অন্তর্বর্তী সরকারের মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপদেষ্টা ফারুক-ই-আজম (বীর প্রতীক) বলেছেন, “আমাদের জাতিগতভাবে সামনের দিকে এগিয়ে যেতে হবে, পিছিয়ে যাওয়ার কোনো সুযোগ নেই।
তাই আগামীর শিক্ষা, স্বাস্থ্য, আইন-শৃঙ্খলা, সামগ্রিক অর্থনীতি সহ যাবতীয় মৌলিক বিষয়গুলো যাতে সুন্দর হয়, সেই লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে। পূজা পরিমণ্ডলে যাতে সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় থাকে, সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।”
বুধবার দুপুরে চট্টগ্রামের আনোয়ারা উপজেলায় রামকৃষ্ণ-সারদা সেবাশ্রমে পূজামণ্ডপ পরিদর্শনকালে তিনি এ কথা বলেন।
ফারুক-ই-আজম বলেন, “আমরা আদিকাল থেকে দুর্গাপূজা সম্পর্কে জানি। পূজার্থীরা যেভাবে দেবীর কাছে সুখ-সমৃদ্ধি কামনা করে আরাধনা করে, ঠিক একইভাবে সাধারণ মানুষও এই পূজাকে উৎসব হিসেবে গ্রহণ করে। দেবী আপনাদের সেই মনোকামনা পূরণ করবেন। সনাতনী ধর্মাবলম্বীদের জন্য এটি পূজা হলেও সমাজের জন্য এটি একটি উৎসব।
এই দীর্ঘ উৎসব নিরবিচ্ছিন্নভাবে সুন্দরভাবে পালন করা যায়, সেজন্য সরকার, প্রশাসন ও আইন-শৃঙ্খলাবাহিনী সার্বিকভাবে যুক্ত রয়েছে। সবচেয়ে বড় কথা সমাজ এটাই কামনা করছে যে, আপনারা এই উৎসব আনন্দঘন পরিবেশে পালন করুন।”
এ সময় তার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন ধর্মমন্ত্রণালয়ের ট্রাস্টি দীপক কুমার পালিত, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) তাহমিনা আক্তার, চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম, বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের কেন্দ্রীয় যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শ্যামল কুমার পালিত, চট্টগ্রাম জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বিশ্বজিৎ পালিত, আনোয়ারা উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সাগর মিত্র, সাধারণ সম্পাদক প্রদীপ ধর, উপজেলা হিন্দু-বৌদ্ধ-খ্রিস্টান ঐক্য পরিষদের সভাপতি দীপক বড়ুয়া, সাধারণ সম্পাদক রাহুল ধর এবং রামকৃষ্ণ-সারদা সেবাশ্রমের সাধারণ সম্পাদক আনন্দ মোহন চৌধুরী প্রমুখ।
এরপর বিকেলে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপদেষ্টা কর্ণফুলী উপজেলার জামালপাড়া শ্রী শ্রী লোকনাথ গীতা স্কুলের সার্বজনীন পূজামণ্ডপ পরিদর্শন করেন।
