ষষ্ঠীপূজার মধ্য দিয়ে রবিবার (২৮ সেপ্টেম্বর) থেকে শুরু হয়েছে বাঙালি সনাতন ধর্মাবলম্বীদের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। কাঁসর, ঘণ্টা, শঙ্খ আর উলুধ্বনিতে ভোর থেকেই মন্দিরগুলোতে চলছে শারদীয় দুর্গোৎসবের আনুষ্ঠানিকতা।
শ্বশুরবাড়ি কৈলাস (স্বর্গলোক) থেকে কন্যারূপে দেবী দুর্গা আসছেন বাপের বাড়ি, এই মর্ত্যলোকে। এবার দেবী দুর্গা আসছেন গজে (হাতি) করে এবং বিদায় নেবেন দোলায় (পালকি) চড়ে। পাঁচ দিনের এ উৎসব শেষ হবে আগামী ২ অক্টোবর বৃহস্পতিবার বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে।
পূজা উদযাপন পরিষদের তথ্য অনুযায়ী, এ বছর উপজেলার মুরাদনগর থানার ও বাঙ্গরা বাজার থানার ২২টি ইউনিয়নে মোট ১৫২টি মণ্ডপে পূজা অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে মুরাদনগর থানা ৮৭টি এবং বাঙ্গরা বাজার থানায় ৬৫টি মণ্ডপে পূজা অনুষ্ঠিত হবে।
মুরাদনগর উপজেলা সদরের ভূঁইয়া বাড়ির পূজা উদযাপন কমিটির সদস্য জুটন কুমার মোদক ও গোলকরায় বাড়ির বাবুল চন্দ্র সাহা বলেন, দেবী দুর্গার কৃপা পাওয়ার আশায় আমরা সারা বছর অপেক্ষায় থাকি দেবী দুর্গার আগমনের এই দিনটির জন্য। তারা পূজার সময় নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সরবরাহ রাখার দাবি জানান।
পূজায় আইনশৃঙ্খলার বিষয়ে মুরাদনগর ও বাঙ্গরা বাজার থানার ও ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, সনাতন ধর্মালম্মীদের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা শান্তিপূর্ণ, নিরাপদ ও উৎসবমুখর পরিবেশে উদযাপন নিশ্চিত করতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী প্রস্তুত। প্রতিটি পূজা মণ্ডপে করা নজরদারি রয়েছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আবদুর রহমান বলেন, সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে দুর্গাপূজার কার্যক্রম সম্পন্ন করার লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সকল পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। পূজাকে সাফল্যমণ্ডিত করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে। পূজায় কোন প্রকার বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করার চেষ্টা করলে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না।
বাংলাদেশ যুব দলের সাবেক কোচ মিঠুন মানহাস এখন ভারতীয় বোর্ডের নতুন প্রেসিডেন্ট
ইসিকে সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য নির্বাচন করার সাহস থাকতে হবে