ক্রিকেট গুরু এবং বিশ্লেষক হিসেবে তিনি ছিলেন শ্রদ্ধার পাত্র। এখনো বহু মানুষ তাকে শ্রদ্ধা করেন, তবে শ্রদ্ধার জায়গাটি কিছুটা হলেও টলে গেছে। কান পাতলে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক তথা ক্রিকেট পরিচলানা বিভাগের প্রধান নাজমুল আবেদীন ফাহিমের সমালোচনাই শোনা যায় চারদিকে। কয়দিন আগে তামিম ইকবাল সন্দেহ প্রকাশ করেছিলেন যে, ফাহিমের একের পর এক বিদেশ সফরে দেশের ক্রিকেটের লাভ হচ্ছে না।
শুধু তামিম নন, জাতীয় দলের সাবেক অধিনায়ক তথা সাবেক বিসিবি পরিচালক খালেদ মাহমুদ সুজনও তার সমালোচনা করে বলেছিলেন, ‘শান্তকে যেভাবে অধিনায়কত্ব থেকে সরিয়ে দেয়া হয়েছে, যেটি পেশাগতভাবে করা হয়নি। আমি বলব, বিসিবি খুবই বাজে একটা সিদ্ধান্ত নিয়েছে। সফরে যাওয়ার এক দিন আগে কেন দুই অধিনায়কের সঙ্গে কথা বলতে হবে? আমি মনে করি, অপারেশনস চেয়ারম্যান হিসেবে এখানেই উনি ব্যর্থ। উনার উচিত ছিল বোর্ডের সঙ্গে কথা বলা যে সফরের আগে অধিনায়ক পরিবর্তন না হোক।’
বিসিবিতে আসার পর থেকে গত ১১ মাসে পুরুষ এবং নারী দলের সঙ্গে ডজনখানেকের বেশি বিদেশ সফর করেছেন ফাহিম। মোটা অংকের দৈনিক ভাতা নিয়েছেন। কিন্তু নিজের দায়িত্ব পালনে তিনি ব্যর্থ হয়েছেন বলে অভিযোগ আছে।দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে পরিবর্তনের পর নতুন বোর্ড গঠন হলেও ক্রিকেটে এখনো দৃশ্যমান কোনো উন্নতি নেই। ক্রিকেট অপারেশন্সের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদে থেকেও ফাহিম বলতে গেলে কিছুই করতে পারেননি।
এবার আত্মপক্ষ সমর্থন করে ফাহিম সংবাদমাধ্যমকে বলেছেন, ‘এই ব্যাপারটি নিয়ে একেবারেই আলোচনা করতে চাই না। একটি দায়িত্ব নিয়ে এখানে এসেছি৷ দেশের ক্রিকেট যেন ভালোভাবে চলে। আমি চেষ্টা করছি স্বচ্ছতার সাথে এবং সততার সাথে এই কাজটা করার। কে কি মনে করে কে কী বললো এটা নিয়ে আমি ভাবছি না। যতদিন আমার কাজ করার সুযোগ থাকবে আমি কাজ করব এবং আমার মতো করেই কাজ করব।’
‘গামিনি ক্রিকেটারদের অপমান করত, মাঠকর্মীদের মানুষই মনে করত না!’
মেসির মাঠে ফেরা দীর্ঘায়িত হচ্ছে
মোহাম্মদ শামির বিশ্বরেকর্ড ভেঙে দিলেন শাহিন আফ্রিদি