নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের সাবেক কাউন্সিলর ও মহানগর বিএনপি নেতা মাকসুদুল আলম খন্দকার খোরশেদ বলেছেন, বিএনপি গত সতেরো বছরে তিলে তিলে হাসিনার বিরুদ্ধে জনমত গড়ে তুলেছে। সেখানে ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগ স্ফুলিঙ্গের মতো কাজ করেছে। ছাত্র-জনতার আত্মত্যাগ ইতিহাসের পাতায় লিপিবদ্ধ থাকবে। পাশাপাশি বিএনপির অবদানকেও মনে স্বরণ করতে হবে। মনে রাখতে হবে জুলাই-আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের মহানায়ক তারেক রহমান ও তার নেতৃত্বাধীন বিএনপির লক্ষ কোটি নেতাকর্মী। গত ষোল বছরে বিএনপির দুই হাজারের বেশি নেতাকর্মী মৃত্যুবরণ করেছে। আমরা ষাট লক্ষ নেতাকর্মী হামলা মামলায় জর্জরিত ছিলাম।
শনিবার (৫ জুলাই) নারায়ণগঞ্জ সিটি করপোরেশনের ১৩ নম্বর ওয়ার্ডের গলাচিপা এলাকায় মহানগর বিএনপির প্রাথমিক সদস্য সংগ্রহ ও সদস্য পদ নবায়ন কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে একথা বলেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, তারেক রহমান তারুণ্যের অহংকার। তার ঘোষিত ৩১ দফা অনুযায়ী একটি সুন্দর বাংলাদেশ গড়ার জন্য বিএনপি নেতাকর্মীরা কাজ করে যাবে। নতুন সদস্য সংগ্রহের মাধ্যমে বিএনপিকে আরও শক্তিশালী ও গতিশীল করে তোলা হবে।
যুবকদের ও তরুণদের দলে অন্তর্ভূক্ত করার জন্য সারা দেশে এ সমাবেশ চলছে। আপনারা নিজ নিজ এলাকায় এ ফরমগুলো পূরণ করবেন। আপনারাও যথা নিয়মে আপনারা এ তথ্য পূরণ করবেন এবং বিএনপির সদস্য হয়ে আপনারা গর্বিত নাগরিক হবেন।
বিএনপি সেই দল যার নেতা শহীদ জিয়ার ঘোষণায় এ দেশ স্বাধীন হয়েছে। আওয়ামী লীগ এ দেশকে ধ্বংস করে দিয়েছিল। সেখান থেকে মাত্র চার বছরে জিয়াউর রহমান বাংলাদেশকে পুনর্গঠন করতে সফল হয়েছিল। তারপর দেশনেত্রী খালেদা জিয়া বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়েছেন। শিগগিরই আমরা তারেক রহমানের নেতৃত্বে নতুন বাংলাদেশ গড়তে পারব বলে আশা করছি, বলেন তিনি।
তিনি বলেন, চারিদিকে মিডিয়া ট্রায়াল চলছে। এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়াতে হবে। পাশাপাশি আপনাদেরও সচেতন থাকতে হবে। আজ বিএনপি যদি এক টাকার দুর্নাম করে বা কোনও খারাপ কাজ করে সেটাকে এক শ টাকার প্রচার করা হয়।
তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক দল হিসেবে আওয়ামী লীগ যা যা করেছে আমরা তা তা করব না। এতটুকু করতে পারলেই খালেদা জিয়া ও তারেক জিয়ার সুনাম রক্ষা হবে। আমরা যদি আওয়ামী লীগের মতো আচরণ করি তাহলে আমরাও ছিটকে পড়ব।
এ সময় মহানগর বিএনপি নেতা শাহজাহান খন্দকারের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন মহানগর বিএনপি নেতা বীর মুক্তিযোদ্ধা আনোয়ার হোসেন খান, আনোয়ার মাহমুদ বকুল, মজিবুর রহমান সরকার, আক্তার হোসেন খোকন শাহ, নুরুল হক চৌধুরী দিপু, হাজী মোহাম্মদ শাহীন, মনিরুজ্জামান মনির, এন ইসলাম জানু, মহানগর কৃষক দলের সিনিয়র সহ-সভাপতি নাজমুল কবির নাহিদ, দপ্তর সম্পাদক শওকত খন্দকার, মহানগর ওলামা দলের সভাপতি হাফেজ শিব্বির, আ. ছাত্তার ভুট্ট, কাজী আসলাম বিএনপি নেতা জৈনুদ্দিন আহমেদ বাচ্চু ব্যাপারী প্রমুখ।
যৌন হয়রানির অভিযোগে ইবি শিক্ষক বরখাস্ত, পাবেন জীবন ধারণ ভাতা
ডাক্তার ছাড়া নার্সের দ্বারা সন্তান প্রসব, নবজাতকের মৃত্যু