নিরাপত্তা উপদেষ্টা বললেন

শুল্ক ইস্যুতে ভূরাজনীতির ফাঁদে পা দিইনি

আপডেট : ১১ আগস্ট ২০২৫, ০৭:২৩ এএম

অন্তর্বর্তী সরকারের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান বলেছেন, মার্কিন শুল্ক বিষয়ে তিনটি বিষয় সামনে রেখে কাজ করেছি। এ ক্ষেত্রে তাদের অনেক অবলিগেশন ছিল। যার অনেকই আমরা নিতে পারিনি। আমরা কোনো ভূরাজনৈতিক ফাঁদে পা দিইনি।

গতকাল রবিবার রাতে গুলশান ক্লাবে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশন (বিটিএমএ) আয়োজিত মার্কিন শুল্কবিষয়ক এক সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে বক্তব্যে তিনি এমন মন্তব্য করেন। এ সময় বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন, বাণিজ্য সচিব মাহবুবুর রহমান, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ও ডব্লিউটিও অনুবিভাগের প্রধান ড. নাজনীন কাউসার চৌধুরী, বিজিএমইএর সভাপতি মাহমুদুল হাসান, বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

নিরাপত্তা উপদেষ্টা বলেন, ‘আমরা তিনটি প্রিন্সিপালে নেগোশিয়েট করেছি। ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে আমাদের চুক্তি হয়েছে, সেটি বাইলেটারাল অ্যাগ্রিমেন্ট। এটা যেকোনো সময় বাতিলযোগ্য। আমরা নির্বাচিত সরকার নই। তাদের যেসব বিষয় রয়েছে পরবর্তী সরকার সেটি পরিবর্তন করতে পারবে। কারণ আমরা প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প সরকারের সঙ্গে আলোচনা করেছি, এমন একটা চুক্তি করেছি যেটা বাতিলযোগ্য। কালকে যদি আমরা চুক্তির কোনো একটি শর্ত পূরণ করতে না পারি, তাহলে তারা ৩৭ শতাংশ শুল্কে ফিরে যেতে পারবে। সেজন্য ব্যবসায়ীদের প্রতি অনুরোধ থাকবে যাতে অর্জনটি বাতিল না হয়।’

স্বাগত বক্তব্যে বিটিএমএ সভাপতি শওকত আজিজ রাসেল বলেছেন, মার্কিন শুল্ক ঘোষণার পরপরই সরকার দফায় দফায় সে দেশের সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে বৈঠক করেছে। আমরা পাশে ছিলাম। সম্মিলিত প্রচেষ্টায় একটা সফলতা এসেছে। শুল্ক হ্রাসের পর ক্রেতাদের পক্ষ থেকে আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ বেড়েছে। এতে বোঝা যাচ্ছে, মার্কিন শুল্ক হ্রাস পোশাক খাতে ভালো ব্যবসার পূর্বাভাস পাওয়া যাচ্ছে।

বিকেএমইএ সভাপতি মোহাম্মদ হাতেম ইউএস ট্যারিফ নিয়ে সরকারের বাণিজ্য উপদেষ্টার নেতৃত্বে গঠিত টিমের প্রশংসা করে বলেন, বাণিজ্য উপদেষ্টার প্রতি পূর্ণ আস্থা ছিল এবং তার নেতৃত্বে এ অর্জন সম্ভব হয়েছে। বিশেষ করে, ভারত যখন ট্রান্সশিপমেন্ট বন্ধ করে দিয়েছিল, তখন বাণিজ্য উপদেষ্টার উদ্যোগে সিলেট বিমানবন্দর দিয়ে কার্গো ফ্লাইট চালু করার কথা তিনি উল্লেখ করেন, যা বাংলাদেশের জন্য একটি ইতিবাচক পরিবর্তন নিয়ে আসে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত