রিংয়ে খেলতে নেমেছেন বড় বোন। মোহাম্মদ আলী স্টেডিয়ামের গ্যালারিতে বাবা-মাকে পাশে নিয়ে উপস্থিত আফঈদা খন্দকার। জিনাতের একের পর পাঞ্চ যখন আফরার মুখে আঘাত করছিল, বারবা হাত দিয়ে মুখ ঢাকছিলেন আফঈদা। আবার আফরা যখন ঘুড়ে দাঁড়িয়ে জিনাতের ওপর হামলে পড়েন, তখন গ্যালারি থেকে চেচিয়ে বোনকে জানিয়েছেন সমর্থন। শেষ পর্যন্ত আলোচিত এই ফাইনালে জিনাতই আধিপত্য বিস্তার করেছেন।
বোনকে সহজে ধরাশায়ী হতে দেখে আফঈদ বলেন, ‘প্রতিপক্ষ যে (জিনাত) ছিল, সে তো অনেক ভালো বক্সার। ও (আফরা) যে তিন রাউন্ড খেলছে এটাই অনেক।' আফরারও এমন হারে আক্ষেপ নেই, 'হেরেছি এতে কোন আক্ষেপ নেই। আমি চেয়েছিলাম যাতে খেলাটি তিন রাউন্ড পর্যন্ত যায়। নকআউট যাতে না হই। আলহামদুলিল্লাহ তিন রাউন্ড খেলেই এসেছি।’ জিনাতের মতো অনুশীলনের উন্নত সুযোগ সুবিধা পেলে নিজেরও উজ্জ্বল ভবিষ্যত দেখেন আফরা, ‘জিনাত বিদেশে অনুশীলন করে। তার অনুশীলন সুবিধা অনেক ভালো। আমরা যদি ওরকম ভালো সুযোগ-সুবিধা পাই, আমরাও ওদের মতো ভালো করবো।’
ফাইনালের অভিজ্ঞতা জানাতে গিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে বেড়ে ওঠা জিনাত প্রশংসা করেছেন স্থানীয়দের মানসিকতার, ‘আমাদের বাংলাদেশি ছেলে এবং মেয়ে যারা আছে, সত্যিকার অর্থেই ওরা অনেক খেলতে চায়। ওরা রিংয়ে খেলা ছেড়ে দিতে চায় না। আরেকটু টেকনিক যদি রপ্ত করতে পারে, তাহলে অনেক ভালো করবে। যেভাবে সবাই আমাদের বক্সিংকে সমর্থন করছে, এটা আমার কাছে অনেক বড় ব্যাপার। এত মানুষ সাপোর্ট করছে দেখে ভালো লাগছে। এখানে প্রথমবার খেললাম, তবে এটাই শেষ নয়।’
বিখ্যাত ১০ নম্বর জার্সি পরে জোড়া গোল করলেন ইয়ামাল
আফরাকে হারিয়ে চ্যাম্পিয়ন হলেন জিনাত