১২ কেজি এলপিজির দাম কমল ৯১ টাকা

আপডেট : ০৪ আগস্ট ২০২৫, ০৭:৩৩ এএম

ভোক্তা পর্যায়ে বেসরকারি খাতের তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) দাম কেজিতে কমেছে ৭ টাকা ৫৩ পয়সা। সে হিসেবে চলতি (আগস্ট) মাসের জন্য ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৯১ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ২৭৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আগের মাসেও এ দাম কমানো হয়েছিল ৩৯ টাকা।

আর গাড়িতে ব্যবহৃত এলপিজির (অটোগ্যাস) দাম প্রতি লিটারে ৪ টাকা ১৮ পয়সা কমিয়ে ধরা হয়েছে ৫৮ টাকা ২৮ পয়সা। তবে সরকারি কোম্পানির সরবরাহ করা এলপিজির সাড়ে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৮২৫ টাকায় অপরিবর্তিত রাখা হয়েছে। যদিও সারা দেশে চাহিদার তুলনায় মাত্র এক থেকে দেড় শতাংশের মতো সরবরাহ করার সক্ষমতা রয়েছে সরকারি কোম্পানির।

গতকাল রবিবার নতুন এ দর ঘোষণা করে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। সংস্থাটি প্রতি মাসেই এলপিজির দাম নির্ধারণ করে। তবে বাজারে নির্ধারিত দামে এলপিজি বিক্রি না হওয়ার অভিযোগ আছে। এলপিজির ১২ কেজি সিলিন্ডার সবচেয়ে বেশি গৃহস্থালির কাজে ব্যবহৃত হয়।

বিইআরসির নতুন দর অনুযায়ী, বেসরকারি এলপিজির মূল্য সংযোজন করসহ (মূসক বা ভ্যাট) দাম নির্ধারণ করা হয়েছে প্রতি কেজি ১০৬ টাকা ১১ পয়সা। গত মাসে তা ছিল ১১৩ টাকা ৬৪ পয়সা। এই হিসাবে বিভিন্ন আকারের এলপিজি সিলিন্ডারের দাম নির্ধারিত হবে। বাজারে বিভিন্ন আকারের এলপিজি সিলিন্ডার পাওয়া যায়।

জুলাই মাসে ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম নির্ধারণ করা হয় ১ হাজার ৩৬৪ টাকা, যা ছিল তার আগের মাসে চেয়ে ৩৯ টাকা কম। চলতি মাসে সেটা আরও কমল।

গত এক বছরে এ নিয়ে এলপিজি ও অটোগ্যাসের দাম চার দফা কমানো হলো। বাড়ানো হয় সাত দফা। এক দফায় দাম অপরিবর্তিত ছিল।

এলপিজি মূলত প্রোপেন ও বিউটেনের একটি মিশ্রিত অনুপাত। এ দুটিই আমদানি করা হয়। সৌদি আরামকোর ঘোষিত মূল্য (সৌদি সিপি) ধরে ২০২১ সালের এপ্রিল থেকে প্রতি মাসে দেশে এলপি গ্যাসের দাম ঠিক করে আসছে বিইআরসি। দাম নির্ধারণে ডলারের মূল্যও একটি ভূমিকা রাখে।

এক যুগেরও বেশি সময় ধরে বাসাবাড়িতে পাইপলাইনে নতুন গ্যাস সংযোগ বন্ধ থাকার পাশাপাশি বিভিন্ন এলাকায় গ্যাস সংকটের কারণে গৃহস্থালি রান্নার পাশাপাশি রেস্তোরাঁ, পরিবহন, ছোট-বড় শিল্পকারখানায়ও এলপিজি ব্যবহার বাড়ছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত