মহালছড়িতে ঝুঁকিপূর্ণ সেতু দিয়ে ৩০ হাজার মানুষের চলাচল

আপডেট : ১৬ আগস্ট ২০২৫, ১২:৩৩ এএম

খাগড়াছড়ির মহালছড়িতে ঝুঁকিপূর্ণ সেতু দিয়ে চলাচল করছেন মহালছড়ি উপজেলার মুবাছড়ি ইউনিয়নবাসী। মানুষের চলাচল বা পণ্য আনা-নেওয়া ছাড়াও অন্তঃসত্ত্বাসহ রোগীদের হাসপাতালে বা চিকিৎসার জন্য দ্রুত কোথাও নিয়ে যাওয়া কঠিন হয়ে পড়ে। এসব কারণে খুব কষ্টে আছেন এলাকাবাসী।

মহালছড়ি-সিঙ্গিনালা সড়কের কাপ্তাইপাড়া সেতুটি উপজেলা সদরের সঙ্গে মুবাছড়ি ইউনিয়নকে যুক্ত করেছে। জরাজীর্ণ ছোট্ট সেতুটির দুপাশের সংযোগ সড়কের দেয়াল ধসে মাটি সরে গিয়ে কোনো রকমে দাঁড়িয়ে আছে, শুধু তাই নয়, সেতুটির নিচে পলেস্তারা খসে পড়ায় ঢালাইয়ের রড-কংক্রিটও দেখা যায়। এই সড়ক দিয়ে মুবাছড়ি ইউনিয়ন ও রাঙ্গামটির নানিয়ারচর উপজেলার করল্যাছড়ি, সেলোন্যা, সাবেক্ষংসহ প্রায় ৩০টি গ্রামের প্রায় ৩০-৩২ হাজারের মতো লোকজন চলাচল এবং পণ্য আনা-নেওয়া করেন।

সড়কে চলাচলকারী করল্যাছড়ি গ্রামের প্রাইমারি স্কুলশিক্ষক কুন্ডল চাকমা, সিঙ্গিনালা মেশিনপাড়ার বেতছড়ি জেনারেল ওসমানী উচ্চবিদ্যালয়ের শিক্ষক সুগত চাকমা ও মনাটকে গ্রামের ভবদত্ত চাকমা জানান, সেতুটি ছোট হলেও এটি জনগুরুত্বপূর্ণ। সেতুর ওপর দিয়ে অটোরিকশা আর মোটরসাইকেল ছাড়া অন্য কোনো যানবাহন চলাচল করতে পারে না। বিশেষ করে জরুরি রোগীদের আনা-নেওয়ার ক্ষেত্রে সমস্যায় পড়তে হয়। এলজিইডি থেকে বাইপাস সড়ক করে দিলেও তা এখন কাপ্তাই বাঁধের পানি নিচে।

প্রায় ৪০ বছর বা তারও আগে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) অর্থায়নে মহালছড়ি-সিঙ্গিনালা সড়কটি নির্মাণের সময় এই সেতুটিও তৈরি করা হয়। গত দুই বছরে বৃষ্টি ও বন্যার কারণে সেতুটির দুপাশের সংযোগ সড়কের দেয়াল ভেঙে মাটি সরে যায়।

খাগড়াছড়ির সাবেক জেলা পরিষদ চেয়ারম্যান রুইতি কারবারি সেতুটি দ্রুত নির্মাণ করার দাবি জানান।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর খাগড়াছড়ির নির্বাহী প্রকৌশলী তৃপ্তি শংকর চাকমা বলেন, দুই বছর বন্যায় ব্রিজটির দুপাশের সংযোগ সড়ক ভেঙে গিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে গেছে।

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত