সেপটিক ট্যাংক থেকে শিশুর মরদেহ উদ্ধার, ধারণা ধর্ষণের পর হত্যা

আপডেট : ২৮ আগস্ট ২০২৫, ০৬:০৫ পিএম

ফেনীতে ইটভাটার পরিত্যক্ত সেপটিক ট্যাংক থেকে ছয় বছরের এক মেয়েশিশুর মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার দিবাগত রাত একটার দিকে ফেনী সদর উপজেলার পাঁচগাছিয়া ইউনিয়নের মাথিয়ারা সোনালী ব্রিকফিল্ড থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় ধর্ষণের পর হত্যার অভিযোগে করা মামলায় একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তার ওই যুবকের নাম মো. রাসেল (১৮)। তার বাড়ি ময়মনসিংহের গৌরীপুর উপজেলার কলতাপাড়া গ্রামে। কাজের সুবাদে তিনি ফেনীতে থাকেন।

পুলিশ ও স্থানীয় বাসিন্দাদের সূত্র জানায়, বুধবার দুপুরের দিকে বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয় শিশুটি। আশপাশের এলাকায় খোঁজাখুঁজি করে না পেয়ে সন্ধ্যায় মাইকিং করেন স্বজনরা। একপর্যায়ে রাত একটার দিকে ইটভাটার পরিত্যক্ত সেপটিক ট্যাংকের পাশে শিশুটির জামা দেখতে পান স্থানীয় বাসিন্দারা। পরে সেপটিক ট্যাংকের পানিতে শিশুটির মরদেহ পাওয়া যায়। 

স্থানীয় এক বাসিন্দার ভাষ্য, ধারণা করা হচ্ছে শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করে সেপটিক ট্যাংকে ফেলে দেওয়া হয়েছে।

স্থানীয় ইউপি সদস্য নূর নবী বলেন, আটক ছেলেটি প্রায় দুই বছর ধরে ওই ব্রিকফিল্ডে কাজ করেন। তার বাড়ি ময়মনসিংহে। মেয়েটির বাবার বাড়ি ভোলা ও মায়ের বাড়ি ময়মনসিংহ জেলায় হলেও কাজের সুবাদে তারা মাথিয়ারায় একটি কলোনিতে বসবাস করতেন। আগে থেকে মেয়েটি রাসেলকে চিনতেন। তিনি দুপুরে মেয়েকে ব্রিকফিল্ডে এনে খাবার দেন। পরে ধর্ষণের পর হত্যা করে মরদেহ সেপটিক ট্যাংকে ফেলে দিয়েছে বলে জিজ্ঞাসাবাদে স্বীকার করেছেন।

খবর পেয়ে রাতে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে পুলিশ। এ বিষয়ে ফেনী মডেল থানার ওসি মোহাম্মদ সামছুজ্জামান বলেন, শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করে মরদেহ সেপটিক ট্যাংকে ফেলে দেওয়া হয়েছিল। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে গ্রেপ্তার তরুণ এটি স্বীকার করেছেন। আইনানুযায়ী পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 

×
সর্বশেষ সর্বাধিক পঠিত