চট্টগ্রামের সাতকানিয়া ও চন্দনাইশ উপজেলার সীমান্তবর্তী চরতী এলাকায় অনুমোদনহীন, অবৈধ ও ঝুঁকিপূর্ণ গ্যাস ক্রস ফিলিংয়ের কারখানায় গুদামে সিলিন্ডার বিস্ফোরণের ঘটনায় অগ্নিদগ্ধ শ্রমিক মোহাম্মদ ছালে (৩০) মারা গেছেন। সোমবার (২২ সেপ্টেম্বর) রাত সাড়ে ৯টায় ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইন্সটিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। এ নিয়ে এই দুর্ঘটনায় আরো ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে।
মৃত মোহাম্মদ ছালে চন্দনাইশ উপজেলার হাশিমপুর ইউনিয়নের ছৈয়দাবাদ এলাকার মৃত আবদুল জলিলের ছেলে। এর আগে শনিবার ও রবিবার রাতে একই ঘটনায় ওই গুদামের দুই শ্রমিক মো. ইদ্রিস (২৬) ও মো. ইউসুফ (৩০) এবং গুদামের মালিক মাহাবুবুর রহমান মারা যান।
একই ঘটনায় আহত হয়ে ঢাকার জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইন্সটিটিউটে চিকিৎসাধীন রয়েছেন আরও ৬ জন। তারা হলেন- মোহাম্মদ আকিব (১৭), মো. হারুন (২৯), মো. কফিল (২২), মো. রিয়াজ (১৭), মো. সৌরভ রহমান (২৫) ও মো. লিটন (২৮)।
স্থানীয়রা জানিয়েছেন, প্রায় এক বছর আগে সাতকানিয়া ও চন্দনাইশ উপজেলা সীমান্তবর্তী চরতী ইউনিয়নের নির্জন এলাকায় অবৈধভাবে গ্যাস ক্রসফিলিং গুদাম গড়ে তোলেন মালিক মাহাবুবুর রহমান। ওই গুদামে সরকারি বড় বোতল থেকে ছোট বোতলে গ্যাস স্থানান্তর করে বাজারজাত করা হতো।
গত ১৭ সেপ্টেম্বর ভোর সাড়ে ৬টার দিকে চন্দনাইশ ও সাতকানিয়ার সীমান্তবর্তী চরতী চর এলাকায় একটি গ্যাস সিলিন্ডারের গুদামে বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। এতে ওই দোকানের মালিক-শ্রমিকসহ ১০ জন দগ্ধ হন। তাদের উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হলেও আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়।
স্থানীয়রা বলছেন, ভবিষ্যতে এ ধরনের অবৈধ কার্যক্রম প্রতিরোধে প্রশাসনের আরও কঠোর হওয়া প্রয়োজন।
মারা যাওয়ার ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন নিহত মোহাম্মদ ছালে এর ভাই আরাফাত।
সাত জেলায় ৬০ কিমি বেগে ঝড় ও বজ্রসহ বৃষ্টির আভাস
দ্বিতীয় দিনের মতো রাবিতে চলছে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’