটা আইকন মনে করি। যার কারণে আমরা সবাই সেখানে আসি। তার মানে এই নয় যে আবু সাঈদ সবার আগে জীবন দিয়েছে। আবু সাঈদের পথ ধরে হাজার হাজার তরুণ জীবন দিয়েছে। আমরা জামাতের পক্ষ থেকে তাদের বাড়ি বাড়ি যাওয়ার চেষ্টা করেছি। অনেককে ঘরবাড়ি করে দেওয়ার চেষ্টা করেছি, তাদের অর্থ সহায়তা দেওয়ার চেষ্টা করেছি।
জুলাই শহীদদের সহযোগিতার ব্যাপারে তিনি সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে বলেন, আবু সাঈদের রক্তেগড়া সরকার আজ দেশ শাসন করছে। তারা তো কোনও রাজনৈতিক দলের সরকার না। তাদের দায়িত্ব অনেক বেশি। যাতে করে তারা সরকারিভাবে আবু সাঈদসহ আন্দোলনে শহীদ হওয়া সবার পাশে দাঁড়াতে পারে।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মো. আব্দুল হালিম, সাবেক কেন্দ্রীয় শিবির সভাপতি ও বর্তমান কেন্দ্রীয় মজলিসে সুরা সদস্য মো. দেলওয়ার হোসেন, কেন্দ্রীয় নির্বাহী সদস্য অধ্যক্ষ মো. সাহাবুদ্দীন, রংপুর জেলা আমির অধ্যাপক মো. গোলাম রব্বানী, পীরগঞ্জ উপজেলা আমির অধ্যাপক মো. মিজানুর রহমান ও পীরগঞ্জ আসনের জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য পদপ্রার্থী অধ্যাপক মাওলানা নুরুল আমিন।
মুরাদনগরে ধর্ষণকাণ্ড নিয়ে নতুন তথ্য দিল র্যাব
লিভারপুলে ‘অমরত্ব’ পাচ্ছে জোটার ২০ নম্বর জার্সি