মানিকগঞ্জের দৌলতপুর উপজেলার চকমিরপুর ইউনিয়নের মান্দারতা গ্রামে সম্পত্তি লিখে না দেওয়ায় মাকে গলা কেটে হত্যা করেছেন ছেলে। গতকাল সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেন দৌলতপুর থানার ওসি আল মামুন। এর আগে গত বুধবার রাতে নিজ ঘরে মা করুণা রানী ভদ্রকে (৬০) ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে হত্যা করেন ছেলে। অভিযুক্ত ছেলের নাম রবিন্দ্রনাথ ভদ্র (৪২)। ঘটনার পর থেকে তিনি পলাতক রয়েছেন। নিহত করুণা রানী ভদ্র ফটিক ভদ্রের স্ত্রী।
পারিবারিক সূত্র জানায়, গত বুধবার রাত ১টার দিকে এই হত্যাকা- ঘটানো হয়। হত্যার পর পাশের ঘরে থাকা ছোট ভাই রথীন্দ্র নাথ ভদ্রকেও হত্যার চেষ্টা চালান তিনি। তবে ব্যর্থ হয়ে পালিয়ে যান রবি। দৌলতপুর থানার ওসি আল মামুন বলেন, খবর পেয়ে মৃতদেহকে উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে।
এদিকে নওগাঁ সদর উপজেলায় স্বামীর ছুরিকাঘাতে জুথি আক্তার (২২) নামের এক নারী নিহত হয়েছেন। গতকাল সকালে কাঁঠালতলী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। নিহত জুথি সদর উপজেলার আনন্দনগর মৃধা পাড়ার ঝুণ্টু প্রামাণিকের মেয়ে।
নিহতের পরিবার ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, এক বছর আগে জুথির বিয়ে হয় গাজীপুরের বাসিন্দা তানভীরের সঙ্গে। বিয়ের কয়েক মাস পর জুথি জানতে পারেন তানভীরের আরও একটি স্ত্রী রয়েছে। এ নিয়ে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে টানাপড়েন শুরু হয়। একপর্যায়ে জুথি স্বামীর বাড়ি ছেড়ে নওগাঁয় বাবার বাড়িতে চলে আসেন এবং মামলা করেন। গতকাল ছিল মামলার শুনানির দিন। সকালে কোর্টে যাওয়ার উদ্দেশে বাড়ি থেকে বের হন জুথি। এ সময় কাঁঠাতলী এলাকায় মাইক্রোবাস নিয়ে ওত পেতে ছিলেন তানভীর। জুথি রাস্তায় দাঁড়াতেই তানভীর ছুরি দিয়ে তাকে আঘাত করে পালিয়ে যান।
