জুলাই মাসেই মিয়ানমারে এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে গ্রুপসেরা হয়ে প্রথমবারের মতো মূলপর্বে খেলার টিকিট কেটেছে বাংলাদেশ জাতীয় দল। এক মাসের ব্যবধানে আরও একটি ইতিহাস গড়ার সুযোগ পিটার বাটলারের সামনে। এবার অনূর্ধ্ব-২০ দলকে নিয়ে। দলটি সোমবারই জিতেছে দক্ষিণ এশিয়ার শিরোপা। এবার লক্ষ্য সিনিয়রদের মতো এশিয়ার মঞ্চে পৌঁছানো।
৬-১০ আগস্ট লাওসে হবে অনূর্ধ্ব-২০ নারী এশিয়ান কাপ বাছাই। ‘এইচ’ গ্রুপে স্বাগতিক লাওস ছাড়াও দক্ষিণ কোরিয়া ও পূর্ব তিমুর বাংলাদেশ অনূর্ধ্ব-২০ দলের প্রতিপক্ষ । ফিফা র্যাঙ্কিংয়ে ২১ নম্বরে থাকা দক্ষিণ কোরিয়াকে নিয়ে ভয় বেশি। ১২৮ এ থাকা বাংলাদেশের চেয়ে ২১ ধাপ এগিয়ে আছে লাওস (১০৭)। ৩০ ধাপ পিছিয়ে থেকে পূর্ব তিমুরের অবস্থান ১৫৮।
অনূর্ধ্ব-২০ দলকে নিয়ে অবশ্য খুব বেশি উচ্চাকাঙ্ক্ষী হচ্ছেন না বাটলার। আবার আশাহীনও নন বাংলাদেশ কোচ। নেপালকে গতকাল ৪-০ গোলে হারানোর পর বলেছেন, ‘আমি খুব বেশি উচ্চাকাঙ্ক্ষী নই আবার কমও নই। লম্বা সময় ধরে ফুটবলের সঙ্গে আছি। অনেক কিছু দেখেছি। শুধু এটুকুই বলব আমরা প্রতি ম্যাচ ধরে এগোতে চাই। আমাদের বাস্তববাদী হতে হবে।’
আফঈদা-সাগরিকাদের জন্য রোমাঞ্চকর এক যাত্রা হতে যাচ্ছে বলে মনে করেন পিটার বাটলার, ‘আমরা এমন দলের মুখোমুখি হতে যাচ্ছি, যারা যথেষ্ট শক্তিশালী। আমাদের মেয়েদের জন্য দক্ষিণ কোরিয়ার মতো শক্তিশালী দলের বিপক্ষে খেলার সুযোগ এটি৷। দেখি তা আমাদের কোথায় নিয়ে যায়। তাদের জন্য এটি একটি রোমাঞ্চকর যাত্রা।’
মূলত এশিয়ান কাপ বাছাইকে সামনে রেখেই ২৩ ফুটবলারের সবাইকে খেলিয়েছেন বাটলার। ২ আগস্ট লাওসে যাবে বাংলাদেশ দল। মূলপর্বে খেলার প্রতিশ্রুতি না দিলেও সেরাটা দেওয়ার আশ্বাস বাটলারের, ‘আমরা আমাদের সেরাটা দেয়ার চেষ্টা করব, এটুকুই বলতে পারি। আমি কোনো প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি না। শুধু বলছি সর্বোচ্চটা দেয়ার চেষ্টা করব।’
অনূর্ধ্ব-২০ এশিয়ান কাপ বাছাইয়ে ৬ আগস্ট প্রথম ম্যাচে স্বাগতিক লাওসের মুখোমুখি হবে বাংলাদেশ। একদিন বিরতি দিয়ে ৮ আগস্ট পূর্ব তিমুর ও ১০ আগস্ট দক্ষিণ কোরিয়ার বিপক্ষে লড়বেন আফঈদা-স্বপ্নারা। সব ম্যাচ হবে নিউ লাওস জাতীয় স্টেডিয়ামে।
২০২৩ সালেও এশিয়ান অনূর্ধ-২০ বাছাইয়ে খেলেছিল। তুর্কমেনিস্তানকে হারালেও ইরানের কাছে হেরে যায় কমলাপুর স্টেডিয়ামের খেলায়।
এবার ৩৩ দলকে ৮ গ্রুপে ভাগ করে হচ্ছে বাছাই পর্ব। গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন ৮ এবং সেরা ৩ রানার্সআপ উঠে যাবে থাইল্যান্ডে আগামী বছর আয়োজিত চূড়ান্ত পর্বে।
শোকার্ত শহরে ক্রিকেট হবে, তবে উৎসব হবে না
বাংলাদেশে না হলেও মেয়েদের টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপে বিসিবির আয় ১০.৩৭ কোটি টাকা