প্রায় ২০ বছর পর আবারও বিটিভির আয়োজনে শুরু হয়েছে শিশু-কিশোরদের প্রতিভা অন্বেষণ প্রতিযোগিতা ‘নতুন কুঁড়ি ২০২৫’। ইতিমধ্যে সারা দেশের ১৯টি জেলায় প্রাথমিক পর্যায়ের প্রতিযোগিতা প্রায় শেষ হয়েছে। ময়মনসিংহ শহরে টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ, জামালপুর, কিশোরগঞ্জ, নেত্রকোনা ও শেরপুরের প্রতিযোগীরা ‘নতুন কুঁড়ি ২০২৫’-এর প্রাথমিক প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে। এই প্রতিযোগিতায় শুধু টাঙ্গাইলের মধুপুরের মো. সাইফুল ইসলামের ‘মধুপুর নৃত্যাঙ্গন সংস্থা’ থেকেই ১৯ জন নৃত্য প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণ করে ১০ জন ইয়েস কার্ড পেয়েছেন। আবার ১০ জনের মধ্যে পাঁচজন দুটি ক্যাটাগরিতে নৃত্যে ইয়েস কার্ড পেয়েছে। মধুপুর থেকে রহিমা তাসনিম রুমু আধুনিক গানে ইয়েস কার্ড পেয়েছে। ‘মধুপুর নৃত্যাঙ্গন সংস্থা’ থেকে যারা নৃত্যে ইয়েস কার্ড পেয়েছে তারা হলো আদিবা চৌধুরী অঙ্কিতা জান্নাতুল করবী, শাইয়ারা তসনিম, খ্রিষ্টি চাম্বুগং, নন্দিনী দেবনাথ অয়ারিশা ওড়না মৌমিতা জাম্বু গং, শ্রদ্ধা সাহা, মারিয়া নকরেক ও মায়মনা।
আগামী ৪ অক্টোবর থেকে বিভাগীয় পর্যায়ে শুরু হবে ‘নতুন কুঁড়ি ২০২৫’ প্রতিযোগিতা। ‘মধুপুর নৃত্যাঙ্গন সংস্থা’র ইয়েস কার্ড পাওয়া শিল্পীদের বিশ্বাস তারা বিভাগীয় পর্যায়েও প্রতিষ্ঠানের সুনাম অক্ষুণœ রাখবেন। মুধুপুরে সব ইয়েস কার্ডপ্রাপ্ত প্রতিযোগীদের একত্রিত করতে গতকাল সোমবার সকালে সহযোগিতা করেন ইয়েস কার্ডপ্রাপ্ত প্রতিযোগী অঙ্কিতার মা খন্দকার লিপি।
‘মধুপুর নৃত্যাঙ্গন সংস্থা’র পক্ষে মো. সাইফুল ইসলাম বলেন, ‘আমি ভীষণ গর্বিত আমার প্রতিষ্ঠানের নৃত্যশিল্পীদের নিয়ে। তারা যে আমাকে নতুন কুঁড়ি ২০২৫-প্রতিযোগিতায় প্রাথমিক পর্যায়ে এতটা সম্মান বয়ে এনে দেবে এটা আমি কল্পনাও করিনি। যে কারণে আমি শিক্ষার্থীদের ওপর ভীষণ সন্তুষ্ট এবং তাদের নিয়ে আমি গর্বিত। আমার বিশ্বাস তারা বিভাগীয় পর্যায়ে এবং এর পরবর্তী ধাপেও অনেক ভালো করবে।’
