যুদ্ধবিরতিতে রাজি থাইল্যান্ড কম্বোডিয়া!

আপডেট : ২৮ জুলাই ২০২৫, ০৭:৩৭ এএম

কম্বোডিয়া ও থাইল্যান্ডের নেতারা তাৎক্ষণিকভাবে সাক্ষাৎ করে দ্রুত যুদ্ধবিরতির পথ বের করার বিষয়ে সম্মত হয়েছেন। গত শনিবার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প জানান, উভয় পক্ষই তাৎক্ষণিক যুদ্ধবিরতি ও শান্তি চেয়েছে। তিন দিনের সীমান্ত সংঘর্ষের পর শান্তি আনার প্রচেষ্টায় ট্রাম্প এই উদ্যোগ নেন বলে জানানো হয়েছে। থাইল্যান্ডের ভারপ্রাপ্ত প্রধানমন্ত্রী ফুমথাম ওয়েচায়াচাই ট্রাম্পকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, থাইল্যান্ড নীতিগতভাবে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে। তবে তিনি কম্বোডিয়ার পক্ষ থেকে আন্তরিকতার প্রমাণ দেখতে চান। স্কটল্যান্ড সফরকালে ট্রাম্পের একাধিক সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম পোস্টের জবাবে এক ফেসবুক পোস্টে এ কথা বলেন ফুমথাম।

ট্রাম্প জানান, তিনি কম্বোডিয়ার প্রধানমন্ত্রী হুন মানের এবং ফুমথামের সঙ্গে কথা বলেছেন। তাদের তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, সীমান্ত সংঘাত অব্যাহত থাকলে এই দুই দেশের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের কোনো বাণিজ্য চুক্তি হবে না। ফুমথাম আরও বলেন, তিনি ট্রাম্পকে অনুরোধ করেছেন কম্বোডিয়ার পক্ষকে জানাতে যে, থাইল্যান্ড একটি দ্বিপক্ষীয় আলোচনা করতে চায়, যাতে যুদ্ধবিরতি কার্যকর এবং শেষ পর্যন্ত শান্তিপূর্ণ সমাধান সম্ভব হয়। তবে এ আলোচনা কখন এবং কোথায় হবে, সে বিষয়ে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো মন্তব্য করেনি হোয়াইট হাউজ। ওয়াশিংটনে অবস্থিত থাই ও কম্বোডিয়ান দূতাবাসগুলোও তাৎক্ষণিকভাবে সাড়া দেয়নি। গত ১৩ বছরে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার প্রতিবেশী দুই দেশের মধ্যে সবচেয়ে ভয়াবহ সংঘাতে এখন পর্যন্ত ৩০ জনের বেশি নিহত হয়েছে। বাস্তুচ্যুত হয়েছে ১ লাখ ৩০ হাজারেরও বেশি মানুষ।

এদিকে, যুদ্ধবিরতির বিষয়ে আলোচনার সম্ভাবনা জোরালো হয়ে ওঠা সত্ত্বেও সংঘর্ষ চলছেই। থাইল্যান্ড ও কম্বোডিয়ার মধ্যে গতকাল রবিবার চতুর্থ দিনের মতো পাল্টাপাল্টি গোলা হামলার ঘটনা ঘটেছে। কম্বোডিয়ার সামরাং শহরে থাকা এএফপির সাংবাদিকরা ভোর থেকে নিয়মিত গোলার আওয়াজ শুনেছেন। সংঘর্ষস্থল থেকে শহরটির অবস্থান প্রায় ২০ কিলোমিটার দূরে। কম্বোডিয়ার প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক মুখপাত্রও বলেছেন, ভোরে দুটি বিরোধপূর্ণ মন্দিরের কাছে সংঘর্ষ শুরু হয়।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত