বুদ্ধি করে খাবার খেতে পারলে ওজন নিয়ে চিন্তা কমবে। ওজন নিয়ন্ত্রণের ক্ষেত্রে খাবার খাওয়ার আগে কয়েকটি কৌশল সাহায্য করতে পারে।
অনেকেই রাতের খাবারের পরেও মিষ্টিজাতীয় খাবার খান। কিন্তু এ ধরনের প্রবণতা মেটাবলিজমকে দুর্বল করে দেয়। পাশাপাশি, ঘুমের গুণগত মানও কমে যায়। যার ফলে ওজন কমে। খিদে পেলে চেষ্টা করতে হবে কম খাওয়ার। সেটা যেন ৮০ শতাংশ হয়। তা হলে পেটে সব সময়েই কিছুটা খালি জায়গা থাকবে। তার ফলে ওজনও থাকবে নিয়ন্ত্রণে। রাতের খাবারের পর দাঁত মাজা জরুরি। এই কাজটি মস্তিষ্কে সেই দিনের মতো খাবারের পর্ব শেষ এই সংকেত প্রেরণ করে। ফলে রাত জেগে খাবার খাওয়ার প্রবণতা কমে যায়, দেহের ওজনও থাকে নিয়ন্ত্রণে। প্রাতরাশে প্রোটিনের আধিক্য থাকলে, তা পেট ভর্তি রাখে। তার ফলে সারা দিনে খিদে কম পায়। ফলে ভাজাভুজি বা অন্যান্য অস্বাস্থ্যকর খাবার থেকে দূরে থাকা যায়।
দুপুরে বা রাতের খাবারের আগে যদি স্যুপ খাওয়া যায়, তা হলে মূল পর্বে কম খাবারেই পেট ভরে যায়। খাবারের আগে পুষ্টিগুণে ভরপুর কোনো স্যুপ ব্যক্তির ক্যালোরি গ্রহণের ইচ্ছা ২০ শতাংশ কমিয়ে দিতে পারে। সালাদ জাতীয় খাবার খেলেও মূল খাবার খাওয়ার আগ্রহ কমে যায়।
