শেকৃবিতে নিষিদ্ধ ছাত্রলীগের ২ নেতা আটক

আপডেট : ০১ আগস্ট ২০২৫, ০৬:২৪ পিএম

রাজধানীর শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে (শেকৃবি) নিষিদ্ধ ছাত্র সংগঠন ছাত্রলীগের ৩ জনকে আটক করে পুলিশে দেওয়া হয়। পরে ২ জনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধরণের নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। অপরজনকে ছেড়ে দেওয়া হয়।

গত ৩০ জুলাই রাতে ক্যাম্পাসে সাবেক ও বর্তমান ছাত্রলীগের অনেক নেতা আবাসিক হলে অবস্থান করছে এমন তথ্যের ভিত্তিতে ৩ জনকে আটক করে ছাত্রদলের নেতা-কর্মীরা।

আটককৃত নেতারা হলেন শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক তাওফিক-ই-মাওলা, সাবেক কর্মসূচী বিষয়ক উপ-সম্পাদক মীর আসাদ আল রহমান সায়েম ও সাবেক কর্মসূচী ও পরিকল্পনা সম্পাদক আল সাদী প্রিয়াল।

পরবর্তীতে খোঁজ নিয়ে জানা যায় আটক হওয়া তিনজন ছাত্রলীগ নেতার মধ্যে আল সাদি পিয়ালকে অদৃশ্য কারণে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে ক্যাম্পাসে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।

আটক হওয়ার সময় পিয়াল জানায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এক ছাত্রদল নেতার (বর্তমান যুবদল নেতা) সাথে কথা বলেই তিনি ক্যাম্পাসে অবস্থান করছেন।

এ বিষয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত ছাত্রদল নেতা শরিফ জানান, আগস্ট মাস ঘিরে দেশব্যাপী অরাজকতা সৃষ্টির লক্ষ্যে ছাত্রলীগ ও ফ্যাসিস্টদের কিছু নেতা-কর্মী নিয়মিত জুম মিটিং করছে। পলাতক অনেকে ক্যাম্পাস সংলগ্ন এলাকায় বাসা ভাড়া নিয়ে উঠেছে এবং হলে অবস্থানকারী ছাত্রলীগ কর্মীদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে। তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের সেকেন্ড গেটের চায়ের দোকানে নিয়মিত আড্ডা দেয় এবং ঢাকায় কোনো গোপন কর্মসূচি থাকলে হলে এসে অবস্থান করে। আমরা কয়েকদিন তাদের পর্যবেক্ষণ করি এবং বিভিন্নভাবে তথ্য সংগ্রহের মধ্যে দিয়ে  নিশ্চিত হই যে তারা একত্রিত হচ্ছে এবং কিছু একটা করার পরিকল্পনা করছে। এরপর সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে তাদের রুমে যাই এবং প্রক্টরকে ফোন করি, কিন্তু তিনি আসতে রাজি হননি। পরে বিষয়টি থানা পুলিশকে জানানো হয় এবং সন্দেহভাজনদের পুলিশের জিম্মায় দেওয়া হয়।

এ বিষয়ে শেরেবাংলা নগর থানার ওসি মোফাজ্জল হোসেন বলেন, ছাত্রলীগের পদধারী দুই নেতাকে শেকৃবি ক্যাম্পাসের ছাত্রদল নেতা ও সাধারণ শিক্ষার্থীরা আমাদের হাতে তুলে দেয়। তদের বিরুদ্ধে মূলত বিভিন্ন ঝটিকা মিছিল এবং অপতৎপরতার অভিযোগ রয়েছে, যা বর্তমানে তদন্তাধীন।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত